
ফুটবলে স্টেডিয়াম বরাবরই দর্শকদের আগ্রহের বিষয়। কোন মাঠে খেলা হচ্ছে, সেখানে দর্শক উপস্থিতি কেমন হতে পারে, সুযোগ-সুবিধা কেমন, সেসব জানতে সাধারণ দর্শক সব সময় উৎসুক হয়ে থাকে। এমনকি স্টেডিয়ামের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি নিয়েও দর্শকের আগ্রহ থাকে তুঙ্গে। তবে স্টেডিয়াম নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহ সবচেয়ে বেশি দেখা যায় বড় আয়োজনগুলোকে কেন্দ্র করে। যেমন ফুটবল বিশ্বকাপ। বিশ্বকাপের সময় যতই কাছে আসতে থাকে, তারকা ও খেলার পাশাপাশি স্টেডিয়ামগুলো ঘিরেও চলে নানা আলাপ-আলোচনা।
কাতার বিশ্বকাপেও সবার চোখ থাকবে স্টেডিয়ামগুলোর দিকে। সেগুলোর রঙিন আলোর নিচেই ভাগ্য নির্ধারিত হবে দলগুলোর। সেখানে কেউ উচ্ছ্বাসে ভাসবে, অন্য কেউ পুড়বে হতাশায়। বিশ্বকাপে সব মিলিয়ে আটটি স্টেডিয়ামে খেলা হবে। এসব স্টেডিয়ামের বেশির ভাগই বিশ্বকাপ সামনে রেখে নতুনভাবে নির্মাণ বা পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে। যেসব স্টেডিয়ামে শিরোপার জন্য দলগুলোর লড়বে, সেসব মাঠ সম্পর্কে একনজরে জেনে নেওয়া যাক।
খলিফা ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়াম
কাতারের সবচেয়ে আইকনিক স্টেডিয়ামগুলোর একটি হচ্ছে খলিফা ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়াম। দোহায় এই স্টেডিয়াম প্রথম চালু করা হয় ১৯৭৬ সালে। বিশ্বকাপ সামনে রেখে ২০১৭ সাল থেকে এই স্টেডিয়ামের সংস্কারকাজ শুরু করা হয়। কাতারের ঐতিহ্যবাহী এই স্টেডিয়ামের ধারণক্ষমতা ৪৫ হাজার ৪১৬। এর মধ্যে এশিয়ান গেমস দ্য গলফ কাপ এবং এএফসি এশিয়া কাপের মতো বড় টুর্নামেন্ট আয়োজন করেছে এই মাঠ। এখন অপেক্ষা কেবল বিশ্বকাপের বাঁশি বাজার।
আল-জানোব স্টেডিয়াম
বিশ্বকাপ সামনে রেখেই কাতারের আল-ওাকারাহ অঞ্চলে বানানো হয়েছে আল জানোব স্টেডিয়াম। ২০১৯ সালে আমির কাপ ফাইনাল দিয়ে যাত্রা শুরু করেছে এই স্টেডিয়াম। সেই ম্যাচে আল-সাদকে ৪-১ গোলে হারিয়ে শিরোপা জেতে আল-দুহাইল ক্লাব। এই স্টেডিয়ামের ধারণক্ষমতা ৪০ হাজার। স্টেডিয়ামটি ডিজাইন করেছেন ব্রিটিশ-ইরাকি স্থপতি জাহা হাদিদ। স্থানীয় বিশেষ একটি বোটের আদলে নির্মাণ করা হয়েছে এই স্টেডিয়াম।
এডুকেশন সিটি স্টেডিয়াম
কাতার ফাউন্ডেশনের এডুকেশন সিটি স্টেডিয়ামের অবস্থান আল-রাইয়ানে। ৪০ হাজার আসনবিশিষ্ট এই স্টেডিয়ামের উদ্বোধন করা হয় ডিজিটাল অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। এই স্টেডিয়ামে ২০ শতাংশ সবুজ কাঁচামাল ব্যবহার করা হয়েছে। এটি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি পরিবেশবান্ধব স্টেডিয়ামগুলোর একটি। ২০০৩ সালে এই স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হলেও বিশ্বকাপ সামনে রেখে ফের সংস্কার করা হয়েছে স্টেডিয়ামটি।
আল-থুমামা স্টেডিয়াম
গত বছর আমির কাপ ফাইনাল দিয়ে যাত্রা শুরু করেছে আল থুমামা স্টেডিয়াম। কাতারি স্থপতি ইব্রাহিম এম জাইদাহ এই স্টেডিয়ামের নকশা করেছেন। আরব দেশে টুপি পরা লোকের মাথার মতো করে বানানো হয়েছে স্টেডিয়ামটি। বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচগুলো হবে এই স্টেডিয়ামে।
স্টেডিয়াম ৯৭৪
