
ঘানার বিপক্ষে পর্তুগালের প্রথম ম্যাচে ব্রুনো ফার্নান্দেজ করেছিলেন জোড়া অ্যাসিস্ট। আজ লুসাইলে উরুগুয়ের বিপক্ষে ফার্নান্দেজ করলেন জোড়া গোল। ফার্নান্দেজের জোড়া গোলে উরুগুয়েকে ২-০ গোলে হারিয়েছে পর্তুগাল। তাতে শেষ ষোলোয় পৌঁছে গেছে পর্তুগিজরা।
প্রথমার্ধে দুই দলের খেলার ধরন ছিল ভিন্ন রকম। উরুগুয়ের ফুটবলাররা ব্যস্ত ছিলেন শারীরিক শক্তি প্রদর্শনে। আর পর্তুগালের খেলোয়াড়েরা বারবার উরুগুয়ের রক্ষণভাগকে ব্যস্ত রাখছিলেন। প্রথম ৪৫ মিনিটে উরুগুয়ে ১০ বার ফাউল করেছিল এবং পর্তুগাল করেছিল দুইবার। প্রথমার্ধে রেফারিকে হলুদ কার্ড বের করতে হয়েছে তিনবার। উরুগুয়ের রদ্রিগো বেন্টাঙ্কুর ৬ মিনিটে এবং ম্যাথিয়াস অলিভিয়েরা ৪৪ মিনিটের সময় হলুদ কার্ড দেখেছিলেন পর্তুগালের রুবেন নেভেস ৩৮ মিনিটের সময় পেয়েছিলেন হলুদ কার্ড।
ম্যাচের ৩ মিনিটের সময় গোল করার সুযোগ এসেছিল উরুগুয়ের কাছে। এডিনসন কাভানির অ্যাসিস্টে গোল করার সুযোগ পেয়েও তা কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়েছেন অলিভিয়েরা। এরপরই আক্রমণে যায় পর্তুগাল। উইলিয়াম কারভালহোর ডান পায়ের শট বক্সের ওপর দিয়ে বেরিয়ে যায়। অ্যাসিস্ট করেছিলেন রোনালদো। ৮ মিনিটের সময় রোনালদোর হেড থেকে গোলের সুযোগ হাতছাড়া করেন ব্রুনো ফার্নান্দেজ। এরপর পর্তুগিজদের বেশ কয়েকটি শট উরুগুয়ের রক্ষণ দেওয়ালে প্রতিহত হয়। ৩২ মিনিটের সময় বেনটাঙ্কুর ‘ওয়ান টু ওয়ান’ সুযোগ পেয়েও পর্তুগিজ গোলরক্ষক দিয়েগো কস্তাকে পরাস্ত করতে পারেননি। আর গোলশূন্য ড্রয়ে থেকে শেষ হয় প্রথমার্ধ।
দ্বিতীয়ার্ধে গোলের দেখা পেতে পর্তুগালের খুব একটা সময় লাগেনি। ৫৪ মিনিটের সময় গোলপোস্টের কাছ থেকে হেড দিয়ে লক্ষ্যভেদ করেন রোনালদো। এই গোলে অ্যাসিস্ট করেছিলেন ফার্নান্দেজ।
শেষ পর্যন্ত গোলটা অবশ্য ফার্নান্দেজের নামেই গেছে। কেননা রোনালদো মাথা ছোঁয়াতে পেরেছেন কি না সেই ব্যাপারে একটু ধন্ধে পড়তে হয়েছিল। এরপর সমতায় ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে উরুগুয়ে।
তবে কিছুতেই যেন কিছু করতে পারছিলেন না উরুগুইয়ান ফুটবলাররা। তাতে উরুগুয়ের যেমন দুর্ভাগ্য ছিল, তেমনি পর্তুগিজ গোলরক্ষকেরও কৃতিত্ব ছিল। ৭৫ মিনিটের সময় ম্যাক্সিমিলানো গোমেজের শট আটকে যায় পর্তুগালের গোলপোস্টে। ৭৮ মিনিটের সময় লুইস সুয়ারেজের শটও একইভাবে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ৮০ মিনিটে উরুগুয়ের মিডফিল্ডার জর্জিয়ান ডি আরাসকিতার শট আটকে দেন দিয়োগো কস্তা।
