অ্যানফিল্ডে গতরাতে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে অথৈ সাগরে হাবুডাবু খাচ্ছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। লিভারপুলের কাছে ৭-০ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছে ম্যান ইউ। রেড ডেভিলদের এই বিধ্বস্ত অবস্থা দেখে ‘আত্মগোপনে’ যাচ্ছেন রয় কিন।
গতকাল প্রথমার্ধে অবশ্য ভালোই খেলেছিল ম্যান ইউ। কোনো গোল করতে না পারলেও হজম করেছিল মাত্র এক গোল। ৪৩ মিনিটে গোল করেছেন লিভারপুলের লেফট উইঙ্গার কোডি গাকপো। তবে দ্বিতীয়ার্ধে বিধ্বংসী হয়ে ওঠে অলরেডরা। দ্বিতীয়ার্ধে ৬ গোল করেন ইয়ুর্গেন ক্লপের শিষ্যরা। রেড ডেভিলদের বিপক্ষে ৭-০ গোলের রেকর্ড নিশ্চিত করে অলরেডরা। জোড়া গোল করেছেন গাকপো, ডারউইন নুনেজ ও মোহাম্মদ সালাহ। ৮৮ মিনিটে ইউনাইটেডের কফিনে শেষ পেরেক ঢুকে দেন রবার্তো ফিরমিনো।
‘অন-টার্গেট’ ৮ শটের ৭টিই গোলে পরিণত করে অলরেডরা। অন্যদিকে স্বাগতিকদের লক্ষ্য বরাবর মাত্র ৪টি শট করে রেড ডেভিলরা।
ম্যান ইউর এমন পারফরম্যান্সে ভীষণ হতাশ রয় কিন। স্কাই স্পোর্টসকে এই ফুটবল বিশেষজ্ঞ বলেন, ‘যদি ৬-০ অথবা ৭-০ গোলে হেরে যাই, আমি কয়েক মাস আত্মগোপনে যাব। এটা ভীষণ লজ্জার। সিনিয়র খেলোয়াড়েরা লজ্জিত। নেতৃত্বের দক্ষতা কেউই দেখাতে পারেনি। তারা যেভাবে গোল হজম করেছে, সত্যিই হতাশাজনক। ইউনাইটেডের জন্য কঠিন দিন এটা। সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ এমন বিধ্বস্ত ম্যান ইউনাইটেডের হয়ে আমাকে খেলতে হয়নি।’
৭-০ গোলের জয়ে ২৫ ম্যাচে ৪২ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট তালিকায় পাঁচে উঠে এসেছে লিভারপুল। চার নম্বরে থাকা টটেনহামের পয়েন্ট ৪৫। নিউক্যাসল ও স্পার্সরা খেলেছে ২৬ ম্যাচ। ২৫ ম্যাচে ৪৯ পয়েন্ট নিয়ে তিনে ইউনাইটেড।

এই জয় তো এই হার—২০২৬ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের যাত্রাটা চলছে এভাবেই। উইন্ডহোকে ১৫ জানুয়ারি তানজানিয়াকে ৫ উইকেটে হারিয়েছিল উইন্ডিজ। একই মাঠে ১৮ জানুয়ারি আফগানিস্তানের কাছে ১৩৮ রানে হেরেছে ক্যারিবীয়রা। আজ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলতে নামবে উইন্ডিজ।
২২ মিনিট আগে
চিত্রনাট্যটা একই রকম। গত বিপিএলেও মেহেদী হাসান মিরাজের নেতৃত্বাধীন দল দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার থেকে ছিটকে গেছে। এবারও ঠিক একই ঘটনা ঘটেছে। পার্থক্য শুধু গত বছর খুলনা টাইগার্সের হয়ে খেলা মিরাজ এবার খেলেছেন সিলেট টাইটানসের হয়ে। সিলেটের প্রধান কোচ সোহেল ইসলামের মতে
১ ঘণ্টা আগে
লং অনে দারউইশ রাসুলি ক্যাচ ধরার পর শুরু হয়ে যায় উদ্যাপন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেট ব্যাটার ব্র্যান্ডন কিংয়ের (৫০) উইকেটটা তো আফগানদের জন্য দারুণ এক ব্রেকথ্রু ছিলই। সব ছাপিয়ে আলোচনায় আফগানিস্তানের রহস্যময় স্পিনার মুজিব উর রহমানের হ্যাটট্রিক।
২ ঘণ্টা আগে
মিরপুর শেরেবাংলায় পরশু ক্রিস ওকস ছক্কা মারার পরই কেঁদে ফেলেছিলেন ফাহিম আল চৌধুরী। ২৪ ঘণ্টা না যেতেই একই মাঠে ফের কাঁদলেন ফাহিম। তবে দুটি ঘটনার মধ্যে যে আকাশ-পাতাল ফারাক। পরশু সিলেটের জয়ের খুশিতে কাঁদলেও কাল কেঁদেছিলেন দলের বিদায়ে। রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের কাছে হারের পর ফিক্সিংয়ের গুরুতর অভিযোগ তুললেন সিল
২ ঘণ্টা আগে