বাসস, ঢাকা

গুম হওয়া ব্যক্তির পরিবারের আইনি সুরক্ষা ও উত্তরাধিকার নিশ্চিতে নতুন সংশোধিত অধ্যাদেশ জারি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এতে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি অন্তত পাঁচ বছর গুম থাকলে এবং জীবিত ফিরে না এলে ট্রাইব্যুনাল তাঁর সম্পত্তি বৈধ উত্তরাধিকারীদের মধ্যে বণ্টনের আদেশ দিতে পারবেন। এ ছাড়া গুম হওয়া ব্যক্তির স্ত্রী বা নির্ভরশীল সদস্যদের আইনিপ্রক্রিয়া শুরু করতে এখন থেকে কমিশনের পূর্বানুমতি লাগবে না।
আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ এবং সংসদবিষয়ক বিভাগের মুদ্রণ ও প্রকাশনা শাখা থেকে গতকাল মঙ্গলবার এ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। অধ্যাদেশটি জনসাধারণের জন্য গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়েছে।
আজ বুধবার আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এসব তথ্য জানিয়েছেন।
অধ্যাদেশটি ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, ২০২৫ সংশোধনকল্পে প্রণীত অধ্যাদেশ, ২০২৬’ নামে অভিহিত হবে। এটি অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সম্পত্তি বণ্টন ও উত্তরাধিকারের নতুন বিধান: অধ্যাদেশের ২৩ ধারার সংশোধনী অনুযায়ী, ‘দি এভিডেন্স অ্যাক্ট, ১৮৭২’-এর ১০৮ ধারায় (সাধারণত সাত বছর নিখোঁজ থাকার বিধান) যা-ই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীনে কেউ পাঁচ বছর গুম থাকলে তাঁর উত্তরাধিকারীরা সম্পত্তির অধিকার চেয়ে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করতে পারবেন। ট্রাইব্যুনাল আবেদনের সত্যতা যাচাই সাপেক্ষে ওই সম্পত্তি বণ্টনের আদেশ দিতে পারবেন। তবে প্রবিধান প্রণয়ন না হওয়া পর্যন্ত আবেদনের পদ্ধতি ট্রাইব্যুনাল নিজেই নির্ধারণ করবেন।
মামলা পরিচালনায় পাবলিক প্রসিকিউটর: সংশোধিত অধ্যাদেশের ১৩ ধারার পরিবর্তন করে বলা হয়েছে, ট্রাইব্যুনালে অভিযোগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য কমিশনের সুপারিশে প্রয়োজনীয়সংখ্যক পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) নিয়োগ দেবে সরকার। তবে কমিশন না থাকা অবস্থায় বা জরুরি প্রয়োজনে সরকার সরাসরি পিপি নিয়োগ করতে পারবে অথবা জেলা ও মহানগর পিপি বা অতিরিক্ত পিপিদের ট্রাইব্যুনালের অতিরিক্ত দায়িত্ব দিতে পারবে। ভুক্তভোগীর পক্ষে ব্যক্তিগত আইনজীবী নিয়োগের অধিকারও এতে সংরক্ষিত রাখা হয়েছে।
পরিবারের সদস্যদের সুরক্ষা: নতুন অধ্যাদেশে গুম হওয়া ব্যক্তির স্ত্রী বা নির্ভরশীল সদস্যদের আইনি সুরক্ষাকে সহজতর করা হয়েছে। মামলা দায়ের বা কার্যধারা শুরুর ক্ষেত্রে তাঁদের জন্য কমিশনের অনুমতির বাধ্যবাধকতা তুলে দেওয়া হয়েছে। তবে ট্রাইব্যুনাল চাইলে আবেদনের সত্যতা যাচাইয়ের প্রয়োজনে কমিশনের কাছে প্রতিবেদন তলব করতে পারবেন।
গুম হওয়া ব্যক্তির সংজ্ঞা ও আওতা: সংশোধিত অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর গঠিত তদন্ত কমিশনের অনুসন্ধান প্রতিবেদনে অথবা এই অধ্যাদেশ ও ‘ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস (ট্রাইব্যুনালস) অ্যাক্ট, ১৯৭৩ ’-এর অধীনে করা মামলায় যাঁরা গুম হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছেন এবং ট্রাইব্যুনালের আদেশ দেওয়ার আগপর্যন্ত জীবিত ফিরে আসেননি, তাঁরাই এই আইনের অধীনে ‘গুম হওয়া ব্যক্তি’ হিসেবে বিবেচিত হবেন।

