নাজিম আল শমষের, ঢাকা

গত বছরের শেষ দিনে জাতীয় জুনিয়র (অনূর্ধ্ব-২০) দাবা চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতেছিল ক্যান্ডিডেট মাস্টার সাকলাইন মোস্তফা সাজিদ। এক সপ্তাহ পার হওয়ার আগেই ১৩ বছর বয়সী সাকলাইন আবার খবরের শিরোনাম ওয়ালটন আন্তর্জাতিক রেটিং দাবার শিরোপা জেতে। ২০২৩ সালের শেষ ও ২০২৪ সালের শুরুতে বাংলাদেশের দাবা এখন পুরোটাই সাকলাইনময়।
শিরোপা দিয়ে সাকলাইনের মাহাত্ম্য বোঝানো কঠিন। আন্তর্জাতিক রেটিং দাবার টুর্নামেন্টে খেলেছেন বাংলাদেশের দুই গ্র্যান্ডমাস্টার জিয়াউর রহমান ও রিফাত বিন সাত্তার। ছিলেন একজন আন্তর্জাতিক মাস্টার, একাধিক ফিদে মাস্টার। সবাইকে পেছনে ফেলে একজন ক্যান্ডিডেট মাস্টার হিসেবে সাকলাইনের এই শিরোপাজয় চমকে দিয়েছে বাংলাদেশের দাবাকে। গতকাল টুর্নামেন্টের শেষ দিনে ৯ ম্যাচে সাড়ে ৭ পয়েন্টে শিরোপা জিতেছে সাকলাইন। সমান পয়েন্ট ছিল গ্র্যান্ডমাস্টার জিয়ারও। দুজনের সমান পয়েন্ট হওয়ায় খেলা গড়ায় টাইব্রেকে। সেখানে প্রথমবারের মতো গ্র্যান্ডমাস্টারকে বধ সাকলাইনের।
ছাত্রের এমন সাফল্য অবশ্য অবাক করছে না কোচ আবু সুফিয়ান শাকিলকে। আন্তর্জাতিক মাস্টার শাকিল বরং বুঁদ হয়ে আছেন শিষ্যের দুর্দমনীয় পারফরম্যান্সে। ২০২০ সালে বিশ্ব যখন করোনা মহামারিতে থমকে, তখনই সাকলাইনকে আবিষ্কার করেছিলেন তিনি। লকডাউন উঠে গেলে সেই বছরের অক্টোবরে পাবনা থেকে সাকলাইনকে ঢাকায় এনে দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেন। সাকলাইনের বাংলাদেশ পুলিশ দলের হয়ে খেলার সুযোগটাও এসেছে শাকিলের হাত ধরে। শিষ্যও গুরুকে হতাশ করেনি। অল্প সময়ে রেটিংয়ের বিশাল লাফে ক্যান্ডিডেট মাস্টার থেকে ফিদে মাস্টার হওয়ার খুব কাছে চলে এসেছে সাকলাইন। ঢাকায় যখন এসেছিল, নিজে নিজে খেলে তার রেটিং ছিল ১৩৬০। তিন বছরে রেটিং বেড়ে হয়েছে এখন ২২০০।
আন্তর্জাতিক মাস্টার শাকিল পেশাদার খেলা ছেড়ে এখন পুরোদস্তুর কোচ। নিজের গ্র্যান্ডমাস্টার হওয়ার স্বপ্ন বিসর্জন দিলেও ছাত্রকে দিয়ে সেই স্বপ্ন পূরণ করতে চান তিনি, ‘সাকলাইনের এখন সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন সমর্থন। বাংলাদেশ পুলিশ এখন যেভাবে ওকে সমর্থন দিচ্ছে, সেটা আর পাঁচ বছর ধরে রাখতে পারলে ওর গ্র্যান্ডমাস্টার হওয়া নিশ্চিত। ওর চিন্তাভাবনা বেশ পরিষ্কার, ভীষণ মেধাবী। আমার ছাত্র গ্র্যান্ডমাস্টার হতে পারলে সেটা আমার জন্য হবে গর্বের।’
