
ডালাস স্টেডিয়ামে তখন ম্যাচের বয়স মাত্র ৯ মিনিট। ভিএআরের কল্যাণে পাওয়া পেনাল্টি থেকে জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসাকে টপকে বিশ্বকাপের ইতিহাসে এককভাবে সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার সুবর্ণ সুযোগ লিওনেল মেসির সামনে। কিন্তু সবাইকে স্তব্ধ করে দিয়ে তাঁর বাঁ পায়ের শটটি পোস্টের অনেক বাইরে দিয়ে চলে গেল। গ্যালারিজুড়ে তখন পিনপতন নীরবতা। মাঠের বুকে দাঁড়িয়ে থাকা ফুটবল জাদুকরের মাথাটাও নুয়ে পড়েছিল ক্ষণিকের জন্য।
ম্যাচ শেষে আর্জেন্টিনা অধিনায়ক নিজেই অকপটে স্বীকার করেছেন সেই মুহূর্তের মানসিক যন্ত্রণার কথা। মেসি বলেন, ‘পেনাল্টি মিস করার পর এমন কিছু মুহূর্ত গেছে যখন নিজের ওপর সত্যিই প্রচণ্ড রাগ হচ্ছিল। তবে ভালো লাগছে যে শেষ পর্যন্ত গোল করে সেটা পুষিয়ে দিতে পেরেছি।’
তবে মহাকাব্যের নায়কেরা তো আর অনুশোচনায় ডুবে থাকেন না, তাঁরা মাঠে জবাব দিতে ভালোবাসেন। মেসিও ঠিক তা-ই করলেন। নিজের সেই ভুলের প্রায়শ্চিত্ত করতে খুব বেশি সময় নেননি । ৩৮ মিনিটে থিয়াগো আলমাদার বুদ্ধিদীপ্ত পাস আর নিখুঁত এক প্লেসমেন্টে অস্ট্রিয়ার জাল কাঁপিয়ে দলকে লিড এনে দেন তিনি। এই এক গোলেই ঘুচে যায় পেনাল্টি মিসের সব গ্লানি, ক্লোসার ১৬ গোলের রেকর্ড ভেঙে ১৭ গোল নিয়ে মেসি বসেন বিশ্বকাপের ইতিহাসের একক সিংহাসনে।
এখানেই শেষ নয়; ম্যাচের যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে অস্ট্রিয়ার রক্ষণকে বোকা বানিয়ে আরও একটি জাদুকরী গোল করে আর্জেন্টিনার ২-০ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করেন তিনি। নিজের ওপর ক্ষোভের যে আগুন ম্যাচের শুরুতে জ্বলছিল, শেষ বাঁশি বাজার পর তা রূপ নেয় পরম তৃপ্তিতে।
আর্জেন্টিনাকে নকআউটে পৌঁছে দিতে পেরে মেসিও বেশ খুশি, ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো পরের রাউন্ড নিশ্চিত করা, আর প্রতিটি ম্যাচ জেতা তো সবসময়ই আমাদের পরিকল্পনায় থাকে। আমাদের পুরো দলটাই ভীষণ আনন্দের সঙ্গে এই মুহূর্তগুলো উপভোগ করছে। আমরা যখনই একত্রিত হই—মাঠে লড়াই করা, অনুশীলন করা, আমাদের প্রাত্যহিক জীবন এবং সর্বোপরি গ্যালারিতে মানুষের এমন উন্মাদনা দেখা, সবকিছুই আমরা দারুণ উপভোগ করি।’

আর্জেন্টিনা দলে লাউতারো মার্তিনেস ও হুলিয়ান আলভারেসের মতো ফর্মে থাকা দুই স্ট্রাইকারকে একসঙ্গে খেলানোর প্রসঙ্গে স্কালোনি দলের ভারসাম্যের দিকেই বেশি জোর দিয়েছেন। কৌশলগত এই জটিলতা নিয়ে তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, ‘মাঝে মাঝে মানুষ আমাকে জিজ্ঞেস করে লাউতারো ও হুলিয়ান একসঙ্গে খেলতে পারে কি না... কাজটা কিন্তু কঠ
৯ মিনিট আগে
রেকর্ড বইয়ের পাতাগুলো যেন নিজের মনের মতো নতুন করে লিখলেন লিওনেল মেসি। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ২-০ গোলের জয়ে আর্জেন্টিনা যখন এক ম্যাচ হাতে রেখেই বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব নিশ্চিত করল, ডালাস তখন রূপ নিলো শুধুই ইতিহাস গড়ার মঞ্চে। জোড়া গোলে জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসাকে টপকে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার সিংহাসনে
৩৬ মিনিট আগে
তবে সব বাধা পেরিয়ে পূর্ণ পয়েন্ট পাওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করে অধিনায়ক যোগ করেন, ‘সব কিছুর ঊর্ধ্বে এই জয়টাই আমাকে সবচেয়ে বেশি আনন্দ দিচ্ছে। ম্যাচটি আমাদের জন্য ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ ছিল, একই সঙ্গে ছিল বেশ কঠিন ও তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। সামনের পথচলার জন্য এই জয় আমাদের মনে বড় একটা স্বস্তি দেবে। সবচেয়ে গু
১ ঘণ্টা আগে
দিয়েগো ম্যারাডোনার সেই অবিস্মরণীয় ‘হ্যান্ড অব গডের’ ৪০ বছর পূর্তির দিনে ফুটবল বিধাতা ডালাসে আরও একটি মহাকাব্য লেখার প্রস্তুতি রেখেছিলেন। গ্যালারিজুড়ে তখন আর্জেন্টিনার বিখ্যাত ‘মুচাচোস’ গানের সুর, আর হাজারো ভক্তের চোখে ইতিহাস ছোঁয়ার রোমাঞ্চ। সেই রোমাঞ্চ আর নাটকীয়তার ভেলায় চড়ে শেষ পর্যন্ত হাসল আলবিসেল
২ ঘণ্টা আগে