নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

অনূর্ধ্ব-১৯ নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবলে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে ভারতকে ১-০ গোলে হারিয়েছেন বাংলাদেশের মেয়েরা। কমলাপুরের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহি মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামের ম্যাচে ছয় মিনিটে বাংলাদেশের জয়সূচক গোলটি করেন শামসুন্নাহার সিনিয়র। এই জয়ে ফাইনালে এক পা দিয়ে রাখল বাংলাদেশ।
আগের ম্যাচ থেকে তিন পরিবর্তন নিয়ে একাদশ সাজায় বাংলাদেশ। নিলুফা ইয়াসমিন নিলা, শামসুন্নাহার জুনিয়র ও মার্জিয়ার বদলে একাদশে সুযোগ পান আনুচিং মুগিনি, শাহেদা আক্তার রিপা ও আফেইদা খন্দকার। নিজেদের শেষ ম্যাচে ভুটানকে ৬-০ গোলে হারালেও ভারতের বিপক্ষে জয় পেতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে গোলাম রব্বানী ছোটনের দলকে।
ম্যাচের প্রথমার্ধে দুই দলই সমানে সমান খেললেও দ্বিতীয়ার্ধে বেশ কয়েকবার সুযোগ তৈরি করেছিল বাংলাদেশ। তবে ফিনিশিংয়ের ব্যবধান বাড়াতে পারেননি মেয়েরা। সুযোগ এসেছিল ভারতের মেয়েদের সামনেও, গোলরক্ষককে একা পেয়েও বল জালে জড়াতে পারেননি সুমাতি কুমারী।
ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটেই এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। বক্সের মধ্যে তহুরা খাতুনকে ফাউল করেন ক্রিতিবা দেবী, সঙ্গে সঙ্গে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। সফল স্পট কিকে লাল-সবুজদের এগিয়ে নেন শামসুন্নাহার সিনিয়র। বলের দিকে ঝাঁপালেও নাগাল পাননি ভারতের গোলরক্ষক আনশিকা।
১০ থেকে ৩০ মিনিট পর্যন্ত দুই দলই বল দখলের লড়াইয়ে সময় কাটিয়েছে। পারেনি তেমন কোনো আক্রমণে যেতে। ৩৩তম মিনিটে ম্যাচের প্রথম কর্নার পায় বাংলাদেশ, তবে কর্নার থেকে কোনো সুযোগ বানাতে পারেননি তহুরারা। ৩৭তম মিনিটে আঁখি খাতুনের চেষ্টা রুখে দেন ভারতের গোলরক্ষক। মাঝ মাঠের খানিকটা সামনে থেকে আঁখি খাতুনের দূরপাল্লার ফ্রিকিক জায়গায় দাঁড়িয়ে হাত দিয়ে কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা করেন ভারতের গোলরক্ষক আনশিকা।
৪৩ মিনিটে বল জালে জড়িয়েছিলেন শামসুন্নাহার জুনিয়র, কিন্তু অফসাইডের কারণে আর গোল হয়নি। প্রথমার্ধের বাঁশি বাজানোর সঙ্গে সঙ্গে রেফারির দিকে তেড়ে যান ভারতের প্রধান কোচ অ্যালেক্স এম্ব্রোস। কারণ হিসেবে জানা যায়, ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটে দেওয়া পেনাল্টির সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেননি তিনি। তাই রেফারির উদ্দেশে তেড়ে গিয়েছিলেন অ্যালেক্স। তবে অ্যালেক্সকে কোনো কার্ড দেখাননি রেফারি।
প্রথমার্ধের মতো দ্বিতীয়ার্ধেও গোলের সুযোগ নষ্টে ব্যতিব্যস্ত ছিল দুই দল। ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ এসেছিল বাংলাদেশের সামনে, তবে ৫৭তম মিনিটে ভারতকে রক্ষা করেন গোলরক্ষক আনশিকা। ঋতুপর্ণার কর্নার থেকে হেড করেন আঁখি, কিন্তু টপ কর্নারে হাত বাড়িয়ে কর্নারের বিনিময়ে বাইরে ঠেলে দেন আনশিকা।
৬৩তম মিনিটে অল্পের জন্য রক্ষা পায় বাংলাদেশ। গোলরক্ষক রুপনা চাকমা জায়গা ছেড়ে বের হয়ে এলে সুমাতি কুমারীর চিপ শট জাল খুঁজে পায়নি। ৭৩তম মিনিটে আবারও সুযোগ এসেছিল সুমাতি কুমারীর সামনে। মাঝমাঠে আঁখি বল ক্লিয়ার করতে না পারায় বল পেয়ে যান সুমাতি, খানিকটা এগিয়ে গিয়ে বক্সের সামনে থেকে শট নিলে তা বাইরে চলে যায়। ম্যাচের বাকি সময়ে আর ব্যবধান বাড়াতে পারেনি বাংলাদেশ।

