
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি সাহিত্যকে অনেকেই নিম্নমানের বলে মনে করেন। কিন্তু নতুন এক গবেষণা বলছে, বাস্তবে পাঠকেরা অনেক সময় মানুষের লেখা গল্পের চেয়ে এআই-নির্মিত গল্পই বেশি পছন্দ করছেন। শুধু তা-ই নয়, কোন গল্প মানুষ লিখেছেন আর কোনটি এআই তৈরি করেছে—তা শনাক্ত করতেও তাঁরা প্রায় হিমশিম খাচ্ছেন।

রোবট এখন আর কল্পকাহিনির বিষয় নয়। মানুষের নানা কাজে যুক্ত হচ্ছে রোবট ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)। প্রযুক্তির এই পরিবর্তনের সময়ে শিশুদেরও রোবোটিকসের সঙ্গে পরিচিত করা দরকার। তবে শেখার শুরুটা হতে হবে আনন্দের, চাপ দিয়ে নয়।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) দ্রুত বিকাশের ফলে বিশ্বে যে নতুন বাস্তবতা ও চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে, তা মোকাবিলায় যুবসমাজকে উপযুক্ত জ্ঞান ও দক্ষতা দিয়ে গড়ে তুলতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেন, পরিবর্তনশীল এই বিশ্বব্যবস্থায় যুবসমাজই সভ্যতার সবচেয়ে বড় শক্তি ও

একবিংশ শতাব্দীর আধুনিক শিল্পবিপ্লবের মূল চালিকাশক্তি হয়ে উঠেছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)। প্রথাগত ডেটা প্রসেসিং কিংবা চ্যাটবটের সীমানা ছাড়িয়ে প্রযুক্তিবিশ্ব বর্তমানে প্রবেশ করেছে স্বায়ত্তশাসিত (অটোনোমাস) এআই এজেন্টের যুগে, যা প্রত্যক্ষ মানব হস্তক্ষেপ ছাড়াই জটিল সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও সমস্যা সমাধানে সক্ষম