সাকলাইনের শিরোপাজয়ের খবরে গতকাল ফেডারেশনে ছুটে আসেন বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি শোয়েব রিয়াজ আলম। এই দাবাড়ুর হাতে তুলে দেন একটি ল্যাপটপ ও ১৫ হাজার টাকা। শিরোপা জেতার পর এই প্রাপ্তিতে যেমন খুশি রাজারবাগ পুলিশ লাইনস স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র সাকলাইন, এর চেয়ে বেশি খুশি কোচের মুখে প্রশংসা শুনে, ‘বিশ্বাস হচ্ছিল না, এত বড় একটা টুর্নামেন্ট জিতেছি। কোচ আমাকে নিয়ে বড় স্বপ্ন দেখেছেন, তাতে আমি খুশি। আমি চাই মনের আনন্দ নিয়ে খেলতে। চাপ ছাড়া খেলে কোচের স্বপ্ন পূরণ করতে পারলে খুশি হব।’

গত বছরের শেষ দিনে জাতীয় জুনিয়র (অনূর্ধ্ব-২০) দাবা চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতেছিল ক্যান্ডিডেট মাস্টার সাকলাইন মোস্তফা সাজিদ। এক সপ্তাহ পার হওয়ার আগেই ১৩ বছর বয়সী সাকলাইন আবার খবরের শিরোনাম ওয়ালটন আন্তর্জাতিক রেটিং দাবার শিরোপা জেতে। ২০২৩ সালের শেষ ও ২০২৪ সালের শুরুতে বাংলাদেশের দাবা এখন পুরোটাই সাকলাইনময়।
শিরোপা দিয়ে সাকলাইনের মাহাত্ম্য বোঝানো কঠিন। আন্তর্জাতিক রেটিং দাবার টুর্নামেন্টে খেলেছেন বাংলাদেশের দুই গ্র্যান্ডমাস্টার জিয়াউর রহমান ও রিফাত বিন সাত্তার। ছিলেন একজন আন্তর্জাতিক মাস্টার, একাধিক ফিদে মাস্টার। সবাইকে পেছনে ফেলে একজন ক্যান্ডিডেট মাস্টার হিসেবে সাকলাইনের এই শিরোপাজয় চমকে দিয়েছে বাংলাদেশের দাবাকে। গতকাল টুর্নামেন্টের শেষ দিনে ৯ ম্যাচে সাড়ে ৭ পয়েন্টে শিরোপা জিতেছে সাকলাইন। সমান পয়েন্ট ছিল গ্র্যান্ডমাস্টার জিয়ারও। দুজনের সমান পয়েন্ট হওয়ায় খেলা গড়ায় টাইব্রেকে। সেখানে প্রথমবারের মতো গ্র্যান্ডমাস্টারকে বধ সাকলাইনের।
ছাত্রের এমন সাফল্য অবশ্য অবাক করছে না কোচ আবু সুফিয়ান শাকিলকে। আন্তর্জাতিক মাস্টার শাকিল বরং বুঁদ হয়ে আছেন শিষ্যের দুর্দমনীয় পারফরম্যান্সে। ২০২০ সালে বিশ্ব যখন করোনা মহামারিতে থমকে, তখনই সাকলাইনকে আবিষ্কার করেছিলেন তিনি। লকডাউন উঠে গেলে সেই বছরের অক্টোবরে পাবনা থেকে সাকলাইনকে ঢাকায় এনে দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেন। সাকলাইনের বাংলাদেশ পুলিশ দলের হয়ে খেলার সুযোগটাও এসেছে শাকিলের হাত ধরে। শিষ্যও গুরুকে হতাশ করেনি। অল্প সময়ে রেটিংয়ের বিশাল লাফে ক্যান্ডিডেট মাস্টার থেকে ফিদে মাস্টার হওয়ার খুব কাছে চলে এসেছে সাকলাইন। ঢাকায় যখন এসেছিল, নিজে নিজে খেলে তার রেটিং ছিল ১৩৬০। তিন বছরে রেটিং বেড়ে হয়েছে এখন ২২০০।
আন্তর্জাতিক মাস্টার শাকিল পেশাদার খেলা ছেড়ে এখন পুরোদস্তুর কোচ। নিজের গ্র্যান্ডমাস্টার হওয়ার স্বপ্ন বিসর্জন দিলেও ছাত্রকে দিয়ে সেই স্বপ্ন পূরণ করতে চান তিনি, ‘সাকলাইনের এখন সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন সমর্থন। বাংলাদেশ পুলিশ এখন যেভাবে ওকে সমর্থন দিচ্ছে, সেটা আর পাঁচ বছর ধরে রাখতে পারলে ওর গ্র্যান্ডমাস্টার হওয়া নিশ্চিত। ওর চিন্তাভাবনা বেশ পরিষ্কার, ভীষণ মেধাবী। আমার ছাত্র গ্র্যান্ডমাস্টার হতে পারলে সেটা আমার জন্য হবে গর্বের।’