২০২১ সালের ২০ নভেম্বর বিশেষ এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উদ্বোধন করা হয় স্টেডিয়াম ৯৭৪-এর। শিপিং কনটেইনার দিয়ে স্টেডিয়ামটি তৈরি করা হয়েছে। ২০২১ সালের ৩০ নভেম্বর ফিফা আরব কাপের শুরুর দিনে এই মাঠে প্রথম ম্যাচ খেলা হয়। স্টেডিয়ামে প্রাকৃতিকভাবে ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যেখানে কোনো কুলিং টেকেরও প্রয়োজন নেই। বিশ্বকাপের পর এটি ভেঙে ফেলা হবে। বিশ্বকাপে নকআউট পর্বের ম্যাচসহ এখানে সব মিলিয়ে খেলা হবে সাতটি।
লুসাইল স্টেডিয়াম
কাতার বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি চোখ থাকবে লুসাইল আইকনিক স্টেডিয়ামের দিকে। কাতারের লুসাইল এলাকায় অবস্থিত এই স্টেডিয়ামে হবে বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ। এটি কাতারের সবচেয়ে বড় স্টেডিয়ামও বটে। স্টেডিয়ামের ধারণক্ষমতা প্রায় ৮০ হাজার। দোহা থেকে ২৩ কিলোমিটার দূরে এই স্টেডিয়ামের অবস্থান। ফাইনাল ও সেমিফাইনালসহ এই মাঠে ম্যাচ হবে ১০টি। গ্রুপ পর্বে আলাদা ম্যাচে এই মাঠে খেলতে নামবে ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা ও পর্তুগালের মতো ফেবারিটরা। ২২ নভেম্বর ২০২১ সালে মাঠটি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে।
আল-বায়াত স্টেডিয়াম
লুসাইল স্টেডিয়ামের পর সবচেয়ে বেশি চোখ থাকবে আল-বায়াত স্টেডিয়ামের দিকে। আরব কাপে বাহরাইন-কাতার ম্যাচ দিয়ে যাত্রা শুরু করে এই স্টেডিয়াম। এই মাঠের ধারণক্ষমতা ৬০ হাজার। এটি কাতারের বড় মাঠগুলোর একটি। বিশ্বকাপের ৯টি ম্যাচ হবে মাঠটিতে। একটি সেমিফাইনাল, একটি কোয়ার্টার ফাইনাল, একটি দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচসহ মোট ৯টি খেলা হবে এই মাঠে।
আহমেদ বিন আলী স্টেডিয়াম
আহমেদ বিন আলী স্টেডিয়াম, যেটি ‘আল-রাইয়ান স্টেডিয়াম’ নামেও অনেক বেশি পরিচিত। আল-রাইয়ান ও আল-খারিথিয়াত ক্লাব এই স্টেডিয়ামকে নিজেদের হোম ভেন্যু হিসেবে ব্যবহার করে থাকে। এই মাঠ প্রথম তৈরি করা হয় ২০০৩ সালে। তখন স্টেডিয়ামের ধারণক্ষমতা ছিল ২১ হাজারের মতো। তবে নতুন করে সংস্কার করার পর এই মাঠের ধারণক্ষমতা দাঁড়ায় ৫০ হাজার। বিশ্বকাপে এই মাঠে হবে সাতটি ম্যাচ।
পরিশেষে
স্টেডিয়ামের পরিচিতি পর্ব শেষ। এখন অপেক্ষা বাঁশি বাজার। বিশ্বকাপে প্রায় এক মাস ধরে এই স্টেডিয়ামগুলোর ওপরই চোখ রাখবেন ফুটবলপ্রেমীরা। এখানেই রচিত হবে আনন্দ ও বেদনায় ভাসার উপাখ্যানও।
কাতার বিশ্বকাপ সম্পর্কিত আরও পড়ুন:

ফুটবলে স্টেডিয়াম বরাবরই দর্শকদের আগ্রহের বিষয়। কোন মাঠে খেলা হচ্ছে, সেখানে দর্শক উপস্থিতি কেমন হতে পারে, সুযোগ-সুবিধা কেমন, সেসব জানতে সাধারণ দর্শক সব সময় উৎসুক হয়ে থাকে। এমনকি স্টেডিয়ামের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি নিয়েও দর্শকের আগ্রহ থাকে তুঙ্গে। তবে স্টেডিয়াম নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহ সবচেয়ে বেশি দেখা যায় বড় আয়োজনগুলোকে কেন্দ্র করে। যেমন ফুটবল বিশ্বকাপ। বিশ্বকাপের সময় যতই কাছে আসতে থাকে, তারকা ও খেলার পাশাপাশি স্টেডিয়ামগুলো ঘিরেও চলে নানা আলাপ-আলোচনা।