গুম হওয়া ব্যক্তির পরিবারের আইনি সুরক্ষা ও উত্তরাধিকার নিশ্চিতে নতুন সংশোধিত অধ্যাদেশ জারি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এতে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি অন্তত পাঁচ বছর গুম থাকলে এবং জীবিত ফিরে না এলে ট্রাইব্যুনাল তাঁর সম্পত্তি বৈধ উত্তরাধিকারীদের মধ্যে বণ্টনের আদেশ দিতে পারবেন। এ ছাড়া গুম হওয়া ব্যক্তির স্ত্রী বা নির্ভরশীল সদস্যদের আইনিপ্রক্রিয়া শুরু করতে এখন থেকে কমিশনের পূর্বানুমতি লাগবে না।
আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ এবং সংসদবিষয়ক বিভাগের মুদ্রণ ও প্রকাশনা শাখা থেকে গতকাল মঙ্গলবার এ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। অধ্যাদেশটি জনসাধারণের জন্য গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়েছে।
আজ বুধবার আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এসব তথ্য জানিয়েছেন।
অধ্যাদেশটি ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, ২০২৫ সংশোধনকল্পে প্রণীত অধ্যাদেশ, ২০২৬’ নামে অভিহিত হবে। এটি অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সম্পত্তি বণ্টন ও উত্তরাধিকারের নতুন বিধান: অধ্যাদেশের ২৩ ধারার সংশোধনী অনুযায়ী, ‘দি এভিডেন্স অ্যাক্ট, ১৮৭২’-এর ১০৮ ধারায় (সাধারণত সাত বছর নিখোঁজ থাকার বিধান) যা-ই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীনে কেউ পাঁচ বছর গুম থাকলে তাঁর উত্তরাধিকারীরা সম্পত্তির অধিকার চেয়ে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করতে পারবেন। ট্রাইব্যুনাল আবেদনের সত্যতা যাচাই সাপেক্ষে ওই সম্পত্তি বণ্টনের আদেশ দিতে পারবেন। তবে প্রবিধান প্রণয়ন না হওয়া পর্যন্ত আবেদনের পদ্ধতি ট্রাইব্যুনাল নিজেই নির্ধারণ করবেন।
মামলা পরিচালনায় পাবলিক প্রসিকিউটর: সংশোধিত অধ্যাদেশের ১৩ ধারার পরিবর্তন করে বলা হয়েছে, ট্রাইব্যুনালে অভিযোগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনার জন্য কমিশনের সুপারিশে প্রয়োজনীয়সংখ্যক পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) নিয়োগ দেবে সরকার। তবে কমিশন না থাকা অবস্থায় বা জরুরি প্রয়োজনে সরকার সরাসরি পিপি নিয়োগ করতে পারবে অথবা জেলা ও মহানগর পিপি বা অতিরিক্ত পিপিদের ট্রাইব্যুনালের অতিরিক্ত দায়িত্ব দিতে পারবে। ভুক্তভোগীর পক্ষে ব্যক্তিগত আইনজীবী নিয়োগের অধিকারও এতে সংরক্ষিত রাখা হয়েছে।
পরিবারের সদস্যদের সুরক্ষা: নতুন অধ্যাদেশে গুম হওয়া ব্যক্তির স্ত্রী বা নির্ভরশীল সদস্যদের আইনি সুরক্ষাকে সহজতর করা হয়েছে। মামলা দায়ের বা কার্যধারা শুরুর ক্ষেত্রে তাঁদের জন্য কমিশনের অনুমতির বাধ্যবাধকতা তুলে দেওয়া হয়েছে। তবে ট্রাইব্যুনাল চাইলে আবেদনের সত্যতা যাচাইয়ের প্রয়োজনে কমিশনের কাছে প্রতিবেদন তলব করতে পারবেন।
গুম হওয়া ব্যক্তির সংজ্ঞা ও আওতা: সংশোধিত অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর গঠিত তদন্ত কমিশনের অনুসন্ধান প্রতিবেদনে অথবা এই অধ্যাদেশ ও ‘ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস (ট্রাইব্যুনালস) অ্যাক্ট, ১৯৭৩ ’-এর অধীনে করা মামলায় যাঁরা গুম হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছেন এবং ট্রাইব্যুনালের আদেশ দেওয়ার আগপর্যন্ত জীবিত ফিরে আসেননি, তাঁরাই এই আইনের অধীনে ‘গুম হওয়া ব্যক্তি’ হিসেবে বিবেচিত হবেন।

যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে ভিসা ‘বন্ড’ বা জামানত আরোপ হওয়া ৩৮ দেশের তালিকায় বাংলাদেশকে যুক্ত করার বিষয়টি ‘দুঃখজনক’; তবে এতে অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো দায় নেই বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে নিজের দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।
১ ঘণ্টা আগে
শতাধিক ব্যক্তিকে গুম করে হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মেজর জেনারেল (বরখাস্ত) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানিতে চিফ প্রসিকিউটর বিষয়টি তুলে ধরেন।
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের কারণে বন্ধ থাকা জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধন কার্যক্রম চলতি মাসেই চালু করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
২ ঘণ্টা আগে
ঋণখেলাপির তালিকায় কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির মনোনিত প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর নাম স্থগিত করে হাইকোর্টের বৈধ প্রার্থী ঘোষণার আদেশ স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। এর ফলে ঋণখেলাপি হিসেবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মঞ্জুরুলের অংশগ্রহণ আটকে যেতে পারে বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
২ ঘণ্টা আগে