ফুটবল রাজা পেলের শেষ ম্যাচ ছিল বিস্ময়ের মতো। সেই ম্যাচে দুই দলের জার্সি গায়ে খেলেছেন তিনি। পেলে যে কী কারণে সেরা, শেষ ম্যাচে প্রমাণ দেন আরও একবার। নিজের দীর্ঘদিনের ক্লাব সান্তোস এবং পরবর্তী ক্লাব নিউ ইয়র্ক কসমসের মধ্যে প্রদর্শনী ম্যাচই ছিল পেলের শেষ ম্যাচ।
পেলেকে ভিন্ন আয়োজনে বিদায় দেওয়ার জন্য আমেরিকার নিউ জার্সি প্রদেশের ইস্ট রাদারফোর্ড শহরে এই ম্যাচের আয়োজন করে সান্তোস ও কসমস। ১৯৭৭ সালের সেই ম্যাচে কসমসের হয়ে প্রথমার্ধ এবং সান্তোসের হয়ে দ্বিতীয়ার্ধ খেলেন এই কিংবদন্তি।
সেই ম্যাচে সান্তোসকে ২-১ ব্যবধানে হারায় কসমস। শুরুতে গোল করে এগিয়ে যায় সান্তোস। প্রথমার্ধের শেষ দিকে ৩০ গজ দূর থেকে ফ্রি কিকে দারুণ এক গোল করে কসমসকে সমতায় ফেরান পেলে। দ্বিতীয়ার্ধে পেলে সান্তোসের জার্সি পরে মাঠে নামেন।
অন্য দিকে পেলের বদলি হিসেবে কসমসের হয়ে খেলেন র্যামন মিফলিন। পেরুর এই মিডফিল্ডারই ম্যাচের ব্যবধান গড়ে দেন। তাঁর গোলেই কসমস ২-১ গোলে জয় পায়।
১৯৫৬-১৯৭৪ পর্যন্ত ব্রাজিলিয়ান ফুটবল ক্লাব সান্তোসের হয়ে খেলেছিলেন পেলে। এই ক্লাবের হয়ে ৬৩৬ ম্যাচে করেছেন ৬১৮ গোল। ১৯৭৫ সালে তখনকার সময়ে রেকর্ড ১৪ লাখ মার্কিন ডলারে কসমস পেলেকে সই করায়। আমেরিকান ক্লাবটির হয়ে ১১১ ম্যাচে তাঁর ৬৫ গোল।

এই তো গত নভেম্বরের কথা। বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলতে এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বের ম্যাচ খেলতে এসে ভারতীয় দলের সঙ্গে এসেছিলেন রায়ান উইলিয়ামস। ভারতীয় নাগরিকত্ব, পাসপোর্ট সবই ছিল তাঁর। কিন্তু ফিফার অনুমোদন না পাওয়ায় খেলতে পারেননি তিনি। সেই উইলিয়ামস ভারতের হয়ে অভিষেকেই আলোড়ন তুলেছেন।
৯ মিনিট আগে
জুন-জুলাইয়ে শুরু হচ্ছে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ। ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থে’র দামামা বেজে গেছে এরই মধ্যে। একই সময়ে চলবে ক্রিকেটের এক বৈশ্বিক টুর্নামেন্টও। ইংল্যান্ডে হবে ১২ দলের নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। এই বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট শেষে হবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) বার্ষিক সম্মেলন।
১ ঘণ্টা আগে
ফুটবল যে এমনই। বিশেষ করে নকআউট রাউন্ডের ম্যাচে একদিকে কোনো দল ভাসে আনন্দে। ঠিক তেমনই প্রতিপক্ষ দলে পড়ে যায় কান্নার রোল। মেক্সিকোর গুয়াদালুপ স্টেডিয়ামে আজ ইরাক-বলিভিয়া ম্যাচটা তেমনই। আন্ত:মহাদেশীয় প্লে-অফ ফাইনালে বলিভিয়াকে কাঁদিয়ে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের টিকিট কাটল ইরাক।
২ ঘণ্টা আগে
ঘড়ির কাঁটা ঘুরিয়ে ২০ বছর আগে ফিরে যাওয়া যাক। বার্লিনে ফ্রান্সকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জয়ের উৎসবে মেতে উঠেছিল ইতালি। ব্রাজিলের পাঁচবারের শিরোপার পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ চারবার শিরোপা জেতে আজ্জুরিরা। আন্দ্রে পিরলো, মার্কো মাতারাজ্জি, আলেহান্দ্রো দেল পিয়েরোরা ছিলেন সেই দলে। কিন্তু সেসব এখন অতীত।
৩ ঘণ্টা আগে