
বিশ্বকাপের মঞ্চ মানেই রোমাঞ্চ, কৌশল আর নতুন কোনো রূপকথার জন্ম। হিউস্টনে আজ মুখোমুখি হচ্ছে পর্তুগাল-উজবেকিস্তান। তবে দুই দলের লড়াইটি কেবল মাঠের ৯০ মিনিটের ফুটবলীয় মারপ্যাঁচের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে আবেগঘন মনস্তাত্ত্বিক। আর এই গল্পের মূল কেন্দ্রে পর্তুগিজ তারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।
উজবেকিস্তানের ফুটবলারদের কাছে এই ম্যাচ যেন তাদের শৈশবের স্বপ্ন সত্যি হওয়ার মতো। প্রায় ১২ বছর আগে, যখন বর্তমান উজবেক তারকাদের বয়স ছিল মাত্র ১৩ বছর, তখন আকস্মিক এক সফরে তাঁদের দেশে গিয়েছিলেন রোনালদো। সেই অবিস্মরণীয় দিনটির কথা মনে করে উজবেক ডিফেন্ডার রুস্তম আশুরমাতভ বলেন, ‘রোনালদোর সেই সফর ছিল সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত। তিনি এসে আমাদের সঙ্গে ফুটবল খেলেছিলেন। ওটা ছিল এক রূপকথার মতো মুহূর্ত, তখন তিনি তাঁর জনপ্রিয়তার একদম তুঙ্গে।’
রোনালদোর সঙ্গে কাটানো মুহূর্তগুলো উজবেক ফুটবলারদের মনে গভীর দাগ কেটেছিল। তবে আবেগকে একপাশে সরিয়ে রেখে এবার লড়তে চান তাঁরা। মাঠের লড়াই নিয়ে উজবেক তারকা দোস্তোনবেক খামদামভ নিজের মনোভাব প্রকাশ করে বলেন, ‘মাঠের লড়াই যখন শুরু হবে, তিনি আর আমার হিরো থাকবেন না, বরং আমার প্রতিপক্ষ হয়ে উঠবেন।’
প্রথম ম্যাচে কাঙ্ক্ষিত জয় না পাওয়ায় কিছুটা মনস্তাত্ত্বিক চাপে রয়েছে পর্তুগাল। ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করে তারা। সেই ম্যাচে ৪১ বছর বয়সী রোনালদো নিজেরই ছায়া হয়ে ছিলেন।
টুর্নামেন্টের শুরুটা মনের মতো না হওয়ায় নকআউটে ওঠার সমীকরণ মেলাতে এখন মরিয়া তারা। পর্তুগিজ ডিফেন্ডার নুনো মেন্দেসের কণ্ঠে রয়েছে ঘুরে দাঁড়ানোর দারুণ প্রত্যয়। দলের পারফরম্যান্স এবং প্রথম ম্যাচের ভুলত্রুটি নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা জানি, আমাদের আরও অনেক কিছু দেওয়ার আছে এবং এই ফলাফলে আমরা সন্তুষ্ট নই।’
তবে প্রথম ম্যাচের ধাক্কা ভুলে দলের সবার মানসিকতা এখন ইতিবাচক বলে জানান এই ডিফেন্ডার। উজবেকিস্তানের বিপক্ষে লড়াই নিয়ে মেন্দেসের পরিকল্পনা বেশ স্পষ্ট। প্রতিপক্ষের খেলার ধরন এবং শারীরিক শক্তি সম্পর্কে সতর্ক করে তিনি মন্তব্য করেন, ‘উজবেকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচটি বেশ শারীরিক শক্তির লড়াই হতে যাচ্ছে, আমাদের ধৈর্য ধরতে হবে।’
