
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কিংবা এআই নিয়ে আলোচনা হলে আমাদের চোখে ভেসে ওঠে সিলিকন ভ্যালি, অত্যাধুনিক ডেটা সেন্টার কিংবা বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের নাম। কিন্তু এ প্রযুক্তি বিপ্লবের পেছনে রয়েছেন ভারতের গ্রামাঞ্চলের অনেক সাধারণ মানুষ।

এআই প্রযুক্তির সাম্প্রতিক অগ্রগতির পেছনে এই কাজের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এআই যতটা কার্যকর হবে, তা নির্ভর করে তাকে কী ধরনের তথ্য দিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে তার ওপর। আর ভারতে এই কাজের বড় অংশই করছেন নারীরা—যাঁদের অনেক সময় বলা হয় ‘ঘোস্ট ওয়ার্কার’, অর্থাৎ অদৃশ্য শ্রমিক।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ধীরে ধীরে চিকিৎসাবিজ্ঞানের প্রায় সব স্তরে ঢুকে পড়ছে। রোগ নির্ণয় থেকে শুরু করে অস্ত্রোপচার—সবখানেই এই প্রযুক্তিকে ভবিষ্যতের বিপ্লব হিসেবে তুলে ধরছেন এর প্রবক্তারা। কিন্তু একই সঙ্গে সামনে আসছে উদ্বেগজনক কিছু প্রতিবেদন।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার রমরমা এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে। আর এই সপ্তাহেই বিনিয়োগকারীরা বুঝে ফেলেছেন, পুরো শিল্প খাত বদলে যাওয়ার মুখে। সেই উপলব্ধির মূল্য হিসেবে বাজার থেকে উবে গেছে ৪০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।