
ঢাকা: শক্তিশালী ফোরহ্যান্ডটা স্তেফানো সিৎসিপাস ঠেকানোর সময় পর্যন্ত পেলেন না। ঐতিহাসিক এক জয় যে পেয়েছেন, তা নিশ্চিত হতেই কয়েক মুহূর্ত সময় লেগে গেল নোভাক জোকোভিচের। ধীরেসুস্থে প্রতিপক্ষের সঙ্গে হাত মেলালেন, ধাতস্থ হতে সময় নিলেন কিছুক্ষণ। ক্লান্তিটা কমতেই বেরিয়ে এল সেই চিরচেনা জোকোভিচের চেহারা। পাঁচ বছর পর ফ্রেঞ্চ ওপেন শিরোপা জয়ের আনন্দে মাতলেন বুনো উল্লাসে।
সর্বশেষ ২০১৬ সালে রাফায়েল নাদালের ‘দুর্গ’ ফ্রেঞ্চ ওপেন শিরোপা জিতেছিলেন জোকোভিচ। পাঁচ বছর পর্যন্ত সেটাই প্রথম ও একমাত্র ফ্রেঞ্চ ওপেন হয়েছিল সার্বিয়ান তারকার ক্যারিয়ারে। পঞ্চম বাছাই সিৎসিপাসের বিপক্ষে সাড়ে চার ঘণ্টার লড়াই শেষে লাল দুর্গে অপেক্ষা ফুরিয়েছে ‘জোকারের’। গ্রিক প্রতিপক্ষকে কাল ৬-৭ (৬-৮), ২-৬, ৬-৩, ৬-২, ৬-৪ গেমে হারিয়ে জিতেছেন রোলাঁ গারোঁতে নিজের দ্বিতীয় ও ক্যারিয়ারের ১৯তম গ্র্যান্ড স্লাম।
ফ্রেঞ্চ ওপেন জিতে রজার ফেদেরার ও রাফায়েল নাদালের ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলছেন জোকোভিচ। দুই কিংবদন্তির থেকে মাত্র এক গ্র্যান্ড স্লাম দূরত্বে পিছিয়ে ৩৪ বছর বয়সী সার্বিয়ান তারকা। ফেদেরার ও নাদাল—দুজনেই গ্র্যান্ড স্লাম জিতেছেন রেকর্ড ২০টি করে। ১৯৬৮ সাল থেকে টেনিসের উন্মুক্ত যুগ শুরুর পর জোকোভিচই একমাত্র টেনিস তারকা, যাঁর আছে প্রতিটি গ্র্যান্ড স্লাম দুবার করে জয়ের রেকর্ড!
অথচ কাল প্রথম দুই সেট শেষে মনে হচ্ছিল নিজের প্রথম গ্র্যান্ড স্লামটা জিতেই যাচ্ছেন সিৎসিপাস। প্রথম সেটটা জোকোভিচকে ভুগিয়ে জিতেছেন টাইব্রেকারে। দ্বিতীয় সেটে জোকোভিচ যেন রীতিমতো উড়েই গেলেন। ক্যামেরা বারবার চলে যাচ্ছিল গ্যালারির দিকে। স্বামীর দুশ্চিন্তায় তখন মুষড়ে পড়ার অবস্থা জোকোভিচের স্ত্রী ইয়েলিনা জোকোভিচের। সার্বিয়ান তারকা নিজেও যেন নিজেকে খুঁজে ফিরছিলেন প্রথম দুই সেটে।
তবে জোকোভিচ কেন র্যাঙ্কিংয়ে সেরা খেলোয়াড়, তৃতীয় সেটেই তা সিৎসিপাসকে বুঝিয়ে দিলেন। দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে শুরু। দুর্দান্ত সব ফোরহ্যান্ড আর চতুর সব লবে নাকাল করে ছাড়লেন বয়সে ১১ বছরের ছোট সিৎসিপাসকে। নিজের প্রথম গ্র্যান্ড স্লাম জয়ের স্বপ্ন তখন থেকেই দূরে সরে যেতে লাগল গ্রিক তারকার।
অবশ্য এবারের রোঁলা গারোঁর প্রায় প্রতিটি ম্যাচই যেন জোকোভিচের ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প দিয়ে রাঙানো। চতুর্থ রাউন্ডে লরেঞ্জো মুসেত্তির বিপক্ষে জিতেছিলেন প্রথম দুই সেট হারের পরও। মাত্তেও বেরেত্তিনির বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালেও সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। নাদালের কাছে সেমিতে হেরেছিলেন প্রথম সেট।

ঢাকা: শক্তিশালী ফোরহ্যান্ডটা স্তেফানো সিৎসিপাস ঠেকানোর সময় পর্যন্ত পেলেন না। ঐতিহাসিক এক জয় যে পেয়েছেন, তা নিশ্চিত হতেই কয়েক মুহূর্ত সময় লেগে গেল নোভাক জোকোভিচের। ধীরেসুস্থে প্রতিপক্ষের সঙ্গে হাত মেলালেন, ধাতস্থ হতে সময় নিলেন কিছুক্ষণ। ক্লান্তিটা কমতেই বেরিয়ে এল সেই চিরচেনা জোকোভিচের চেহারা। পাঁচ বছর পর ফ্রেঞ্চ ওপেন শিরোপা জয়ের আনন্দে মাতলেন বুনো উল্লাসে।
সর্বশেষ ২০১৬ সালে রাফায়েল নাদালের ‘দুর্গ’ ফ্রেঞ্চ ওপেন শিরোপা জিতেছিলেন জোকোভিচ। পাঁচ বছর পর্যন্ত সেটাই প্রথম ও একমাত্র ফ্রেঞ্চ ওপেন হয়েছিল সার্বিয়ান তারকার ক্যারিয়ারে। পঞ্চম বাছাই সিৎসিপাসের বিপক্ষে সাড়ে চার ঘণ্টার লড়াই শেষে লাল দুর্গে অপেক্ষা ফুরিয়েছে ‘জোকারের’। গ্রিক প্রতিপক্ষকে কাল ৬-৭ (৬-৮), ২-৬, ৬-৩, ৬-২, ৬-৪ গেমে হারিয়ে জিতেছেন রোলাঁ গারোঁতে নিজের দ্বিতীয় ও ক্যারিয়ারের ১৯তম গ্র্যান্ড স্লাম।
ফ্রেঞ্চ ওপেন জিতে রজার ফেদেরার ও রাফায়েল নাদালের ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলছেন জোকোভিচ। দুই কিংবদন্তির থেকে মাত্র এক গ্র্যান্ড স্লাম দূরত্বে পিছিয়ে ৩৪ বছর বয়সী সার্বিয়ান তারকা। ফেদেরার ও নাদাল—দুজনেই গ্র্যান্ড স্লাম জিতেছেন রেকর্ড ২০টি করে। ১৯৬৮ সাল থেকে টেনিসের উন্মুক্ত যুগ শুরুর পর জোকোভিচই একমাত্র টেনিস তারকা, যাঁর আছে প্রতিটি গ্র্যান্ড স্লাম দুবার করে জয়ের রেকর্ড!