কাতার বিশ্বকাপেও সবার চোখ থাকবে স্টেডিয়ামগুলোর দিকে। সেগুলোর রঙিন আলোর নিচেই ভাগ্য নির্ধারিত হবে দলগুলোর। সেখানে কেউ উচ্ছ্বাসে ভাসবে, অন্য কেউ পুড়বে হতাশায়। বিশ্বকাপে সব মিলিয়ে আটটি স্টেডিয়ামে খেলা হবে। এসব স্টেডিয়ামের বেশির ভাগই বিশ্বকাপ সামনে রেখে নতুনভাবে নির্মাণ বা পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে। যেসব স্টেডিয়ামে শিরোপার জন্য দলগুলোর লড়বে, সেসব মাঠ সম্পর্কে একনজরে জেনে নেওয়া যাক।
খলিফা ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়াম
কাতারের সবচেয়ে আইকনিক স্টেডিয়ামগুলোর একটি হচ্ছে খলিফা ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়াম। দোহায় এই স্টেডিয়াম প্রথম চালু করা হয় ১৯৭৬ সালে। বিশ্বকাপ সামনে রেখে ২০১৭ সাল থেকে এই স্টেডিয়ামের সংস্কারকাজ শুরু করা হয়। কাতারের ঐতিহ্যবাহী এই স্টেডিয়ামের ধারণক্ষমতা ৪৫ হাজার ৪১৬। এর মধ্যে এশিয়ান গেমস দ্য গলফ কাপ এবং এএফসি এশিয়া কাপের মতো বড় টুর্নামেন্ট আয়োজন করেছে এই মাঠ। এখন অপেক্ষা কেবল বিশ্বকাপের বাঁশি বাজার।
আল-জানোব স্টেডিয়াম
বিশ্বকাপ সামনে রেখেই কাতারের আল-ওাকারাহ অঞ্চলে বানানো হয়েছে আল জানোব স্টেডিয়াম। ২০১৯ সালে আমির কাপ ফাইনাল দিয়ে যাত্রা শুরু করেছে এই স্টেডিয়াম। সেই ম্যাচে আল-সাদকে ৪-১ গোলে হারিয়ে শিরোপা জেতে আল-দুহাইল ক্লাব। এই স্টেডিয়ামের ধারণক্ষমতা ৪০ হাজার। স্টেডিয়ামটি ডিজাইন করেছেন ব্রিটিশ-ইরাকি স্থপতি জাহা হাদিদ। স্থানীয় বিশেষ একটি বোটের আদলে নির্মাণ করা হয়েছে এই স্টেডিয়াম।
এডুকেশন সিটি স্টেডিয়াম
কাতার ফাউন্ডেশনের এডুকেশন সিটি স্টেডিয়ামের অবস্থান আল-রাইয়ানে। ৪০ হাজার আসনবিশিষ্ট এই স্টেডিয়ামের উদ্বোধন করা হয় ডিজিটাল অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। এই স্টেডিয়ামে ২০ শতাংশ সবুজ কাঁচামাল ব্যবহার করা হয়েছে। এটি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি পরিবেশবান্ধব স্টেডিয়ামগুলোর একটি। ২০০৩ সালে এই স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হলেও বিশ্বকাপ সামনে রেখে ফের সংস্কার করা হয়েছে স্টেডিয়ামটি।
আল-থুমামা স্টেডিয়াম
গত বছর আমির কাপ ফাইনাল দিয়ে যাত্রা শুরু করেছে আল থুমামা স্টেডিয়াম। কাতারি স্থপতি ইব্রাহিম এম জাইদাহ এই স্টেডিয়ামের নকশা করেছেন। আরব দেশে টুপি পরা লোকের মাথার মতো করে বানানো হয়েছে স্টেডিয়ামটি। বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচগুলো হবে এই স্টেডিয়ামে।
স্টেডিয়াম ৯৭৪
২০২১ সালের ২০ নভেম্বর বিশেষ এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উদ্বোধন করা হয় স্টেডিয়াম ৯৭৪-এর। শিপিং কনটেইনার দিয়ে স্টেডিয়ামটি তৈরি করা হয়েছে। ২০২১ সালের ৩০ নভেম্বর ফিফা আরব কাপের শুরুর দিনে এই মাঠে প্রথম ম্যাচ খেলা হয়। স্টেডিয়ামে প্রাকৃতিকভাবে ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যেখানে কোনো কুলিং টেকেরও প্রয়োজন নেই। বিশ্বকাপের পর এটি ভেঙে ফেলা হবে। বিশ্বকাপে নকআউট পর্বের ম্যাচসহ এখানে সব মিলিয়ে খেলা হবে সাতটি।
লুসাইল স্টেডিয়াম
