
২০৩০ সালের মধ্যে কম্পিউটিং খাতে প্রায় ৬০০ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করার পরিকল্পনা করছে ওপেনএআই। চ্যাটজিপিটি নির্মাতা সংস্থা আইপিওর প্রস্তুতি নিচ্ছে, যা কোম্পানির মূল্য সর্বোচ্চ ১ ট্রিলিয়ন ডলার পর্যন্ত বাড়াতে পারে।

চ্যাটজিপিটি যুক্তরাষ্ট্রের কিছু ব্যবহারকারীর জন্য বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের পরীক্ষা করছে। এই পরীক্ষা চলছে ফ্রি এবং গো সাবস্ক্রিপশন টায়ারে। এই দুই টায়ারই চ্যাটজিপিটির সবচেয়ে সস্তা প্যাকেজ। অনেকের মতে, এটাই হয়তো বিজ্ঞাপনহীন চ্যাটজিপিটির শেষের শুরু।

কয়েক বছর আগেও এআই নতুন এক প্রযুক্তি হিসেবে ধীরে ধীরে এগোচ্ছিল। ওপেনএআইয়ের চ্যাটজিপিটি উন্মুক্ত হওয়ার পর সবকিছু যেন দ্রুত বদলে যেতে থাকল। মাঝে চীনের ডিপসিক নিয়েও চলল ব্যাপক আলোচনা। খুব অল্প সময়ের মধ্যে এআই পুরো বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা হিসেবে গড়ে উঠল।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির মুখে স্মার্টফোনের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। গত দুই দশকে ডিজিটাল দুনিয়ায় মানুষের প্রবেশদ্বার হিসেবে যে ডিভাইসটি একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করেছে—সেই আইফোন ও অ্যান্ড্রয়েডচালিত স্মার্টফোন ব্যবস্থাই আজ চ্যালেঞ্জের মুখে।