বিতর্ক, আলোচনা-সমালোচনা আর লকডাউনের ধাক্কা কাটিয়ে শেষের দিকে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) ফুটবল। ২০ সেপ্টেম্বর বসুন্ধরা কিংস-আবাহনী ম্যাচ দিয়ে শেষ হবে ফুটবলারদের ধৈর্যের চূড়ান্ত পরীক্ষা নেওয়া এই লিগ।
লিগের খেরোখাতা নিয়ে বসলে অবশ্য একটা হাহাকার শোনা যাবে দেশের ফুটবলে। এবারও বিদেশিদের দাপটে দেশি ফুটবলারদের সাফল্য খুঁজে পাওয়া কঠিন। তবে ফুটবলারদের ব্যর্থতার ভিড়ে কিছুটা দুঃখ ভুলিয়েছেন দেশি কোচরা।
ফুটবলারদের নিয়ে পুরোনো হাহাকার
শেখ জামালের গাম্বিয়ান ফরোয়ার্ড পা ওমর জোবের সঙ্গে লড়াইটা ভালোই জমেছিল বসুন্ধরা কিংসের ব্রাজিলিয়ান রবসন রবিনহোর। লিগে কে হবেন সর্বোচ্চ গোলদাতা—এ নিয়ে দুই বিদেশি একটা সময় এগিয়েছেন সমান তালে। গতকাল সাইফ স্পোর্টিংয়ের বিপক্ষে গোল করে ওমর জোবেকে ছাড়িয়ে এবারের লিগে গোলদাতাদের তালিকার শীর্ষে উঠে গেছেন রবসন রবিনহো। দুই বিদেশিই নন, অতীতের মতো এবারের লিগের গোলদাতাদের সেরা দশে বিদেশি ফুটবলারদের জয়জয়কার। যথারীতি এবারও তালিকার সেরা দশের বাইরে দেশীয় ফুটবলাররা। মাত্র দুজন বাংলাদেশি ফুটবলার এবারের লিগে ১০ গোল করেছেন। তাঁরা হচ্ছেন উত্তর বারিধারার সুমন রেজা ও আবাহনীর জুয়েল রানা। দুজনই ১০টি করে গোল করেছেন, তবে জায়গা হয়নি সেরা দশে।
পুরোনো প্রশ্নটা নতুন করে আসছে সামনে—লিগে কেন গোল পান না স্থানীয় ফুটবলাররা? উত্তরে বারিধারার হয়ে লিগ খেলা স্ট্রাইকার সুমন রেজা বারবার লিগ পেছানোকে দায়ী করেছেন। বলেছেন, ‘ছন্দেই ছিলাম এবার। কিন্তু বারবার লিগ বন্ধ হয়ে ছন্দটা নষ্ট হয়ে গেছে। সবাই দল সাজায় বিদেশিদের ঘিরে। গোল করার ব্যাপারে দেশিদের সুযোগ খুব কমই থাকে।’
দেশি ফুটবলারদের গোলখরার কোনো সমাধান দেখছেন না জাতীয় দলের অধিনায়ক জামাল ভুঁইয়াও। আজকের পত্রিকাকে তিনি বলেছেন, ‘দেশি ফরোয়ার্ডদের গোল না পাওয়াটা অনেক বড় সমস্যা। এতে জাতীয় দলেও অনেক সমস্যা হয়। এই সমস্যা এমনি এমনি যাবে না।’
বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোচ জেমি ডের অন্যতম পছন্দের ফুটবলার রাকিব হোসেন। বেশ পরিশ্রমী খেলোয়াড় হিসেবে পরিচিতি আছে এই ফরোয়ার্ডের। তবু রাকিবের গোলসংখ্যা খুব একটা বলার মতো নয়। এটির ব্যাখ্যায় চট্টগ্রাম আবাহনীর কোচ মারুফুল হকের যুক্তি, ‘রাকিবের এখনো অনেক কিছু শেখার বাকি। ওকে বল ধরে রেখে খেলা শিখতে হবে। ও যদি নিজের খেলায় উন্নতি করতে পারে, তবে একটা সময় অনেক গোল পাবে।’
এগিয়ে দেশি কোচরা
