২০৩০ সালের মধ্যে কম্পিউটিং খাতে প্রায় ৬০০ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করার পরিকল্পনা করছে ওপেনএআই। চ্যাটজিপিটি নির্মাতা সংস্থা আইপিওর প্রস্তুতি নিচ্ছে, যা কোম্পানির মূল্য সর্বোচ্চ ১ ট্রিলিয়ন ডলার পর্যন্ত বাড়াতে পারে।
ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।
সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ওপেনএআইর রাজস্ব ১৩ বিলিয়ন ডলার হয়েছে, যা তাদের ১০ বিলিয়ন ডলারের পূর্বাভাসকে ছাড়িয়ে গেছে, আর খরচ হয়েছে ৮ বিলিয়ন ডলার, যা ৯ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্য থেকে কম।
এদিকে, এনভিডিয়া ওপেনএআইতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। কোম্পানিটি এই তহবিল সংগ্রহে ১০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি চাইছে। এই বিনিয়োগের ভিত্তিতে স্যাম অল্টম্যানের নেতৃত্বাধীন কোম্পানির মূল্য প্রায় ৮৩০ বিলিয়ন ডলার হবে এবং এটি সবচেয়ে বড় প্রাইভেট ফান্ডরেইজের একটি হিসেবে বিবেচিত হবে।
মাইক্রোসফট-সমর্থিত ওপেনএআই আশা করছে, ২০৩০ সালের মধ্যে তার মোট রাজস্ব ২৮০ বিলিয়ন ডলারের বেশি হবে, যা প্রায় সমানভাবে কনজ্যুমারস ও এন্টারপ্রাইজ ব্যবসা থেকে আসবে। অল্টম্যান গত বছর বলেছিলেন, কোম্পানি ৩০ গিগাওয়াট কম্পিউটিং ক্ষমতা তৈরি করতে ১ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন খরচ করবে, যা প্রায় ২৫ মিলিয়ন মার্কিন বাড়িকে শক্তি দিতে যথেষ্ট।
অন্যদিকে, বিনিয়োগকারীদের জানানো হয়েছে, ২০২৫ সালে মডেল চালানোর খরচ চার গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে কোম্পানির সমন্বিত গ্রস মার্জিন ২০২৪ সালের ৪০ শতাংশ থেকে কমে ৩৩ শতাংশে নেমেছে।

ক্রীড়াঙ্গনে নারী অ্যাথলেটদের আপত্তিকর ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া এবং স্টেডিয়ামে দর্শকদের ছবি তোলার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির দুটি সাম্প্রতিক ঘটনা এশিয়ার ক্রীড়াঙ্গনে নারী অ্যাথলেটদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও সুরক্ষার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় নিয়ে এসেছে।
৩ দিন আগেসকালবেলা অ্যালার্মের কর্কশ শব্দে চোখ মেলা থেকে শুরু করে রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে বিছানায় শুয়ে শেষ স্ক্রল! এ যুগের মানুষের ২৪ ঘণ্টার রুটিন এখন বন্দী হয়ে গেছে পাঁচ থেকে ছয় ইঞ্চির একটি কাচের স্ক্রিনে। ফেসবুকের নোটিফিকেশন, ইনস্টাগ্রামের রিলস আর ইউটিউব শর্টসের অন্তহীন গোলকধাঁধায় প্রতিদিন হারিয়ে যাচ্ছে
৬ দিন আগে
ঈদের সময় বড় শহরগুলো যেন অচেনা রূপ নেয়। চিরচেনা যানজটের শহর হয়ে যায় একেবারে ফাঁকা। তবে এই ফাঁকা শহরে ঈদের রাতে আত্মীয়ের বাসায় যাওয়া কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় বের হওয়ার সময় রাইড শেয়ারিং অ্যাপ ব্যবহার করেন অনেকে। চালকের সংখ্যা সীমিত থাকায় বাস্তবতা হলো, বাইক বা গাড়ি পেতে বেশ ঝক্কিতে পড়তে হয় এ সময়।
৬ দিন আগে
নব্বই বা শূন্য দশকের শুরুর দিকের সেই কোরবানির ঈদের দিনগুলোর কথা মনে আছে? হাটের গরু নিয়ে তুমুল উত্তেজনা কিংবা ঈদের দিন সকাল থেকে মাংস কাটাছেঁড়ার বিশাল ব্যস্ততা। এর মাঝেও আমাদের শৈশবের একটা বড় অংশজুড়ে থাকত ঈদ কার্ড। ঈদের আগের রাতে ড্রয়িংরুমে বসে একদিকে বড়রা যখন মাংস বিলি-বণ্টনের
৬ দিন আগে