সাকলাইনের শিরোপাজয়ের খবরে গতকাল ফেডারেশনে ছুটে আসেন বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি শোয়েব রিয়াজ আলম। এই দাবাড়ুর হাতে তুলে দেন একটি ল্যাপটপ ও ১৫ হাজার টাকা। শিরোপা জেতার পর এই প্রাপ্তিতে যেমন খুশি রাজারবাগ পুলিশ লাইনস স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র সাকলাইন, এর চেয়ে বেশি খুশি কোচের মুখে প্রশংসা শুনে, ‘বিশ্বাস হচ্ছিল না, এত বড় একটা টুর্নামেন্ট জিতেছি। কোচ আমাকে নিয়ে বড় স্বপ্ন দেখেছেন, তাতে আমি খুশি। আমি চাই মনের আনন্দ নিয়ে খেলতে। চাপ ছাড়া খেলে কোচের স্বপ্ন পূরণ করতে পারলে খুশি হব।’

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে কোর্টনি ওয়ালশকে নিয়োগ দিয়েছে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট বোর্ড (জেডসি)। ছোট সংস্করণের বিশ্বকাপ সামনে রেখে আফ্রিকান দলটির বোলিং পরামর্শক হিসেবে কাজ করবেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি পেসার। বাংলাদেশের সাবেক পেস বোলিং কোচকে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্
৩ মিনিট আগে
শেষের পথে ২০২৬ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল)। ২৬টি ম্যাচ মাঠে গড়ালেও এখনো ২০০ রানের দেখা মেলেনি। এই বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছিল সিলেট টাইটানসের ব্যাটার পারভেজ হোসেন ইমনের কাছে। তাঁর মতে, উইকেট ভালো না হওয়ার কারণেই কোনো দল এখন পর্যন্ত ২০০ রান করতে পারেনি।
৩৭ মিনিট আগে
ক্রিকেট বিশ্বে আফগানিস্তানের আজকের এই অবস্থানের পেছনে যে কয়েকজনের অবদান আছে তাঁদের মধ্যে শাপুর জাদরান অন্যতম। জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে আছেন সাবেক এই বাঁ হাতি পেসার। অসুস্থতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন তিনি। পরিবার এবং আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (এসিবি) পক্ষ থেকে জাদরানের অসুস্থতার বিষয়টি নিশ্চিত কর
১ ঘণ্টা আগে
ক্রিকেটের হালহকিকত যাঁরা জানেন, তাঁদের কাছে বৈভব সূর্যবংশী নামটাও অজানা নয়। তাঁর বয়স সবে ১৪; মুখাবয়বে এখনো শৈশবের ছোঁয়া। কিন্তু এই বয়সেই ক্রিকেটের এই বিস্ময় বালক ব্যাট হাতে আগুনের হলকা তুলছেন। যুব ক্রিকেট তো বটেই, তাঁর ব্যাটিং দক্ষতা আইপিএলের কল্যাণেও ক্রিকেটপ্রেমীদের জানা। সেই সূর্যবংশীদের বিপক্ষে
২ ঘণ্টা আগে