
দুই লাল কার্ডের মধ্যে কত বড় ফারাক। ঠিক এক সপ্তাহ আগে ওডিশা এফসির বিপক্ষে এক লাল কার্ডে ভেঙেছিল বসুন্ধরা কিংসের হৃদয়। মোহামেডানের বিপক্ষে স্বাধীনতা কাপের ফাইনালে একই ঘটনা প্রায় ফিরতেই বসেছিল।
এএফসি কাপে না পারলেও স্বাধীনতা কাপে কার্ড হতাশা ভাঙতে পারেনি বসুন্ধরাকে। ৪৫ মিনিট এক ফুটবলার কম নিয়ে খেলা, শুরুতে পিছিয়ে পড়া; নাটকের কমতি ছিল না গোপালগঞ্জের শেখ ফজলুল হক মনি স্টেডিয়ামে। নাটকের মধুর সমাপ্তিপর হেসেছে বসুন্ধরাই। মোহামেডানকে ২-১ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো স্বাধীনতা কাপের শিরোপা জিতল অস্কার ব্রুজোনের দল।
মোহামেডানকে হারিয়ে তাদের রেকর্ডেই ভাগ বসিয়েছে বসুন্ধরা। আজকের আগে স্বাধীনতা কাপে সর্বোচ্চ তিন শিরোপা ছিল সাদা-কালো শিবিরের। এখন সমান শিরোপার ভাগীদার বসুন্ধরাও। তবে যেভাবে দলটা তৃতীয় শিরোপা জিতেছে তা প্রশংসাযোগ্যই।
গোপালগঞ্জে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলতে থাকে বসুন্ধরা। প্রতিপক্ষকে পরীক্ষা নিতে যথারীতি সুলেমানে দিয়াবাতেই মূল ভরসা ছিল মোহামেডানের; শুরু থেকে ডান দিক দিয়ে দিয়াবাতেও আক্রমণে ওঠার চেষ্টা করছিলেন, কিন্তু সোহেল রানার কড়া পাহারায় সুবিধা করতে পারছিলেন না।
ম্যাচের ৪ মিনিটে বক্সের ভেতরে বলের নিয়ন্ত্রণ নিলেও ভারসাম্য ধরে রেখে ঠিকঠাক শট করতে পারেননি কিংসের রফিকুল ইসলাম, দুর্বল শটে বল যায় পোস্টের বাইরে। ১৪ মিনিটে বক্সের বেশ বাইরে থেকে জোরাল শট নেন রবিনহো, ঝাঁপিয়ে আটকান মোহামেডান গোলরক্ষক।
এরপর দুই দলের খেলার গতি কমে কিছুটা। ৩৬ তম মিনিটে আরেকটি ভালো সুযোগ পায় বসুন্ধরা। কিন্তু সোহেল রানার দারুণ ক্রসে দরিয়েলতন গোমেজের হেড পরীক্ষাই নিতে পারেনি গোলরক্ষক সুজন হোসেনকে।
বিরতির পরপরই জমে উঠল ফাইনাল। এই অর্ধের শুরুতেই নাটক। ৪৭ মিনিটে মেজাজ হারিয়ে মোহামেডানের ওমর ফারুক বাবুকে আঘাত করে বসেন বসুন্ধরার উইঙ্গার রফিকুল ইসলাম। তাতে লাল কার্ড দেখলেন রফিক, ১০ জনের দল নিয়ে বড় পরীক্ষায় বসুন্ধরা।
সুযোগটা খুব দ্রুতই কাজে লাগাল মোহামেডান। মুজাফফরভের কর্নার থেকে বল খুঁজে নিলেন সাদা-কালোদের নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড ইম্যানুয়েল সানডে। তাকে পাহারায় রাখার কথা যেন ভুলেই গিয়েছিলেন বসুন্ধরার ডিফেন্ডাররা। নিখুঁত হেডে মোহামেডানকে এগিয়ে দিলেন সানডে।
গোল হজম করেই জেগে বসুন্ধরা। এক ফুটবলার কম নিয়েই দুই মিনিট পর সমতাতেও ফিরল স্বাধীনতা কাপের বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। ৫৩ মিনিটে রবসনের শট নাইজেরিয়ান ডিফেন্ডার ইম্যানুয়েল টনির গায়ে প্রতিহত হলে বক্সে বল পান রাকিব হোসেন। জটলাকে কাজে লাগিয়ে নেন বাঁ পায়ের শট। রাকিবের শটে বল কোথা থেকে গিয়ে জালে জড়াল তা টেরই পেলেন না মোহামেডান গোলরক্ষক।
