
১৯ বছরের ব্যবধান তো আর কম কিছু নয়। নোভাক জোকোভিচ গতকাল লার্নার তিয়েনের সঙ্গে খেলেছেন, তখন এই বয়সের পার্থক্যটাই অনেকের চোখে পড়েছে। ইউএস ওপেনের প্রথম রাউন্ডে জোকোভিচ ম্যাচটি জিতেছেন হেসেখেলে। ম্যাচ জয়ের পরও ৩৮ বছর বয়সী টেনিস তারকার একটা ‘আফসোস’ রয়েই গেছে।
জোকোভিচ-তিয়েনের প্রথম রাউন্ডের ম্যাচটি গত রাতে হয়েছে আর্থার অ্যাশ স্টেডিয়ামে। সরাসরি সেটে জিতে জোকোভিচ উঠে গেছেন। প্রথম তিন সেটের তিনটিতে জিতলেও লড়াই তালিয়ে যান তিয়েন। প্রথম সেটে ৬-১ গেমে হেরে যাওয়া তিয়েন এরপর দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ান। দ্বিতীয় সেট ৬-৬ গেমে ড্র হওয়ায় টাইব্রেকারে এই ম্যাচের নিষ্পত্তি করতে হয়েছে।
তিয়েনকে হারানোর পর যে তাঁর (তিয়েন) বয়সেই ফিরে যাওয়ার আকুতি করেছেন জোকোভিচ। ম্যাচ শেষে সার্বিয়ান টেনিস তারকা বলেন, ‘এখন বয়সটা যদি লার্নার তিয়েনের মতো হতো। যখন কেউ ত্রিশের ঘরে পৌঁছান, তখন তাঁকে শক্তি ধরে রাখতে হয়। সেক্ষেত্রে অনেক কলাকৌশল অবলম্বন করতে হবে। এখনো আমার মধ্যে আছে তাড়না। আপনাদের কাছ থেকে পাই সমর্থন। এগিয়ে যেতে পারব বলে আশা করি।’
মার্কিন তরুণ টেনিস তারকা তিয়েনকে প্রথম সেটে ৬-১ গেমে হারিয়েছেন জোকোভিচ। টাইব্রেকারে সার্বিয়ান টেনিস তারকা দ্বিতীয় সেট জেতেন ৭-৩ গেমে। তৃতীয় সেট ৬-২ গেমে জিতে জোকোভিচের দ্বিতীয় রাউন্ডে ওঠা নিশ্চিত হয়ে যায়। তিয়েনকে হারিয়ে ২০০৬ অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের পর কখনোই প্রথম রাউন্ড থেকে বাদ না পড়ার কীর্তিটা জোকোভিচ ধরে রেখেছেন।
জোকোভিচের জয়ের রাতে ইউএস ওপেনের নারী এককে জয় পেয়েছেন আরিনা সাবালেঙ্কা ও এমা রাদুকানু। প্রথম রাউন্ডে সুইজারল্যান্ডের রেবেকা মাসারোভাকে ৭-৫, ৬-১ গেমে হারিয়েছেন সাবালেঙ্কা। দাপুটে জয় পেয়েছেন সাবেক ইউএস ওপেন চ্যাম্পিয়ন এমা রাদুকানুও। প্রথম রাউন্ডে এনা রাদুকানুর প্রতিপক্ষ ছিলেন এনা শিবাহারা। ৬-১, ৬-২ গেমে জিতেছেন রাদুকানু।
ক্যারিয়ারে এখন পর্যন্ত ২৪ বার গ্র্যান্ড স্লাম জিতেছেন জোকোভিচ। যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১০ বার জিতেছে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন। উইম্বলডন, ইউএস ওপেন ও ফ্রেঞ্চ ওপেনে সাত, তিন ও চারবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন। সবশেষ ইউএস ওপেন জিতেছেন ২০২৩ সালে। এবারের ইউএস ওপেনে দ্বিতীয় রাউন্ডে তাঁর প্রতিপক্ষ যুক্তরাষ্ট্রের জাকারি ভাজদা। বুধবার হবে দ্বিতীয় রাউন্ডের জোকোভিচ-ভাজদা ম্যাচ।

এবারের বিশ্বকাপ যে দলগুলোর জন্য কতটা কঠিন ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হচ্ছে, তার চিত্রও ফুটিয়ে তোলেন স্কালোনি, ‘এই বিশ্বকাপটি সবার জন্যই কঠিন প্রমাণিত হচ্ছে। এমন কোনো একক দল নেই যারা আলাদাভাবে আধিপত্য দেখাচ্ছে। সেদিনের কথাই ধরুন, শক্তিশালী ফ্রান্সকে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে লড়াই করতে হয়েছে, স্পেন লড়াই করেছে
১ ঘণ্টা আগে
শেষ বাঁশি বাজার পর স্পেনের ফুটবলাররা যখন জয়ের আনন্দে মেতে ওঠেন, তখন পর্তুগাল শিবিরে নেমে আসে হতাশা। রোনালদো ধীর পায়ে মাঠ ছেড়ে টানেলের দিকে হাঁটতে থাকেন। সম্প্রচারে টেলিভিশনের ক্যামেরাও অনুসরণ করে তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ। করিডর পেরিয়ে ড্রেসিংরুম পর্যন্ত সেই দৃশ্যই ছিল ম্যাচ-পরবর্তী সবচেয়ে আবেগঘন মু
২ ঘণ্টা আগে
ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
২ ঘণ্টা আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
৩ ঘণ্টা আগে