নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জুনের পর এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে বাংলাদেশের পরের ম্যাচ অক্টোবরে। এর আগে সেপ্টেম্বরে রয়েছে ফিফা উইন্ডো। সেখানে ইউরোপের দেশের বিপক্ষে খেলতে হামজা-শমিতদের খেলাতে চায় বাফুফে।
যদিও এখন পর্যন্ত প্রতিপক্ষ ঠিক হয়নি। তবে বাফুফের মাথায় দুটি ভাবনা রয়েছে। দেশের বাইরে খেলতে হলে ইউরোপিয়ান প্রতিপক্ষ বাছাই করবে তারা। তবে ঘরের মাটিতে যদি খেলতে হয় তখন আমন্ত্রণ জানানো হবে এশিয়ান কোনো দেশকে। আজ জাতীয় দল কমিটির সভায় নেওয়া হয় এই সিদ্ধান্ত।
বাংলাদেশ সবশেষ ইউরোপিয়ান দেশের বিপক্ষে খেলেছে ২৪ বছর আগে। ২০০১ সালে ৩ মহাদেশের ১৩টি দল নিয়ে সাহারা কাপ আয়োজন করেছিল ভারত। বাংলাদেশের গ্রুপে পড়ে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা এবং যুগোস্লাভিয়া। কোচির জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে দুই দলের কাছেই হারে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে বসনিয়ার কাছে হজম করে ২ গোল। যুগোস্লাভিয়া চারটি গোল দিলেও বিপরীতে বাংলাদেশ পায় একটি গোলের দেখা। সেই গোলটি করেন সাবেক ডিফেন্ডার ফিরোজ মাহমুদ টিটু। তাঁর গোলেই ম্যাচের ৬ মিনিটে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ কিন্তু পরে আর তা ধরে রাখতে পারেনি।
ইউরোপের গল্প আজ স্মৃতিচারণ হলো আবারও। সভা শেষে বাফুফের সিনিয়র সহ-সভাপতি ইমরুল হাসান বলেন, ‘১-৯ সেপ্টেম্বর ফিফা উইন্ডোতে বাংলাদেশ ম্যাচ খেলবে এটা সিদ্ধান্ত হয়েছে। আমরা হোমেও খেলতে পারি আবার অ্যাওয়েতেও। যদি অ্যাওয়ে খেলি সেক্ষেত্রে আমাদের ইচ্ছে ইউরোপে বাংলাদেশ দলকে পাঠানোর। ইউরোপে খেললে দু’টি ম্যাচ খেলার পরিকল্পনা রয়েছে।’
সেপ্টেম্বরে একই সময়ে এএফসি অনূর্ধ্ব-২৩ এশিয়ান কাপ বাছাই খেলবে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দল। গতকাল মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত ড্রয়ে বাংলাদেশ পড়েছে ‘সি’ গ্রুপে। যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ স্বাগতিক ভিয়েতনাম, সিঙ্গাপুর, ইয়েমেন। জাতীয় দলের অনেক ফুটবলারই অনূর্ধ্ব-২৩ পর্যায়ের। ফলে তারা দুই দলেই খেলার যোগ্য। তবে এ নিয়ে বিড়ম্বনা হবে না বলে জানালেন ইমরুল, ‘আমাদের হাতে সময় রয়েছে। কোচিং স্টাফরা এই বিষয়গুলো আগামীতে কাজ করবে।’ জুন উইন্ডোর পর আমরা এ নিয়ে কাজ করব।’
ভুটান ও সিঙ্গাপুর ম্যাচের জন্য আজ হোটেলে ম্যানেজার আমের খানকে রিপোর্ট করবেন ফুটবলাররা। কাল থেকে জাতীয় স্টেডিয়ামে শুরু হবে প্রস্তুতি। বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে জাতীয় স্টেডিয়ামের পরিবর্তে অন্যত্র চলবে প্র্যাকটিস। গোলরক্ষক কোচের ক্ষেত্রে নুরুজ্জামান নয়নের পরিবর্তে মিগেল আনহেল আনিদোকে দেখা যেতে পারে। জাতীয় দলের হয়ে এর আগে দুই বছর কাজ করেছেন তিনি।

জুনের পর এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে বাংলাদেশের পরের ম্যাচ অক্টোবরে। এর আগে সেপ্টেম্বরে রয়েছে ফিফা উইন্ডো। সেখানে ইউরোপের দেশের বিপক্ষে খেলতে হামজা-শমিতদের খেলাতে চায় বাফুফে।
যদিও এখন পর্যন্ত প্রতিপক্ষ ঠিক হয়নি। তবে বাফুফের মাথায় দুটি ভাবনা রয়েছে। দেশের বাইরে খেলতে হলে ইউরোপিয়ান প্রতিপক্ষ বাছাই করবে তারা। তবে ঘরের মাটিতে যদি খেলতে হয় তখন আমন্ত্রণ জানানো হবে এশিয়ান কোনো দেশকে। আজ জাতীয় দল কমিটির সভায় নেওয়া হয় এই সিদ্ধান্ত।