লিগের সেরা দুই দল হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে বেলজিয়ান কোচ পল পুটের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল সাইফ স্পোর্টিংয়ের দায়িত্ব। আশা পূরণ না হওয়ায় পরে দায়িত্ব পান ব্রিটিশ স্টুয়ার্ট হল। এ দুই বিদেশি যা করতে পারেননি, মাত্র ছয় ম্যাচে দায়িত্ব পেয়ে সেটি বেশ করে দেখিয়েছেন সাইফের সহকারী কোচ জুলফিকার মাহমুদ মিন্টু। বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক এই ফুটবলার ছয় ম্যাচের পাঁচটিতেই সাইফকে জিতিয়েছেন। দলকে সপ্তম স্থান থেকে উঠিয়ে এনেছেন চারে।
গোলের সংখ্যায় দেশি ফুটবলাররা পিছিয়ে থাকলেও লিগে বাংলাদেশের কোচদের সাফল্যের পাল্লা বেশ ভারী এবার। পয়েন্ট তালিকা অনুযায়ী সেরা পাঁচ দলের তিন কোচই বাংলাদেশি। তালিকায় আছেন শফিকুল ইসলাম মানিক, মারুফুল হকের মতো কোচরাও।
সেরা পাঁচের সেরা তিন বাংলাদেশি কোচের মধ্যে সবচেয়ে বড় চমক ছিলেন শফিকুল ইসলাম মানিক। চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংসের অর্ধেকেরও কম বাজেটের দলকে রানার্সআপ হওয়ার লড়াইয়ে রেখেছিলেন তিনি।
লিগের শেষ দিকে মানিক ছাঁটাই হলে দায়িত্ব পান মোশারফ হোসেন বাদল। মানিকের দেখানো পথে দায়িত্বটা অবশ্য সুষ্ঠুভাবেই শেষ করেছেন বাদল। স্থানীয় কোচদের সাফল্য নিয়ে চট্টগ্রাম আবাহনীর কোচ মারুফুল হক বললেন, ‘দেশি কোচদের যদি ভালো দল দেওয়া যায়, তাহলে তারা সাফল্য আনতে পারবেন, কোনো সন্দেহ নেই।’

৯ অক্টোবর আবুধাবিতে শুরু হবে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান সিরিজের একমাত্র টেস্ট। তার আগে মরুর বুকে নিজেদের ঝালিয়ে নিচ্ছেন সৌম্য সরকার-মেহেদী হাসান মিরাজরা। সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে প্রথম দিনটা বাংলাদেশের জন্য অম্লমধুরই বলা চলে।
১১ ঘণ্টা আগে
এশিয়ান গেমসে ব্যর্ধতার ষোলোকলা পূর্ণ করল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। নিশিনে গতকাল শ্রীলঙ্কার ৬২ রানে হেরে ব্রোঞ্জও পেল না বাংলাদেশ। হারের পর লিটন দাস জাপানে খাবারদাবার নিয়ে অজুহাত সামনে এনেছেন। অধিনায়কের মুখে এমন কথা শুনে অসন্তুষ্ট খালেদ মাহমুদ সুজন।
১২ ঘণ্টা আগে
ওয়ানডের অন্যতম সেরা ফিনিশারের নাম বললে মাইকেল বেভান, মহেন্দ্র সিং ধোনি, বিরাট কোহলিরা থাকবেন ওপরের তালিকায়। ঠাণ্ডা মাথায় প্রতিপক্ষের কাছ থেকে অনেকবার জয় ছিনিয়ে নিয়েছেন তাঁরা। গতকাল ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক শাই হোপ ধীরস্থির ব্যাটিংয়ে এড়ালেন ধবলধোলাই। পাহাড়সমান লক্ষ্য থাকলেও ঘাবড়ে যাননি তিনি।
১৩ ঘণ্টা আগে
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সপ্তম সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন মাহমুদুল হাসান জয়। তাঁর সেঞ্চুরিতে বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে তুলনামূলক সুবিধাজনক অবস্থানে আছে স্বাগতিক চট্টগ্রাম। রাজশাহীর অর্ধেকেরও বেশি রান চট্টগ্রাম করে ফেলেছে কোনো উইকেট না হারিয়ে। চট্টগ্রাম দ্বিতীয় দিনটা স্বস্তিতে
১৩ ঘণ্টা আগে