ক্যামেরুন নরিকে হারিয়ে উইম্বলডনের ফাইনালে উঠেছেন নোভাক জোকোভিচ। সেমিফাইনালের লড়াইয়ে ব্রিটিশ টেনিস তারকা নরিকে ২-৬,৬-৩, ৬-২ ও ৬-৪ গেমে হারিয়েছেন সার্বিয়ান মহাতারকা। এই জয়ে ক্যারিয়ারের ২১তম গ্র্যান্ড স্লাম থেকে আর মাত্র এক ধাপ দূরে আছেন জোকোভিচ। ফাইনালে জোকোভিচের প্রতিপক্ষ নিক কিরগিওস। চোটে পড়ে রাফায়েল নাদাল সরে যাওয়ায় সেমিফাইনাল না খেলেই ফাইনাল খেলবেন নরি।
সেন্টার কোর্টের সেমিফাইনালে প্রথম সেটে জোকোভিচকে ভালোই প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেন কিরগিওস। ৬-২ গেমে জিতে এগিয়েও যান তিনি। তবে পরের তিন সেটে জোকোভিচের সামনে আর পাত্তা পাননি নরি। বাকি তিন সেটের তিনটিতেই হেরেছেন তিনি।
এদিকে ফাইনালে নিশ্চিত করে দারণ এক মাইলফলক গড়েছেন জোকোভিচ। পুরুষ এককে সবচেয়ে বেশি গ্র্যান্ড স্লাম ফাইনাল খেলা খেলোয়াড় এখন জোকোভিচ। এ নিয়ে ৩২টি গ্র্যান্ড স্লামের ফাইনালে উঠলেন তিনি। এর আগে রজার ফেদেরারের সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষে ছিলেন জোকো। ফেদেরার ফাইনালে খেলেন ৩১ বার। আর নাদাল ফাইনাল খেলেছেন ৩০ বার।
ফাইনাল নিশ্চিত করে জোকোভিচ বলেন, ‘আমার শুরুটা ভালো হয়নি। প্রথম সেটে সে অপেক্ষাকৃত ভালো খেলোয়াড় ছিল। আমার ওপর নিজের এবং অন্যদের অনেক চাপ ছিল। ক্যামেরুনের (নরি) হারানোর তেমন কিছু ছিল না। আমি তাকে শুভকামনা জানাতে চাই। সে দারুণ একজন খেলোয়াড়। তাকে আমি সম্মান করি।’

দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই একের পর এক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের কোচ আলভারো আরবেলোয়া। ক্লাবকে সঠিক পথে ফেরানোর আশ্বাস দিলেও মাঠের ফল পক্ষে আসেনি। এ অবস্থায় দায়িত্ব নেওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই তাঁর ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
২৬ মিনিট আগে
বাংলাদেশ ফেডারেশন কাপের গ্রুপপর্ব এখন শেষ পর্যায়ে। বিশেষ করে ‘বি’ গ্রুপে আজকের দুটি ম্যাচে লুকিয়ে আছে সমীকরণের মারপ্যাঁচ। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস, মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব এবং বাংলাদেশ পুলিশ এফসির ভাগ্য নির্ভর করছে এতে। এমনকি সব ম্যাচ শেষ করা ফর্টিস এফসিও খাতার বাইরে নেই।
১ ঘণ্টা আগে
কোচ ও খেলোয়াড় হিসেবে নিজেকে অন্য এক মাত্রায় নিয়ে গেছেন গিওর্গি হ্যাজি। রোমানিয়ার পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন ক্লাবেরও কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। ‘কার্পেথিয়ান্সের ম্যারাডোনা’ নামে পরিচিত হ্যাজি ২৫ বছর পর আন্তর্জাতিক ফুটবলে কোচ হয়ে ফিরেছেন।
১ ঘণ্টা আগে
লিওনেল মেসির ক্যাবিনেটে কত ট্রফি রয়েছে, সেটা হয়তো তিনি নিজে কখনো গুণে শেষ করতে পারবেন না। ক্লাব ফুটবলের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ফুটবলেও অনেক শিরোপা তো তিনি জিতেছেনই। ব্যক্তিগত পুরস্কারও একেবারে কম পাননি। যে বার্সেলোনায় এত কীর্তি গড়েছেন তিনি, সেই বার্সাতেই এখন কাঁপাচ্ছেন লামিনে ইয়ামাল।
২ ঘণ্টা আগে