বাংলাদেশ সবশেষ ইউরোপিয়ান দেশের বিপক্ষে খেলেছে ২৪ বছর আগে। ২০০১ সালে ৩ মহাদেশের ১৩টি দল নিয়ে সাহারা কাপ আয়োজন করেছিল ভারত। বাংলাদেশের গ্রুপে পড়ে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা এবং যুগোস্লাভিয়া। কোচির জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে দুই দলের কাছেই হারে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে বসনিয়ার কাছে হজম করে ২ গোল। যুগোস্লাভিয়া চারটি গোল দিলেও বিপরীতে বাংলাদেশ পায় একটি গোলের দেখা। সেই গোলটি করেন সাবেক ডিফেন্ডার ফিরোজ মাহমুদ টিটু। তাঁর গোলেই ম্যাচের ৬ মিনিটে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ কিন্তু পরে আর তা ধরে রাখতে পারেনি।
ইউরোপের গল্প আজ স্মৃতিচারণ হলো আবারও। সভা শেষে বাফুফের সিনিয়র সহ-সভাপতি ইমরুল হাসান বলেন, ‘১-৯ সেপ্টেম্বর ফিফা উইন্ডোতে বাংলাদেশ ম্যাচ খেলবে এটা সিদ্ধান্ত হয়েছে। আমরা হোমেও খেলতে পারি আবার অ্যাওয়েতেও। যদি অ্যাওয়ে খেলি সেক্ষেত্রে আমাদের ইচ্ছে ইউরোপে বাংলাদেশ দলকে পাঠানোর। ইউরোপে খেললে দু’টি ম্যাচ খেলার পরিকল্পনা রয়েছে।’
সেপ্টেম্বরে একই সময়ে এএফসি অনূর্ধ্ব-২৩ এশিয়ান কাপ বাছাই খেলবে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দল। গতকাল মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত ড্রয়ে বাংলাদেশ পড়েছে ‘সি’ গ্রুপে। যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ স্বাগতিক ভিয়েতনাম, সিঙ্গাপুর, ইয়েমেন। জাতীয় দলের অনেক ফুটবলারই অনূর্ধ্ব-২৩ পর্যায়ের। ফলে তারা দুই দলেই খেলার যোগ্য। তবে এ নিয়ে বিড়ম্বনা হবে না বলে জানালেন ইমরুল, ‘আমাদের হাতে সময় রয়েছে। কোচিং স্টাফরা এই বিষয়গুলো আগামীতে কাজ করবে।’ জুন উইন্ডোর পর আমরা এ নিয়ে কাজ করব।’
ভুটান ও সিঙ্গাপুর ম্যাচের জন্য আজ হোটেলে ম্যানেজার আমের খানকে রিপোর্ট করবেন ফুটবলাররা। কাল থেকে জাতীয় স্টেডিয়ামে শুরু হবে প্রস্তুতি। বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে জাতীয় স্টেডিয়ামের পরিবর্তে অন্যত্র চলবে প্র্যাকটিস। গোলরক্ষক কোচের ক্ষেত্রে নুরুজ্জামান নয়নের পরিবর্তে মিগেল আনহেল আনিদোকে দেখা যেতে পারে। জাতীয় দলের হয়ে এর আগে দুই বছর কাজ করেছেন তিনি।

আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি এখনো। তবে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) স্থগিত করার দিক যাচ্ছে বিসিবি। বিসিবির একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, পরিচালক এম নাজমুল ইসলামকে অর্থ বিভাগ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পরও খেলোয়াড়েরা যেহেতু খেলা বয়কটের ঘোষণা থেকে সরে আসেননি, বিপিএল বন্ধ করে দেওয়ার দিকেই যাচ্ছে বিসিবি।
৩২ মিনিট আগে
ক্রিকেটারদের কাছে টাকা ফেরত চাওয়া, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ না খেললে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কোনো ক্ষতি হবে না—গতকাল এমন বিতর্কিত মন্তব্যের পর তোপের মুখে পড়েন পরিচালক এম নাজমুল ইসলাম। তাঁর পদত্যাগের দাবিতে আজ মেহেদী হাসান মিরাজ-মোহাম্মদ মিঠুনরা খেলা বয়কট করেছেন।
২ ঘণ্টা আগে
দিনের প্রথম ম্যাচের মতো আজ বিপিএলের দ্বিতীয় ম্যাচও মাঠে গড়ানোর কোনো ইঙ্গিত নেই। সন্ধ্যা ৬টায় রাজশাহী ওয়ারিয়র্স ও সিলেট টাইটানসের ম্যাচ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও টসের সময় (সাড়ে ৫টা) ইতোমধ্যেই পেরিয়েছে। দুই দলের কেউই এখনো মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে এসে পৌঁছায়নি।
২ ঘণ্টা আগে
এম নাজমুল ইসলাম বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) থাকলে মাঠে ফিরবেন না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ক্রিকেটাররা। বনানীর শেরাটন হোটেলে ক্রিকেটারদের কল্যাণে কাজ করা সংগঠন কোয়াবের সভাপতি মিঠুন সংবাদ সম্মেলন শেষে এমনটা জানানোর অল্প কিছুক্ষণ পরেই তাঁকে অব্যহতি দিয়েছে বিসিবি। তবে তাঁকে পরিচালক পদ থেকে সরানোর সুযো
৩ ঘণ্টা আগে