
ক্রোয়েশিয়ার শেষ মুহূর্তে পাওয়া সমতা ফেরানো গোল বাতিল হওয়াকে কেন্দ্র করে ভিএআর ও স্নিকো প্রযুক্তির ভূমিকা নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। অতিরিক্ত সময়ের ১৩তম মিনিটে ইয়োসকো ভার্দিওলের গোল বাতিল হওয়ার ঘটনাই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।

পর্তুগালের বিপক্ষে ক্রোয়েশিয়ার বাতিল হওয়া গোল নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দিয়েছে ফিফা। বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা জানিয়েছে, এবারের বিশ্বকাপের অফিসিয়াল বলে থাকা সেন্সর প্রযুক্তির কারণেই ইগর মাতানোভিচের সূক্ষ্ম স্পর্শ শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। সেই স্পর্শের মুহূর্তেই মারিও পাসালিচ অফসা

এ যেন শেষ হয়েও হলো না শেষ। টরন্টোতে আজ বাংলাদেশ সময় ভোরে শেষ বত্রিশের পর্তুগাল-ক্রোয়েশিয়া ম্যাচের শেষ দিকে যা হলো, তা রীতিমতো অবাক করার মতো। গোলের উৎসব করার কিছুক্ষণের মধ্যেই ক্রোয়াট ফুটবলারদের চেহারায় ভেসে ওঠে বিষাদের কালো ছায়া। এই গোল বাতিল হওয়ায় শেষ বত্রিশের বাধা পেরোতে পারল না ক্রোয়েশিয়া।

বিশ্বকাপে টিকে থাকার লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ জয় তুলে নিয়েছে ক্রোয়েশিয়া। হারলে বিদায়ের শঙ্কায় পড়া দলটি কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়লেও শেষ পর্যন্ত পানামাকে ১-০ গোলে হারিয়ে নকআউট পর্বে ওঠার আশা জিইয়ে রেখেছে।