অ্যানফিল্ডে গতরাতে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে লিভারপুল দল হয়ে উঠেছিল ‘গোলমেশিন’। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে ‘সেভেন আপের’ স্বাদ উপহার দিয়েছেন ইয়ুর্গেন ক্লপের শিষ্যরা। লিভারপুলের এই বিশাল জয় ক্লপের কাছে পাগলাটে মনে হচ্ছে।
৪৩ মিনিটে কোডি গাকপোর গোলে এগিয়ে যায় লিভারপুল। ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করে অলরেডরা। এমন শান্ত লিভারপুলের ‘অশান্ত’ রূপ দ্বিতীয়ার্ধে দেখে ম্যান ইউ। দ্বিতীয়ার্ধে ৬ গোল করেন ক্লপের শিষ্যরা। রেড ডেভিলদের বিপক্ষে ৭-০ গোলের রেকর্ড জয় পায় অলরেডরা। জোড়া গোল করেছেন গাকপো, ডারউইন নুনেজ ও মোহাম্মদ সালাহ। ৮৮ মিনিটে ইউনাইটেডের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেন রবার্তো ফিরমিনো।
লিভারপুলের এই বিশাল জয়ে ভীষণ উচ্ছ্বসিত ক্লপ। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে অল রেডদের কোচ বলেন, ‘এই ফল আসলেই পাগলাটে। সত্যিকারের সেরা পারফরম্যান্স এটা। আমরা যেভাবে ম্যাচ শুরু করেছি, আসলেই বিশেষ ছিল। দীর্ঘ সময় ধরে এটা সেরা হয়ে থাকবে। প্রতি মুহূর্তেই আমরা আগ্রাসী খেলেছি। কাউন্টার প্রেস করেছি। পারফরম্যান্স তো মহাগুরুত্বপূর্ণ। তিন পয়েন্ট পাওয়া আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ফল তো শুধুই ফল।’
এই জয়ে ২৫ ম্যাচে ৪২ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট তালিকায় পাঁচে উঠে এসেছে লিভারপুল। চার নম্বরে থাকা টটেনহামের পয়েন্ট ৪৫। নিউক্যাসল ও স্পার্সরা খেলেছে ২৬ ম্যাচ। ২৫ ম্যাচে ৪৯ পয়েন্ট নিয়ে তিনে ইউনাইটেড।

এই জয় তো এই হার—২০২৬ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের যাত্রাটা চলছে এভাবেই। উইন্ডহোকে ১৫ জানুয়ারি তানজানিয়াকে ৫ উইকেটে হারিয়েছিল উইন্ডিজ। একই মাঠে ১৮ জানুয়ারি আফগানিস্তানের কাছে ১৩৮ রানে হেরেছে ক্যারিবীয়রা। আজ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলতে নামবে উইন্ডিজ।
২২ মিনিট আগে
চিত্রনাট্যটা একই রকম। গত বিপিএলেও মেহেদী হাসান মিরাজের নেতৃত্বাধীন দল দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার থেকে ছিটকে গেছে। এবারও ঠিক একই ঘটনা ঘটেছে। পার্থক্য শুধু গত বছর খুলনা টাইগার্সের হয়ে খেলা মিরাজ এবার খেলেছেন সিলেট টাইটানসের হয়ে। সিলেটের প্রধান কোচ সোহেল ইসলামের মতে
১ ঘণ্টা আগে
লং অনে দারউইশ রাসুলি ক্যাচ ধরার পর শুরু হয়ে যায় উদ্যাপন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেট ব্যাটার ব্র্যান্ডন কিংয়ের (৫০) উইকেটটা তো আফগানদের জন্য দারুণ এক ব্রেকথ্রু ছিলই। সব ছাপিয়ে আলোচনায় আফগানিস্তানের রহস্যময় স্পিনার মুজিব উর রহমানের হ্যাটট্রিক।
২ ঘণ্টা আগে
মিরপুর শেরেবাংলায় পরশু ক্রিস ওকস ছক্কা মারার পরই কেঁদে ফেলেছিলেন ফাহিম আল চৌধুরী। ২৪ ঘণ্টা না যেতেই একই মাঠে ফের কাঁদলেন ফাহিম। তবে দুটি ঘটনার মধ্যে যে আকাশ-পাতাল ফারাক। পরশু সিলেটের জয়ের খুশিতে কাঁদলেও কাল কেঁদেছিলেন দলের বিদায়ে। রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের কাছে হারের পর ফিক্সিংয়ের গুরুতর অভিযোগ তুললেন সিল
২ ঘণ্টা আগে