গোল, পাল্টা গোল, দুই গোলে পিছিয়ে থেকেও ম্যাচে ফেরা, অফসাইডে বাতিল হওয়ার পর গোল হওয়া-একের পর এক নাটক হয়েছে সার্বিয়া-ক্যামেরুন ম্যাচে। সব ছাপিয়ে ম্যাচটা ভরপুর বিনোদন উপহার দিয়েছে মাঠে খেলা দেখতে আসা দর্শকদের। ৬ গোলের রোমাঞ্চে কেউ কাউকে হারাতে পারেনি দুই দল।
যার যার প্রথম ম্যাচে হার দেখেছিল সার্বিয়া ও ক্যামেরুন। ব্রাজিলের কাছে ২-০ গোলে হেরেছিল সার্বরা। ক্যামেরুন সুইজারল্যান্ডের কাছে হেরেছিল ১-০ গোলে। বিশ্বকাপে নিজেদের সম্ভাবনা বাঁচিয়ে রাখতে হলে আল জানুব স্টেডিয়ামে জয়টা বড় দরকার ছিল দুই দলেরই। হার না মানা লড়াই উপহার দিয়ে ৩-৩ গোলে ড্র হয়েছে সার্বিয়া-ক্যামেরুন ম্যাচ। ড্র হলেও পরের রাউন্ডে যাওয়ার সুযোগ আছে দুই দলের সামনেই। তবে শেষ ম্যাচটা জিততেই হবে তাদের।
রোমাঞ্চে ভরা ম্যাচ, শুরুতেই হয়েছে একদফা নাটক। ম্যাচের আগে শৃঙ্খলাজনিত কারণে নিয়মিত গোলরক্ষক আন্দ্রে ওনানাকে দলের বাইরে রাখেন ক্যামেরুন কোচ রিগোবার্ট সং। ক্যামেরুন খেলেছে তাদের দ্বিতীয় গোলরক্ষক ডেভিস এপাসিকে নিয়ে।
নিয়মিত গোলরক্ষক না থাকায় শুরু থেকেই সার্বদের আক্রমণের মুখে পড়ে ক্যামেরুন। ১০ মিনিটে বক্সের ভেতর আলেক্সান্ডার মিত্রোভিচের শট ফেরে পোস্টে লেগে। ১৭ মিনিটে এই মিত্রোভিচই করেছেন গোলের দারুণ সুযোগ নষ্ট। একবারে পোস্টের মুখে বল পেয়ে শট নিয়েছেন পোস্টের বাইরে।
ক্যামেরুন তাদের প্রথম সুযোগ নষ্ট করে ১৯ মিনিটে। ডান প্রান্ত থেকে ব্রায়ান এমবেউমোর শট ফেরান সার্ব গোলরক্ষক মিলিনকোভিচ-সাভিচ।
সার্বিয়া যখন গোলের সুযোগ নষ্টে ব্যস্ত তখন ২৯ মিনিটে ক্যামেরুনকে এগিয়ে দেন চার্লস কাস্তেলেত্তো। কর্নার থেকে উড়ে আসা বলে একেবারেই অরক্ষিত ছিলেন এই ডিফেন্ডার। সতীর্থরা হেড নিতে না পারলেও প্রথম সুযোগেই ভলিতে বল জালে জড়ান তিনি। ২০১৪ বিশ্বকাপের পর ম্যাচে এই প্রথম গোল পেল ক্যামেরুন।
গোল দিয়েই যেন সার্বিয়ান খেলোয়াড়দের তাঁতিয়ে দেয় ক্যামেরুন। দুই মিনিটের ঝড়ে দুই গোল তুলে নেয় সার্বরা। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে প্রথম গোল তাদের। দুসান তাদিচের ফ্রি–কিক থেকে হেডে স্ত্রাহিনিয়া পাভলোভিচ হার মানান ডেভিস এপাসিকে। দুই মিনিট পরই ব্যবধান বড় করেন সের্গেই মিলিনকোভিচ-সাভিচ। ক্যামেরুনের রক্ষণের ফাঁক খুঁজে নিয়ে বক্সের বাইরে শট নেন সাভিচ। নিখুঁত মাপের সেই শট ফেরাতে পারেননি এপাসি।
দ্বিতীয়ার্ধে আবারও গোল সার্বিয়ার। এবার ক্যামেরুন রক্ষণকে একপ্রকার তাচ্ছিল্য করেই গোল তুলে নেন আলেক্সান্ডার মিত্রোভিচ। ক্যামেরুন ডিফেন্ডারদের দর্শক বানিয়ে ৫৩ মিনিটে নিজেদের মধ্যে বল দেওয়া-নেওয়া করে জায়গা বের করে নেন সার্ব ফরোয়ার্ডরা। গোলপোস্টে এমনভাবে দাঁড়িয়ে ছিলেন মিত্রোভিচ যে তাঁকে খেয়ালই করেননি ক্যামেরুনের দুই ডিফেন্ডার। আন্দ্রিয়া জিভকোভিচের পাস খুঁজে নেয় মিত্রোভিচকে। ধীরেসুস্থে বল জালে জড়ান ফুলহ্যাম তারকা।
