টানা ৩৪ ম্যাচে জয়। নারীদের সাম্প্রতিক টেনিসে অবিশ্বাস্যই বটে। যেখানে শ্রেষ্ঠত্বের মসনদ দুই দিনেই বদলে যায়, সেখানে এভাবে ছন্দ ধরে রেখে বাড়তি কৃতিত্ব দাবি করতেই পারেন ইগা সিয়াতেক। টেনিস দুনিয়ায় এই মুহূর্তে সবচেয়ে আলোচিত নাম। দাপট ধরে রেখে উঠেছেন ফ্রেঞ্চ ওপেনের ফাইনালেও। ফাইনালে মার্কিন টিনএজ তারকা কোকো গাফকে হারাতে পারলেই জিতে নেবেন নিজের দ্বিতীয় গ্র্যান্ড স্লাম শিরোপাও।
সেমিফাইনালে রাশিয়ান প্রতিপক্ষ দারিয়া কাসাতকিনাকে হারিয়ে সিয়াতেক ছুঁয়েছেন ২০১৩ সালে সেরেনা উইলিয়ামসের গড়া টানা ৩৪ ম্যাচ জয়ের রেকর্ড। ফাইনালে শিরোপা জিততে পারলে ছুঁয়ে ফেলবেন ২০০০ সালে সেরেনার বোন ভেনাসের গড়া টানা ৩৫ ম্যাচ জয়ের রেকর্ড। তবে সিয়াতেকের স্বপ্নের আকাশটা যে আরও উঁচুতে। জয়ের ধারাটা এখনই থামাতে চান না তিনি।
ফাইনালে সিয়াতেকের কাজটা অবশ্য সহজ হবে না। দারুণ নৈপুণ্য দেখিয়ে ফাইনালে উঠেছেন গাফ। বয়স ১৮ পেরোনোর আগেই টেনিসের ভবিষ্যৎ হিসেবে ভাবা হচ্ছে গাফকে। যেকোনো গ্র্যান্ড স্লামে তৃতীয় সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে ফাইনালে উঠেছেন গাফ। এই মার্কিন তারকাকে শুধু ফাইনালের জন্যই নয়, লম্বা সময়ের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখছেন সিয়াতেক। বিবিসির এক কলামে সিয়াতেক লিখেছেন, ‘ফাইনালের প্রতিপক্ষ কোকো গাফের খেলা দেখতে আমি পছন্দ করি। সম্ভবত সামনের বছরগুলো এই দ্বৈরথ (সিয়াতেক-গাফ দ্বৈরথ) বিশেষ কিছু হতে যাচ্ছে।’
সিয়াতেক আরও যোগ করে বলেন, ‘কোকো একজন দারুণ সম্ভাবনাময় খেলোয়াড়। আমি আশা করি, সে আরও উন্নতি করবে। আমার মনে হয়, এই টুর্নামেন্ট দেখিয়েছে সে সঠিক পথেই আছে।’
প্রতিপক্ষ সিয়াতেকের প্রশংসায় ভাসলেও ফাইনাল নিয়ে যথেষ্ট সতর্ক গাফ। অবিশ্বাস্য সিয়াতেককে থামাতে হলে যে নিজের সেরাটা উজাড় করে দিতে হবে তা জানা আছে গাফেরও।

সবশেষ কোয়ার্টার ফাইনাল হবে ১২ জুলাই বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় কানসাস সিটি স্টেডিয়ামে। বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ সুইজারল্যান্ড। মিসরের বিপক্ষে দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে ৩–২ ব্যবধানে জিতে শেষ আটে উঠেছে লিওনেল মেসির দল। গোলশূন্য ম্যাচের টাইব্রেকারে কলম্বিয়া
২ ঘণ্টা আগে
টাইব্রেকারে প্রথম শটেই গোল করেন কুইন্তেরো। সুইজারল্যান্ডের হয়ে জবাব দেন গ্রানিত জাকা। এরপর কলম্বিয়ার দাভিনসন সানচেসের শট ক্রসবারে লাগে, আর জেকি আমদুনি গোল করে সুইসদের এগিয়ে দেন। যদিও ম্যানুয়েল আকাঞ্জি নিজের শট বারের ওপর দিয়ে মারায় সমতায় ফেরার সুযোগ পায় কলম্বিয়া। কিন্তু কুচো হার্নান্দেসের শট
২ ঘণ্টা আগে
ম্যাচের শুরুটা অবশ্য মেসির জন্য সুখকর ছিল না। প্রথমার্ধে তাঁর নেওয়া পেনাল্টি ঠেকিয়ে দেন মিসরের গোলরক্ষক মোস্তফা শোবেইর। কিন্তু শেষ দিকে অধিনায়কের পা থেকেই আসে সমতাসূচক গোল। এরপর যোগ করা সময়ে এনসো ফের্নান্দেসের গোলে অবিশ্বাস্য এক প্রত্যাবর্তন লিখে ফেলে আর্জেন্টিনা।
৩ ঘণ্টা আগে
ম্যাচে ২–০ গোলে এগিয়ে থেকেও ১৩ মিনিটে তিন গোল হজম করে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয় মিসর। এরপর থেকেই রেফারিং নিয়ে একের পর এক অভিযোগ করে আসছেন হোসাম হাসান। মাঠের বাইরের এই ঘটনাও সেই বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
৪ ঘণ্টা আগে