
সবচেয়ে বেশি গ্র্যান্ড স্লাম, ওয়ার্ল্ড ট্যুর ফাইনালসের ট্রফি কিংবা হাজার মাস্টার্স—কোন রেকর্ডেই না আছেন তিনি! সবচেয়ে বেশি সপ্তাহ র্যাঙ্কিং শীর্ষে থাকার রজার ফেদেরারের রেকর্ডটিও ভেঙে দিয়েছেন নোভাক জোকোভিচ। এবার রেকর্ড বইয়ের আরও একটা পাতায় সুইস কিংবদন্তিকে আড়াল করে দিলেন সার্বিয়ান তারকা। নিজের করে নিলেন গ্র্যান্ড স্লামের এককে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ডও।
৪২৯টি ম্যাচ খেলে এত দিন এই রেকর্ডটির মালিক ছিলেন রজার ফেদেরার। আজ অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে পর্তুগালের অবাছাই জাইমে ফারিয়ার বিপক্ষে কোর্টে খেলে ফেদেরারকে পেছনে ফেলে ৪৩০টি ম্যাচ খেলার নতুন রেকর্ড গড়লেন জোকোভিচ।
রেকর্ড গড়ার ম্যাচটি জোকোভিচ জিতেছেন ৬-১, ৬-৭ (৪/৭), ৬-৩, ৬-২ গেমে। ম্যাচ শেষে নতুন রেকর্ড গড়ার অনুভূতি জানাতে গিয়ে বললেন, ‘আমি এই খেলাকে ভালোবাসি, ভালোবাসি প্রতিদ্বন্দ্বিতাও। যখনই খেলতে নামি, সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করি। ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে গ্র্যান্ড স্লামে খেলছি। হারি কিংবা জিতি, কোর্টে আমি হৃদয় নিংড়েই খেলি। আরেকটি রেকর্ড গড়তে পেরে সৌভাগ্যবান মনে করছি। গ্র্যান্ড স্লাম ম্যাচ এবং গ্র্যান্ড স্লাম শিরোপা আমাদের খেলাটায় বেশি গুরুত্বপূর্ণ। অবশ্যই এ (রেকর্ড গড়তে পেরে) নিয়ে আমি খুবই উচ্ছ্বসিত।’
আরেক ম্যাচে কার্লোস আলকারাজ ৬-০, ৬-১, ৬-৪ গেমে উড়িয়ে দিয়েছেন জাপানের ইয়োশিহিতো নিশিয়োকাকে। জিততে সময় নিয়েছেন মাত্র ৮১ মিনিট। জোকোর সঙ্গে এই স্প্যানিশ তারকাও নিশ্চিত করেছেন অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের তৃতীয় রাউন্ড।

এবারের বিশ্বকাপ যে দলগুলোর জন্য কতটা কঠিন ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হচ্ছে, তার চিত্রও ফুটিয়ে তোলেন স্কালোনি, ‘এই বিশ্বকাপটি সবার জন্যই কঠিন প্রমাণিত হচ্ছে। এমন কোনো একক দল নেই যারা আলাদাভাবে আধিপত্য দেখাচ্ছে। সেদিনের কথাই ধরুন, শক্তিশালী ফ্রান্সকে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে লড়াই করতে হয়েছে, স্পেন লড়াই করেছে
১ ঘণ্টা আগে
শেষ বাঁশি বাজার পর স্পেনের ফুটবলাররা যখন জয়ের আনন্দে মেতে ওঠেন, তখন পর্তুগাল শিবিরে নেমে আসে হতাশা। রোনালদো ধীর পায়ে মাঠ ছেড়ে টানেলের দিকে হাঁটতে থাকেন। সম্প্রচারে টেলিভিশনের ক্যামেরাও অনুসরণ করে তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ। করিডর পেরিয়ে ড্রেসিংরুম পর্যন্ত সেই দৃশ্যই ছিল ম্যাচ-পরবর্তী সবচেয়ে আবেগঘন মু
২ ঘণ্টা আগে
ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
২ ঘণ্টা আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
৩ ঘণ্টা আগে