অথচ কাল প্রথম দুই সেট শেষে মনে হচ্ছিল নিজের প্রথম গ্র্যান্ড স্লামটা জিতেই যাচ্ছেন সিৎসিপাস। প্রথম সেটটা জোকোভিচকে ভুগিয়ে জিতেছেন টাইব্রেকারে। দ্বিতীয় সেটে জোকোভিচ যেন রীতিমতো উড়েই গেলেন। ক্যামেরা বারবার চলে যাচ্ছিল গ্যালারির দিকে। স্বামীর দুশ্চিন্তায় তখন মুষড়ে পড়ার অবস্থা জোকোভিচের স্ত্রী ইয়েলিনা জোকোভিচের। সার্বিয়ান তারকা নিজেও যেন নিজেকে খুঁজে ফিরছিলেন প্রথম দুই সেটে।
তবে জোকোভিচ কেন র্যাঙ্কিংয়ে সেরা খেলোয়াড়, তৃতীয় সেটেই তা সিৎসিপাসকে বুঝিয়ে দিলেন। দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে শুরু। দুর্দান্ত সব ফোরহ্যান্ড আর চতুর সব লবে নাকাল করে ছাড়লেন বয়সে ১১ বছরের ছোট সিৎসিপাসকে। নিজের প্রথম গ্র্যান্ড স্লাম জয়ের স্বপ্ন তখন থেকেই দূরে সরে যেতে লাগল গ্রিক তারকার।
অবশ্য এবারের রোঁলা গারোঁর প্রায় প্রতিটি ম্যাচই যেন জোকোভিচের ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প দিয়ে রাঙানো। চতুর্থ রাউন্ডে লরেঞ্জো মুসেত্তির বিপক্ষে জিতেছিলেন প্রথম দুই সেট হারের পরও। মাত্তেও বেরেত্তিনির বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালেও সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। নাদালের কাছে সেমিতে হেরেছিলেন প্রথম সেট।

জাতীয় ফুটবল দলে ঢোকার দরজা সাবিনা খাতুনের জন্য আপাতত বন্ধই রয়েছে। ২০২৪ সালে তাঁর নেতৃত্বে সাফ জিতেছিল বাংলাদেশ। সেটাই হয়ে থাকে অভিজ্ঞ এই ফরোয়ার্ডের শেষ ম্যাচ। কোচ পিটার বাটলারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের ডাক দেওয়ার পর জাতীয় দলে আর ডাক পাননি তিনি।
৩ ঘণ্টা আগে
শামীম হোসেন পাটোয়ারী খেলছিলেন তাঁর মতো করে। উইকেটের চতুর্দিকে বাহারি শটের পসরা সাজিয়ে করেছেন ফিফটি। ইনিংসের শেষ বল পর্যন্ত খেলেছেন । তবে সতীর্থদের কাছ থেকে যে তেমন সমর্থন পাননি। সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে স্বাগতিক সিলেট টাইটান্সের কাছে ৬ রানে হেরেছে ঢাকা ক্যাপিটালস।
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ফুটবল লিগের প্রথম পর্বের শেষ রাউন্ড হবে কাল ও পরশু। কাল মুন্সিগঞ্জের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে ব্রাদার্স ইউনিয়নের মুখোমুখি হবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। তবে এর আগেই ধাক্কা খেল সাদা-কালোরা। লিগের মাঝপথেই ক্লাব ছেড়ে চলে যাচ্ছেন দলের অন্যতম বড় অস্ত্র মুজাফফর মুজাফফর
৫ ঘণ্টা আগে
নেইমারকে নিয়ে আলোচনাটা একরকম শেষই বলা চলে। ব্রাজিলিয়ান তারকা ফরোয়ার্ডের ইন্টার মায়ামিতে যাওয়া বা ইউরোপে ফেরার একটা গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। শেষপর্যন্ত তিনি সান্তোসেই থেকে যাচ্ছেন বলে ব্রাজিলের গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রদিবেদনে জানা গেছে।
৫ ঘণ্টা আগে