কাতার বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি চোখ থাকবে লুসাইল আইকনিক স্টেডিয়ামের দিকে। কাতারের লুসাইল এলাকায় অবস্থিত এই স্টেডিয়ামে হবে বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ। এটি কাতারের সবচেয়ে বড় স্টেডিয়ামও বটে। স্টেডিয়ামের ধারণক্ষমতা প্রায় ৮০ হাজার। দোহা থেকে ২৩ কিলোমিটার দূরে এই স্টেডিয়ামের অবস্থান। ফাইনাল ও সেমিফাইনালসহ এই মাঠে ম্যাচ হবে ১০টি। গ্রুপ পর্বে আলাদা ম্যাচে এই মাঠে খেলতে নামবে ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা ও পর্তুগালের মতো ফেবারিটরা। ২২ নভেম্বর ২০২১ সালে মাঠটি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে।
আল-বায়াত স্টেডিয়াম
লুসাইল স্টেডিয়ামের পর সবচেয়ে বেশি চোখ থাকবে আল-বায়াত স্টেডিয়ামের দিকে। আরব কাপে বাহরাইন-কাতার ম্যাচ দিয়ে যাত্রা শুরু করে এই স্টেডিয়াম। এই মাঠের ধারণক্ষমতা ৬০ হাজার। এটি কাতারের বড় মাঠগুলোর একটি। বিশ্বকাপের ৯টি ম্যাচ হবে মাঠটিতে। একটি সেমিফাইনাল, একটি কোয়ার্টার ফাইনাল, একটি দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচসহ মোট ৯টি খেলা হবে এই মাঠে।
আহমেদ বিন আলী স্টেডিয়াম
আহমেদ বিন আলী স্টেডিয়াম, যেটি ‘আল-রাইয়ান স্টেডিয়াম’ নামেও অনেক বেশি পরিচিত। আল-রাইয়ান ও আল-খারিথিয়াত ক্লাব এই স্টেডিয়ামকে নিজেদের হোম ভেন্যু হিসেবে ব্যবহার করে থাকে। এই মাঠ প্রথম তৈরি করা হয় ২০০৩ সালে। তখন স্টেডিয়ামের ধারণক্ষমতা ছিল ২১ হাজারের মতো। তবে নতুন করে সংস্কার করার পর এই মাঠের ধারণক্ষমতা দাঁড়ায় ৫০ হাজার। বিশ্বকাপে এই মাঠে হবে সাতটি ম্যাচ।
পরিশেষে
স্টেডিয়ামের পরিচিতি পর্ব শেষ। এখন অপেক্ষা বাঁশি বাজার। বিশ্বকাপে প্রায় এক মাস ধরে এই স্টেডিয়ামগুলোর ওপরই চোখ রাখবেন ফুটবলপ্রেমীরা। এখানেই রচিত হবে আনন্দ ও বেদনায় ভাসার উপাখ্যানও।
কাতার বিশ্বকাপ সম্পর্কিত আরও পড়ুন:

দারুণ ছুটছিলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। একের পর এক গোল করে রেকর্ড গড়ে যাচ্ছিলেন ফরাসি ফরোয়ার্ড। তাঁর এই সুসময়ে বাদ সাধল হাঁটুর চোট। এমবাপ্পের চোটে বড় দুশিন্তায় পড়ল রিয়াল মাদ্রিদ।
১ ঘণ্টা আগে
দশম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে বাকি কেবল এক মাস। আইসিসির এই ইভেন্ট সামনে রেখে দলগুলো প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। কেউ চূড়ান্ত দল, কেউবা আবার প্রাথমিক দল ঘোষণা করেছে। একঝাঁক স্পিনার নিয়ে বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করল অস্ট্রেলিয়া।
২ ঘণ্টা আগে
নতুন বছরে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ব্যস্ততা শুরু হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দিয়ে। ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত ভারত-শ্রীলঙ্কায় হবে দশম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। আইসিসির ইভেন্ট শেষে বাংলাদেশ সফর করবে পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া। এরপর জুলাই থেকে আগস্ট জিম্বাবুয়ে, অস্ট্রেলিয়া ও আয়ারল্য
২ ঘণ্টা আগে
নতুন বছরের প্রথম দিনই মাঠে নামছে রিশাদ হোসেনের দল হোবার্ট হারিকেনস। বাংলাদেশ সময় বেলা ২টা ১৫ মিনিটে হোবার্টের বেলেরিভ ওভালে শুরু হবে হোবার্ট হারিকেনস-পার্থ স্কর্চার্স ম্যাচ। এখন মেলবোর্নের ডকল্যান্ডস স্টেডিয়ামে চলছে বিগ ব্যাশের মেলবোর্ন রেনেগেডস-সিডনি সিক্সার্স ম্যাচ।
৩ ঘণ্টা আগে