মেন্দেস মনে করেন, প্রতিপক্ষ পর্তুগালের শক্তিমত্তা সম্পর্কে ভালোভাবেই সচেতন। তাঁর ভাষায়, ‘তারা জানে যে আমাদের দলে অনেক বেশি কোয়ালিটি এবং ভালো মানের খেলোয়াড় রয়েছে। আর এই কারণেই উজবেকরা মূলত রক্ষণ সামলে কাউন্টার অ্যাটাক বা পাল্টা আক্রমণের কৌশল বেছে নেবে। তাই গোলমুখ খুলতে পর্তুগালকে বেশ দেখেশুনে এবং সতর্কতার সঙ্গে আক্রমণ সাজাতে হবে।’
সমীকরণের বিচারে নকআউট পর্বের টিকিট পেতে পর্তুগালের সামনে এই ম্যাচে জয়ের কোনো বিকল্প নেই। বলের দখল রেখে ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার যে চিরাচরিত ছন্দ পর্তুগালের রয়েছে, এর বিপক্ষে উজবেকিস্তানের জমাট ডিফেন্স আর গতিশীল আক্রমণ কেমন প্রতিরোধ গড়ে, সেটাই এখন দেখার বিষয়; এক পরাশক্তির টিকে থাকার লড়াই আর এক উদীয়মান দলের রূপকথা লেখার স্বপ্ন—দিন শেষে কারা হাসি নিয়ে মাঠ ছাড়বে।

চলতি বিশ্বকাপে নিজের এই রেকর্ড ভেঙে যাবে—এমনটা টুর্নামেন্ট শুরুর ঠিক আগেই সংবাদমাধ্যমটিকে জানিয়েছিলেন ক্লোসা। তিনি বলেছিলেন, ‘এটা খুবই স্বাভাবিক বিষয়। রেকর্ড তো একদিন না একদিন ভাঙবেই, আর মেসি যদি সেটা ভাঙে তবে তাকে স্বাগত। আমি সবসময়ই মেসির একজন বড় ভক্ত। মেসি এক কথায় একজন জিনিয়াস।’
১ ঘণ্টা আগে
আটলান্টিক মহাসাগরের বুকে ১০টি দ্বীপ নিয়ে গড়ে ওঠা ছোট্ট এক দেশ কেপ ভার্দে। বিশ্বব্যাংকের হিসাবে জনসংখ্যা মাত্র সোয়া পাঁচ লাখ। ফুটবল মানচিত্রে যাদের নাম খুঁজে পেতে খোদ ফুটবলবোদ্ধাদেরও বেগ পেতে হতো, সেই ‘নীল হাঙররাই’ এখন ২০২৬ বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপন। অভিষেক বিশ্বকাপেই দুই সাবেক চ্যাম্পিয়ন স্পেন ও
২ ঘণ্টা আগে
মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে তখন ম্যাচের বয়স ২১ মিনিট। উরুগুয়ের বক্সের বাইরে প্রায় ২৫ গজ দূরে ফ্রি-কিক পেল কেপ ভার্দে। ফ্রি-কিক নিতে এলেন ২৯ বছর বয়সী মিডফিল্ডার কেভিন পিনা। তাঁর নেওয়া নিচু শটটি উরুগুয়ের দুই ডিফেন্ডারের হাঁটুর মাঝখানের ফাঁকা জায়গা দিয়ে বেরিয়ে গেল।
২ ঘণ্টা আগে
আর্জেন্টিনা দলে লাউতারো মার্তিনেস ও হুলিয়ান আলভারেসের মতো ফর্মে থাকা দুই স্ট্রাইকারকে একসঙ্গে খেলানোর প্রসঙ্গে স্কালোনি দলের ভারসাম্যের দিকেই বেশি জোর দিয়েছেন। কৌশলগত এই জটিলতা নিয়ে তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, ‘মাঝে মাঝে মানুষ আমাকে জিজ্ঞেস করে লাউতারো ও হুলিয়ান একসঙ্গে খেলতে পারে কি না... কাজটা কিন্তু কঠ
২ ঘণ্টা আগে