
ইলন মাস্কের নেতৃত্বে একদল বিনিয়োগকারী থেকে প্রাপ্ত ওপেনএআই কিনে নেওয়ার ৯৭ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলারের প্রস্তাবটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ। গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠানটির বোর্ড চেয়ারম্যান ব্রেট টেইলর বলেন, ‘ওপেনএআই বিক্রির জন্য নয় এবং বোর্ড সর্বসম্মতভাবে মাস্কের সর্বশেষ প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করেছে।’
বিবৃতিটি ওপেনএআই ও মাস্কের মধ্যে চলমান বিরোধের এক নতুন পর্ব। মাস্ক ও স্যাম অল্টম্যানসহ একটি গ্রুপের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ওপেনএআই। মূলত একটি অলাভজনক গবেষণাগার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হলেও এখন এটি একটি নতুন কাঠামোর দিকে এগোচ্ছে কোম্পানিটি। এর মাধ্যমে কোম্পানিটি আরও বেশি তহবিল সংগ্রহ করে এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য লাভ বাড়াতে পারবে। মূলত অলাভজনক থেকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত হতে চাচ্ছে কোম্পানিটি।
তবে এই পরিকল্পনার ব্যাপক সমালোচনা করেন মাস্ক। গত সোমবার মাস্কের নেতৃত্বাধীন একটি গ্রুপ প্রতিষ্ঠানটিকে পুনরায় ‘ওপেন সোর্স ও নিরাপত্তাকেন্দ্রিক শক্তি’ হিসেবে ফিরিয়ে আনার উদ্দেশ্যে এ প্রস্তাব দিয়েছিল। প্রস্তাবটি গৃহীত হলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শিল্পে একটি বড় ধরনের পরিবর্তন আসত এবং মাস্ককে এক্সএআইয়ের মালিক হিসেবে আরও শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যেতে পারত।
এদিকে ওপেনএআইকে একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিণত করার চাপের মুখে রয়েছেন স্যাম অল্টম্যান। এ বিষয়ে এক্স প্ল্যাটফর্মে অল্টম্যান বলেন, ‘ধন্যবাদ, কিন্তু আমরা, যদি আপনি (মাস্ক) চান, ৯ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন ডলারে টুইটার কিনতে পারি।’
বোর্ড চেয়ার ব্রেট টেইলর শুক্রবার বলেন, ‘ওপেনএআইয়ের যেকোনো ধরনের পুনর্গঠন আমাদের অলাভজনক প্রতিষ্ঠানকে আরও শক্তিশালী করবে এবং কৃত্রিম সাধারণ বুদ্ধিমত্তা (এজিআই) যেন মানবজাতির উপকারে আসে তা নিশ্চিত করবে।
মাস্কের পক্ষের আইনজীবী মার্ক টোবেরফ বলেন, প্রস্তাবটির প্রত্যাখ্যানের বিষয়টি ‘অপ্রত্যাশিত নয়’। তিনি আরও বলেন, ওপেনএআইয়ের বোর্ডের উচিত ছিল প্রস্তাবটি ভালোভাবে পর্যালোচনা করা। কারণ তাদের প্রতিষ্ঠানের প্রতি দায়িত্ব রয়েছে।
এর আগেও ওপেনএআইয়ের পুনর্গঠন পরিকল্পনার পথে বাধা সৃষ্টির চেষ্টা করেন মাস্ক। ২০২৪ সালের জুনে ওপেনএআইয়ের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছিলেন এই বিলিয়নিয়র। প্রতিষ্ঠানটি এক ব্লগ পোস্টে মাস্কের ইমেইল ফাঁস করার এই মামলা প্রত্যাহার করে।
এরপর গত আগস্টে একটি নতুন মামলা দায়ের করেন, যেখানে কৃত্রিম সাধারণ বুদ্ধিমত্তা (এজিআই) তৈরির নামে মুনাফা বাড়ানোর অভিযোগ তুলেছিলেন।
২০১৫ সালে স্যাম অল্টম্যানের সঙ্গে ওপেনএআই প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ইলন মাস্ক। তবে কোম্পানির লক্ষ্য ও অর্থায়নের বিষয়ে মতবিরোধের কারণে তিনি কোম্পানি ছেড়ে চলে যান। ২০২৩ সালে প্রতিদ্বন্দ্বী এআই স্টার্টআপ এক্সএআই প্রতিষ্ঠা করেন।
ওপেনএআই বর্তমানে ৪০ বিলিয়ন ডলার অর্থ সংগ্রহের প্রক্রিয়ায় রয়েছে এবং এটি একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠান হতে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটি দাবি করছে যে, উন্নত এআই মডেল তৈরির জন্য পর্যাপ্ত মূলধন সংগ্রহের লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠানটি ছাড়ার পর তিনি টেসলাকে ওপেনএআই অধিগ্রহণের জন্য রাজি করতে ব্যর্থ হন। তিনি প্রতিষ্ঠানে তার প্রভাব হারানোর কারণে ঈর্ষান্বিত হয়ে পড়েছেন বলে অনেকেই দাবি করেন।
এই বিষয়ে এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে অল্টম্যান বলেছিলেন, ‘আমি চাই, একটি ভালো পণ্য তৈরি করে তিনি প্রতিযোগিতা করুন।’

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) শিল্পে ডেটাসেন্টার নির্মাণের দ্রুত বিস্তার এবং এর ফলে মেমোরি ও স্টোরেজ চিপের ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় আইপ্যাড ও ম্যাকবুকের দাম বাড়িয়েছে প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপল। গতকাল বৃহস্পতিবার কোম্পানিটি জানায়, এতদিন তারা বাড়তি খরচ নিজেরা বহন করে গ্রাহকদের ওপর চাপ কমিয়ে রেখেছিল, কিন্তু বর্তমান
২ দিন আগে
নিউইয়র্ক বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নেয়ার বা ‘লক্ষ কোটিপতি’ হওয়ার গৌরব অর্জনের মাত্র দুই সপ্তাহের মাথায় সেই খেতাব হারালেন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক। ব্লুমবার্গের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, স্পেসএক্সের শেয়ার বাজারে অভিষেকের পর তৈরি হওয়া বিপুল উন্মাদনা কেটে যাওয়ার পরপরই তাঁর এই সম্পদহানি ঘটেছে।
৩ দিন আগে
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি মানবজাতির ভবিষ্যৎ বদলে দেবে—এমন দাবি দীর্ঘদিন ধরেই করে আসছেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা। তবে জাতিসংঘের (ইউএন) সাম্প্রতিক এক গবেষণা প্রতিবেদনে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য।
৪ দিন আগে
এতদিন কুনাল শাহ নামটি মূলত ভারতের স্টার্টআপ এবং বিনিয়োগকারীদের বৃত্তের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। ভারতীয় ফিনটেক জায়ান্ট ‘ক্রেড’ (Cred)-এর এই প্রতিষ্ঠাতা শুধু ব্যবসাই করেননি, বরং নিজের পডকাস্ট এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নানা তাত্ত্বিক পোস্টের মাধ্যমে প্রযুক্তি মহলে একটি বড় অনুসারী দল তৈরি করেছিলেন।
৪ দিন আগে