অনূর্ধ্ব-১৯ নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবলে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে ভারতকে ১-০ গোলে হারিয়েছেন বাংলাদেশের মেয়েরা। কমলাপুরের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহি মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামের ম্যাচে ছয় মিনিটে বাংলাদেশের জয়সূচক গোলটি করেন শামসুন্নাহার সিনিয়র। এই জয়ে ফাইনালে এক পা দিয়ে রাখল বাংলাদেশ।
আগের ম্যাচ থেকে তিন পরিবর্তন নিয়ে একাদশ সাজায় বাংলাদেশ। নিলুফা ইয়াসমিন নিলা, শামসুন্নাহার জুনিয়র ও মার্জিয়ার বদলে একাদশে সুযোগ পান আনুচিং মুগিনি, শাহেদা আক্তার রিপা ও আফেইদা খন্দকার। নিজেদের শেষ ম্যাচে ভুটানকে ৬-০ গোলে হারালেও ভারতের বিপক্ষে জয় পেতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে গোলাম রব্বানী ছোটনের দলকে।
ম্যাচের প্রথমার্ধে দুই দলই সমানে সমান খেললেও দ্বিতীয়ার্ধে বেশ কয়েকবার সুযোগ তৈরি করেছিল বাংলাদেশ। তবে ফিনিশিংয়ের ব্যবধান বাড়াতে পারেননি মেয়েরা। সুযোগ এসেছিল ভারতের মেয়েদের সামনেও, গোলরক্ষককে একা পেয়েও বল জালে জড়াতে পারেননি সুমাতি কুমারী।
ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটেই এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। বক্সের মধ্যে তহুরা খাতুনকে ফাউল করেন ক্রিতিবা দেবী, সঙ্গে সঙ্গে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। সফল স্পট কিকে লাল-সবুজদের এগিয়ে নেন শামসুন্নাহার সিনিয়র। বলের দিকে ঝাঁপালেও নাগাল পাননি ভারতের গোলরক্ষক আনশিকা।
১০ থেকে ৩০ মিনিট পর্যন্ত দুই দলই বল দখলের লড়াইয়ে সময় কাটিয়েছে। পারেনি তেমন কোনো আক্রমণে যেতে। ৩৩তম মিনিটে ম্যাচের প্রথম কর্নার পায় বাংলাদেশ, তবে কর্নার থেকে কোনো সুযোগ বানাতে পারেননি তহুরারা। ৩৭তম মিনিটে আঁখি খাতুনের চেষ্টা রুখে দেন ভারতের গোলরক্ষক। মাঝ মাঠের খানিকটা সামনে থেকে আঁখি খাতুনের দূরপাল্লার ফ্রিকিক জায়গায় দাঁড়িয়ে হাত দিয়ে কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা করেন ভারতের গোলরক্ষক আনশিকা।
৪৩ মিনিটে বল জালে জড়িয়েছিলেন শামসুন্নাহার জুনিয়র, কিন্তু অফসাইডের কারণে আর গোল হয়নি। প্রথমার্ধের বাঁশি বাজানোর সঙ্গে সঙ্গে রেফারির দিকে তেড়ে যান ভারতের প্রধান কোচ অ্যালেক্স এম্ব্রোস। কারণ হিসেবে জানা যায়, ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটে দেওয়া পেনাল্টির সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেননি তিনি। তাই রেফারির উদ্দেশে তেড়ে গিয়েছিলেন অ্যালেক্স। তবে অ্যালেক্সকে কোনো কার্ড দেখাননি রেফারি।
প্রথমার্ধের মতো দ্বিতীয়ার্ধেও গোলের সুযোগ নষ্টে ব্যতিব্যস্ত ছিল দুই দল। ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ এসেছিল বাংলাদেশের সামনে, তবে ৫৭তম মিনিটে ভারতকে রক্ষা করেন গোলরক্ষক আনশিকা। ঋতুপর্ণার কর্নার থেকে হেড করেন আঁখি, কিন্তু টপ কর্নারে হাত বাড়িয়ে কর্নারের বিনিময়ে বাইরে ঠেলে দেন আনশিকা।
৬৩তম মিনিটে অল্পের জন্য রক্ষা পায় বাংলাদেশ। গোলরক্ষক রুপনা চাকমা জায়গা ছেড়ে বের হয়ে এলে সুমাতি কুমারীর চিপ শট জাল খুঁজে পায়নি। ৭৩তম মিনিটে আবারও সুযোগ এসেছিল সুমাতি কুমারীর সামনে। মাঝমাঠে আঁখি বল ক্লিয়ার করতে না পারায় বল পেয়ে যান সুমাতি, খানিকটা এগিয়ে গিয়ে বক্সের সামনে থেকে শট নিলে তা বাইরে চলে যায়। ম্যাচের বাকি সময়ে আর ব্যবধান বাড়াতে পারেনি বাংলাদেশ।

ফুটসালে অভিজ্ঞতার ঝুলি খুব একটা ভারী নয় কারোরই। তাই লড়াই জমে উঠল বেশ। কখনো বাংলাদেশ এগিয়ে, আবার কখনো এগিয়ে ভারত। পড়তে পড়তে রোমাঞ্চ ছড়ানো ম্যাচে দিনশেষে অবশ্য জিতল না কেউই।
১৮ মিনিট আগে
প্রথমবার এসেই যেন বাংলাদেশের প্রেমে পড়ে গেছেন ব্রাজিলের ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার গিলবার্তো সিলভা। ফিফার দূত হিসেবে বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে যখন সিলভা ঢাকার হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে পা রেখেছেন, পাশে ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াও। অনুষ্ঠান যেভাবে আয়োজন করা হয়েছে, তাতে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন
৩১ মিনিট আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র ৩ সপ্তাহ বাকি থাকলেও এখনো বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা চলছে। বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত নন তানজিদ হাসান তামিম। এই বাঁ হাতি ব্যাটারের বিশ্বাস, বিষয়টি ভালোভাবেই দেখছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ও আইসিসি।
৩৩ মিনিট আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে আর বেশি দিন বাকি নেই। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে ছোট সংস্করণে বিশ্বকাপের দশম পর্ব। তার আগে ৩ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে পাকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়া।
১ ঘণ্টা আগে