সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের সাইবার গোয়েন্দা সংস্থার একটি নতুন সাইবার নিরাপত্তা ডিভাইস বিশ্বব্যাপী মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। যুক্তরাজ্যের গভর্নমেন্ট কমিউনিকেশনস হেডকোয়ার্টার্স সম্প্রতি ন্যাশনাল সাইবার সিকিউরিটি সেন্টারের মাধ্যমে ‘সাইলেন্টগ্লাস’ নামে একটি গ্যাজেট চালু করেছে। এটি ডিসপ্লে এবং একটি পিসির মধ্যে চলাচলকারী ক্ষতিকর ট্রাফিক ব্লক করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। সংস্থাটির মতে, সরকারি সম্পদ রক্ষার জন্য এই প্লাগ-অ্যান্ড-প্লে ডিভাইসটি তৈরি ও ডিজাইন করেছে এবং এটি ‘উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে ব্যবহারের জন্য অনুমোদিত’ হয়েছে। এই ডিজাইনের লাইসেন্স পেয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সাইবার সিকিউরিটি প্রতিষ্ঠান গোল্ডিলক ল্যাবস। এই প্রতিষ্ঠান সাইবার আক্রমণের সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভৌত সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে নেটওয়ার্কের সম্ভাব্য ক্ষতি সীমিত করার হার্ডওয়্যার তৈরিতে দক্ষ। পণ্যটি বিশ্বব্যাপী সহজলভ্য করার জন্য তারা সনি ইউকে টেকনোলজি সেন্টারের সঙ্গে অংশীদারত্ব করেছে। পণ্যটি এখনো সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত হয়নি।
সাইলেন্টগ্লাস কোনো প্রচলিত অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যারের মতো নয়। এটি হার্ডওয়্যার পর্যায়ে কাজ করে। এটি একটি কম্পিউটার এবং তার মনিটরের মাঝে বসে এইচডিএমআই এবং ডিসপ্লে পোর্ট সংযোগের মাধ্যমে আসা সন্দেহজনক বা ক্ষতিকর ট্রাফিক ব্লক করে। বেশির ভাগ মানুষের ধারণা, সাইবার আক্রমণ ঘটে থাকে ই-মেইল, ফাইল এবং ওয়েবসাইটের মাধ্যমে। কিন্তু নিরাপত্তা গবেষকেরা ক্রমবর্ধমানভাবে সতর্ক করছেন, হার্ডওয়্যার সংযোগগুলোও আক্রমণের পথ হয়ে উঠতে পারে। আধুনিক মনিটর এবং ডিসপ্লে সিস্টেমে প্রায়ই ফার্মওয়্যার, ইউএসবি হাব এবং কমিউনিকেশন চ্যানেল থাকে, হ্যাকাররা যেগুলোর অপব্যবহার করতে পারে। মনিটরগুলো হ্যাকারদের লক্ষ্যবস্তু। কারণ, এগুলো সরাসরি সংবেদনশীল সিস্টেম এবং মূল্যবান তথ্যের সঙ্গে যুক্ত।
সাইলেন্টগ্লাস স্ক্রিন ও কম্পিউটারের মধ্যে অননুমোদিত কিংবা অপ্রত্যাশিত যোগাযোগ রোধ করার মাধ্যমে কম্পিউটার হ্যাক হওয়ার ঝুঁকি বন্ধ করে। ডিভাইসটিকে প্লাগ-অ্যান্ড-প্লে হিসেবে আখ্যায়িত করা হচ্ছে। ব্যবহারকারীরা কোনো ধরনের জটিল সেটআপ ছাড়াই এটি সংযোগ করতে পারবেন।
সাইলেন্টগ্লাস নিরাপত্তা ডিভাইসটি দেখতে কম্পিউটার ও মনিটরের মাঝে রাখা একটি সাধারণ অ্যাডাপ্টরের মতো। তবে এর অভ্যন্তরীণ নকশা হার্ডওয়্যার সুরক্ষায় একটি বড় পরিবর্তন নিয়ে আসবে। সাইলেন্টগ্লাস ডিসপ্লে সংযোগ দেওয়ার জন্য একটি ‘ডেটা ফায়ারওয়াল’ হিসেবে কাজ করে। এটি অবাধ যোগাযোগের অনুমতি দেওয়ার পরিবর্তে, মনিটর এবং কম্পিউটারের মধ্যে ঠিক কোন ধরনের ট্রাফিক অনুমোদিত হবে, তা ফিল্টারও নিয়ন্ত্রণ করে।
সূত্র: থমাস হার্ডওয়্যার ডট কম, ইনফো সিকিউরিটি ম্যাগাজিন

প্রযুক্তি দুনিয়ায় একটি বড় প্রশ্ন হলো, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যবহৃত হবে, নাকি বৃহৎ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো এটিকে মুনাফা ও নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করবে? বর্তমান বাস্তবতা বিবেচনায় অনেকের মতে উত্তরটি স্পষ্ট—বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো সাধারণ মানুষের স্বার্থ...
৬ ঘণ্টা আগে
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতের অন্যতম শীর্ষ স্টার্টআপ অ্যানথ্রপিক তাদের নতুন ও শক্তিশালী মডেল মিথোসের ‘ক্লদ ফেবল–৫’ (Claude Fable 5) ভার্শন চালু করেছে। কোম্পানিটির মতে এখন পর্যন্ত তাদের তৈরি করা সবচেয়ে সক্ষম মডেল এটি। তবে এর সঙ্গে থাকছে কঠোর নিরাপত্তা কাড়াকাড়ি ও সুরক্ষা বেষ্টনী।
১৩ ঘণ্টা আগে
‘উপনিবেশ’ শব্দটি শুনলেই আমাদের মনে ভেসে ওঠে এমন এক অঞ্চলের কথা, যেখানে নিজের ভূমিতেই মানুষ পরবাসী হয়ে ওঠে। আর সেসব পরবাসী মানুষের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয় শক্তিশালী জনগোষ্ঠীর তৈরি রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার কাঠামো।
২ দিন আগে
ফুটবল বিশ্বকাপ শুরু হচ্ছে ১১ জুন। সেই মাহেন্দ্রক্ষণ সামনে রেখে বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের ঘরে ঘরে এখন সাজ সাজ রব। তিনটি আয়োজক দেশের ৪৮টি দলের মোট ১০৪টি ম্যাচের এই বিশাল মহাযজ্ঞ এবার উপহার দেবে ফুটবল ইতিহাসের দীর্ঘ রোমাঞ্চ।
২ দিন আগে