ডিজিটাল ডেটা চুরি—বিষয়টি কয়েক দিন থেকে আমাদের দেশে বেশ ভাইরাল হয়ে গেছে। সম্প্রতি একটি চেইন সুপার শপের ডেটা চুরি গেলে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। কিন্তু এ বিষয়ে অনলাইনে মানুষের প্রতিক্রিয়া নেহাতই ট্রলের পর্যায়ে রয়েছে। কিন্তু ডেটা চুরি কি এতই ছোটখাটো বিষয় বা ট্রল করার মতো বিষয়? চলুন দেখে নেওয়া যাক, ডেটা চুরি হলে পরবর্তী সময়ে কোন ধরনের বিপদ হতে পারে।
ডিজিটাল যুগে আমরা প্রতিদিন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে নিজের নাম, মোবাইল ফোন নম্বর, ঠিকানা, এমনকি কখনো কখনো পেমেন্ট সম্পর্কিত তথ্যও দিয়ে থাকি। কিন্তু এসব তথ্য ফাঁস হয়ে গেলে এর পরিণতি হতে পারে ভয়াবহ।
করণীয় কী
শুধু কাস্টমারদের সচেতন হলেই হবে না—প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের ডেটা সুরক্ষায় আরও দায়িত্বশীল হতে হবে। কারণ, একবার তথ্য ফাঁস হয়ে গেলে তা আর পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয় না।
ফলে ডেটা চুরি বিষয়ে সামাজিকমাধ্যমে ট্রল না করে এর ঝুঁকিগুলো নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা জরুরি। সেই সঙ্গে জরুরি সচেতন হওয়া।

অস্ত্রোপচার ছাড়া দীর্ঘ সময় ধরে ইঁদুরের মস্তিষ্ক পর্যবেক্ষণের প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন চীনা বিজ্ঞানীরা। এতে মাথার ত্বক ও খুলি অক্ষত রেখেই মগজের উচ্চ রেজল্যুশনের ছবি ধারণ করা সম্ভব। ‘চায়না সায়েন্স ডেইলি’ এ তথ্য জানায়। গবেষণার বিস্তারিত প্রকাশিত হয়েছে ‘সায়েন্স অ্যাডভান্সেস’ সাময়িকীতে।
২৭ মিনিট আগে
কিউআর কোড আমাদের দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই ছড়িয়ে পড়েছে। একসময় এটি মোবাইল ফোন দিয়ে স্ক্যান করে নির্দিষ্ট তথ্য বা ওয়েবসাইট পাওয়া যেত। প্রথম দিকে এর ব্যবহার বেশ সীমিত থাকলেও ধীরে ধীরে সবখানে ছড়িয়ে পড়ে।
১ ঘণ্টা আগে
অনলাইন প্রতারকেরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহার করে ‘রং নম্বর’ কৌশলে সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত তথ্য এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্টের দখল নিচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা একে আধুনিক যুগের ‘ভয়ংকর ডিজিটাল মহামারি’ হিসেবে আখ্যা দিচ্ছেন। আগে এ ধরনের প্রতারণায় অনেক সময়ের প্রয়োজন হতো।
২ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘ ১৫৬ বছর ধরে বিজ্ঞানের জটিল ও সূক্ষ্ম বিষয়গুলো গবেষণাপত্রের পাতায় সীমাবদ্ধ রাখার পর, এবার তরুণ প্রজন্মের কাছে পৌঁছাতে আধুনিক সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম টিকটকে পা রাখল বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার’।
২ দিন আগে