সমতায় থাকা ম্যাচটা যখন ধীরে ধীরে অতিরিক্ত সময়ের দিকে এগোচ্ছে তখনই মোহামেডান শিবিরে আঘাত হানলেন দরিয়েলতন গোমেজ। নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষ হওয়ার চার মিনিট আগে হঠাৎ আক্রমণের ১০ জনের বসুন্ধরাকে শিরোপা জেতানো গোল এনে দিলেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। স্বদেশি সতীর্থ মিগেল দামাশিনার রক্ষণচেরা পাস থেকে মোহামেডান গোলরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে বল সোজা পাঠালেন জালে।
শেষ সময়ে খেলার চেয়ে হাতাহাতিই বেশি হলো মাঠে। লাল কার্ড না দেখলেও হলুদ কার্ড দেখলেন দুই দলের ফুটবলাররা। শেষ বাঁশি বাজতে দর্শকেরাও ঢুকে পড়লেন মাঠে। নিজেদের দর্শকের ভিড়ে এক সপ্তাহ আগের দুঃখ কিছুটা হলেও হয়তো ভুলতে পারল বসুন্ধরা।

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাবে (এসএসসি) সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে জয়ের কাছাকাছিই রয়েছে ভারত। এরই মধ্যে শ্রীলঙ্কা দ্বিতীয় ইনিংসে অর্ধেকেরও বেশি উইকেট হারিয়েছে। লঙ্কানদের লিডটাও খুব একটা হয়নি। তবে এত কাছে এসেও ভারতের আক্ষেপে পুড়তে হতে পারে দুটি কারণে।
১৪ মিনিট আগে
কথা-কাটাকাটি, স্লেজিংয়ের মতো ঘটনা ক্রিকেটে যে একেবারে নতুন, ব্যাপারটা তা নয়। বিশেষ করে, টেস্টে এ ধরনের ঘটনা অন্য রকম একটা মাত্রা দেয়। কিন্তু সম্প্রতি ভারতীয় ক্রিকেটাররা যখন প্রতিপক্ষের ক্রিকেটারদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়াচ্ছেন, তখন এই ব্যাপারে আলোচনা হওয়াটাই স্বাভাবিক। তাতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইস
১ ঘণ্টা আগে
আম্পায়ারের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে বেঁচে গেলেন শ্রীলঙ্কার ব্যাটার পাসিন্দু সুরিয়াবান্দারা। টেস্ট ক্যারিয়ার প্রথম সেঞ্চুরি পাওয়া তাঁর কাছে ছিল কেবল সময়ের ব্যাপার। কিন্তু সুরিয়াবান্দারা সেটা আর করতে পারলেন কই! ঠিক তার পরের বলেই ভারতীয় বাঁহাতি স্পিনারকে উইকেটটা উপহার দিয়েছেন সুরিয়াবান্দারা।
২ ঘণ্টা আগে
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জমে উঠেছে ২০২৫-২৭ টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের লড়াই। কার হাতে উঠবে শিরোপা, তা জানতে এখনো প্রায় এক বছরের অপেক্ষা। কিন্তু দুই ফাইনালিস্ট খুঁজে বের করা তো এত সহজ নয়। বিশেষ করে, চার ও পাঁচে থাকা বাংলাদেশ-ভারত তাকিয়ে থাকছে একে অপরের ম্যাচের দিকে।
২ ঘণ্টা আগে