ফেডারেশন কাপ

মাসের পর মাস ধরে পারিশ্রমিক পাচ্ছেন না ফুটবলাররা। তাই ফেডারেশন কাপে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব মাঠে নামবে কি না তা নিয়ে ছিল সংশয়। সমর্থকদের কথা মাথায় রেখে আগের দিন সেই সংশয় দূর করেন সাদা-কালো মিডফিল্ডার মুজাফফর মুজাফফরভ। কিন্তু মোহামেডান ফিরতে পারেনি তাদের চেনা রূপে। শেষ মুহূর্তের গোলে হার এড়িয়েছে তারা।
কুমিল্লার শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে আজ ‘বি’ গ্রুপের ম্যাচে ফর্টিসের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করেছে মোহামেডান। পুলিশ এফসিকে হারিয়ে ফেডারেশন কাপ শুরুর পর নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে পয়েন্ট হারাল ১১ বারের চ্যাম্পিয়নরা।
ম্যাচে ফর্টিস এগিয়ে যেতে সময় নিয়েছে ২৮ মিনিট। কর্নার থেকে আসা বল তিন হেডে জড়ায় জালে। শেষ হেডটি করে গোলের খাতায় নাম লেখান নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড ওকাফোর ওনিয়াকাচি।
৩২ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ হতে পারত। ওমর বাবুর কাটব্যাক থেকে ওমর আব্দুল্লাহর শট ফিস্ট করে ফেরান মোহামেডান গোলরক্ষক সাকিব আল হাসান।
স্যামুয়েল বোয়াটেংয়ের গোলে শেষ দিকে সমতার স্বস্তি ফেরে মোহামেডানের ডাগআউটে। ৮৬ মিনিটে মুজাফ্ফর মুজাফফরভের নিচু কর্নারে বক্সের জটলার ভেতর থেকে প্লেসিং শটে লক্ষ্যভেদ করেন ঘানার এই ফরোয়ার্ড।
গ্রুপের অন্য ম্যাচে আরামবাগ ক্রীড়া সংঘকে ১-০ গোলে হারিয়েছে পুলিশ এফসি। দুই ম্যাচে একটি করে জয় ও ড্রয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ টেবিলে অবশ্য শীর্ষেই আছে মোহামেডন। ৩ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে পুলিশ।

ব্রাজিলের সমর্থক হলে এই পরিসংখ্যান আপনার অজানা থাকার কথা নয়। তাই ম্যাচের আগে মনের কোথাও না কোথাও একটু শঙ্কা থাকতেই পারে। তবে আপনার মনে যা-ই থাকুক, নিশ্চয় চাইবেন, মাঠে নামার সময় নেইমার-ভিনিসিয়ুসদের মনে যেন নরওয়েকে কখনো হারাতে না পারার সেই পুরোনো দুঃস্মৃতি একবারের জন্যও ফিরে না আসে।
২ ঘণ্টা আগে
মায়ামির রাতটা শেষ হয়েছিল আর্জেন্টিনার উল্লাসে। গ্যালারিজুড়ে তখন আকাশি-সাদা পতাকার ঢেউ, মেসির নামধ্বনি আর শেষ ষোলো নিশ্চিত করার আনন্দ। কিন্তু মাঠের এক কোণে অন্য এক দৃশ্য ফুটে উঠছিল। চোখে জল নিয়ে মাটিতে বসে ছিলেন কেপ ভার্দের ফুটবলাররা।
২ ঘণ্টা আগে
ব্রাজিল কখনোই নরওয়েকে হারাতে পারেনি। ব্রাজিলকে হারাতে পারলে সেটিকে কি এই বিশ্বকাপের বড় অঘটন বলা হবে? কোনো রাখঢাক না রেখেই উত্তর দিয়েছেন নরওয়ের কোচ, ‘হ্যাঁ, আমারও মনে হয়, সেটি একটি চমকই হবে।’
২ ঘণ্টা আগে
প্রথমার্ধে যারা ছিল ছন্নছাড়া, দ্বিতীয়ার্ধে তারাই হয়ে ওঠে নির্মম। আর কানাডা? সাহসী ফুটবল খেলেও শেষ পর্যন্ত অভিজ্ঞতা ও সুযোগ কাজে লাগানোর পার্থক্যেই থেমে গেল তাদের স্বপ্নের দৌড়। মরক্কো অবশ্য আরেকবার জানিয়ে দিল, ২০২২ সালের সেমিফাইনাল কোনো অঘটন ছিল না; বিশ্বকাপের বড় মঞ্চে তারা এখনও সবচেয়ে কঠিন প্
৩ ঘণ্টা আগে