সার্বিয়ানদের মতো দুই মিনিটের ঝড়ে ম্যাচে সমতায় ফেরে ক্যামেরুন। মাঝমাঠ থেকে চার্লস কাস্তেলেত্তোর বাড়ানো বলে ৬৪ মিনিটে বল জালে জড়ান ভিনসেন্ট আবুবকর। সামনে এগিয়ে এসেছিলেন সার্ব গোলরক্ষক মিলিনকোভিচ-সাভিচ। তাঁর মাথার ওপর দিয়ে লবে গোল করেন আবুবকর। গোল করার পর অফসাইড ভেবে নিজেই উদ্যাপন করা থামিয়ে দেন তিনি। রেফারিও দিয়েছিলেন অফসাইডের সিদ্ধান্ত। পরে ভিএআরে আবুবকরের অবস্থান নিয়ে ধোঁয়াশা থাকলেও গোলের সিদ্ধান্ত দেন রেফারি। অফসাইডের পর গোল হওয়ার ঘটনা এবারই প্রথম।
দুই মিনিট পরই সার্ব শিবিরকে চমকে দেয় ক্যামেরুন। গোলদাতা আবুবকর এবার সহযোগীর ভূমিকায়। এবারও মাঝ মাঠ থেকে বল পেয়েছিলেন আবুবকর। তাঁর পাসেই বক্সের সামনে বল পান ম্যাক্সিম চুপো-মোতিং। হার মানান মিলিনকোভিচ-সাভিচকে। সার্বিয়ানরা আবেদন জানিয়েছিল অফসাইডের। তবে এবারও প্রযুক্তির সুবিধা পেয়েছে ক্যামেরুন।
৮৯ মিনিটে আবারও ভালো সুযোগ পেয়েছিলেন মিত্রোভিচ। বক্সের ভেতর বল পেয়েও শট নিয়েছেন সার্ব স্ট্রাইকার। ম্যাচে মিত্রোভিচের একাধিক সুযোগ নষ্ট করাটাই শেষ পর্যন্ত গড়ে দিয়েছে পার্থক্য।

চরম বাজে সময় পার করছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। ৫ ম্যাচ খেলে ফেললেও এবারের ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) এখনো জয়ের মুখ দেখা হয়নি আজিঙ্কা রাহানের দলের। একের পর এক হারে কলকাতা যখন বিপর্যস্ত, তখন দলটির ভুল ধরিয়ে দিলেন ভারতের সাবেক ক্রিকেটার বীরেন্দর শেবাগ
৬ ঘণ্টা আগে
পিএসজির বিপক্ষে চোট পেয়ে যখন মাঠ ছাড়ছিলেন, তখনই বোঝা যাচ্ছিল বাজে কিছু অপেক্ষা করছে হুগো একিতিকের জন্য। শেষ পর্যন্ত হলো তা-ই। চোটের কারণে এবারের বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছেন লিভারপুলের এই ফরাসি ফরোয়ার্ড।
৮ ঘণ্টা আগে
লম্বা সময় ধরে জাতীয় দলের বাইরে আছেন রুবেল হোসেন। এবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বললেন এই পেসার। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বার্তায় রুবেল নিজেই অবসরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বললেও ঘরোয়া ক্রিকেট চালিয়ে যেতে চান তিনি।
৯ ঘণ্টা আগে
অনিয়মের অভিযোগে গত ৭ এপ্রিল আমিনুল ইসলাম বুলবুলের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেয় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। অ্যাডহক কমিটির প্রধান হিসেবে আপাতত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতির পদে আছেন তামিম ইকবাল। তবে কোচিং প্রোগ্রামের কারণে ঘুরেফিরে আবারও সামনে এল বুলবুলের নাম।
৯ ঘণ্টা আগে