আর নির্ধারিত সময়ের অতিরিক্ত সময়ে সুয়ারেজের হ্যান্ডবলে পেনাল্টি পেয়ে যায় পর্তুগাল। পেনাল্টিতে গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ফার্নান্দেজ। শেষের দিকে পর্তুগাল ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেলেও তা আর হয়নি। ২-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে পর্তুগাল।

ঘানার বিপক্ষে পর্তুগালের প্রথম ম্যাচে ব্রুনো ফার্নান্দেজ করেছিলেন জোড়া অ্যাসিস্ট। আজ লুসাইলে উরুগুয়ের বিপক্ষে ফার্নান্দেজ করলেন জোড়া গোল। ফার্নান্দেজের জোড়া গোলে উরুগুয়েকে ২-০ গোলে হারিয়েছে পর্তুগাল। তাতে শেষ ষোলোয় পৌঁছে গেছে পর্তুগিজরা।
প্রথমার্ধে দুই দলের খেলার ধরন ছিল ভিন্ন রকম। উরুগুয়ের ফুটবলাররা ব্যস্ত ছিলেন শারীরিক শক্তি প্রদর্শনে। আর পর্তুগালের খেলোয়াড়েরা বারবার উরুগুয়ের রক্ষণভাগকে ব্যস্ত রাখছিলেন। প্রথম ৪৫ মিনিটে উরুগুয়ে ১০ বার ফাউল করেছিল এবং পর্তুগাল করেছিল দুইবার। প্রথমার্ধে রেফারিকে হলুদ কার্ড বের করতে হয়েছে তিনবার। উরুগুয়ের রদ্রিগো বেন্টাঙ্কুর ৬ মিনিটে এবং ম্যাথিয়াস অলিভিয়েরা ৪৪ মিনিটের সময় হলুদ কার্ড দেখেছিলেন পর্তুগালের রুবেন নেভেস ৩৮ মিনিটের সময় পেয়েছিলেন হলুদ কার্ড।
ম্যাচের ৩ মিনিটের সময় গোল করার সুযোগ এসেছিল উরুগুয়ের কাছে। এডিনসন কাভানির অ্যাসিস্টে গোল করার সুযোগ পেয়েও তা কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়েছেন অলিভিয়েরা। এরপরই আক্রমণে যায় পর্তুগাল। উইলিয়াম কারভালহোর ডান পায়ের শট বক্সের ওপর দিয়ে বেরিয়ে যায়। অ্যাসিস্ট করেছিলেন রোনালদো। ৮ মিনিটের সময় রোনালদোর হেড থেকে গোলের সুযোগ হাতছাড়া করেন ব্রুনো ফার্নান্দেজ। এরপর পর্তুগিজদের বেশ কয়েকটি শট উরুগুয়ের রক্ষণ দেওয়ালে প্রতিহত হয়। ৩২ মিনিটের সময় বেনটাঙ্কুর ‘ওয়ান টু ওয়ান’ সুযোগ পেয়েও পর্তুগিজ গোলরক্ষক দিয়েগো কস্তাকে পরাস্ত করতে পারেননি। আর গোলশূন্য ড্রয়ে থেকে শেষ হয় প্রথমার্ধ।
দ্বিতীয়ার্ধে গোলের দেখা পেতে পর্তুগালের খুব একটা সময় লাগেনি। ৫৪ মিনিটের সময় গোলপোস্টের কাছ থেকে হেড দিয়ে লক্ষ্যভেদ করেন রোনালদো। এই গোলে অ্যাসিস্ট করেছিলেন ফার্নান্দেজ।
শেষ পর্যন্ত গোলটা অবশ্য ফার্নান্দেজের নামেই গেছে। কেননা রোনালদো মাথা ছোঁয়াতে পেরেছেন কি না সেই ব্যাপারে একটু ধন্ধে পড়তে হয়েছিল। এরপর সমতায় ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে উরুগুয়ে।
তবে কিছুতেই যেন কিছু করতে পারছিলেন না উরুগুইয়ান ফুটবলাররা। তাতে উরুগুয়ের যেমন দুর্ভাগ্য ছিল, তেমনি পর্তুগিজ গোলরক্ষকেরও কৃতিত্ব ছিল। ৭৫ মিনিটের সময় ম্যাক্সিমিলানো গোমেজের শট আটকে যায় পর্তুগালের গোলপোস্টে। ৭৮ মিনিটের সময় লুইস সুয়ারেজের শটও একইভাবে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ৮০ মিনিটে উরুগুয়ের মিডফিল্ডার জর্জিয়ান ডি আরাসকিতার শট আটকে দেন দিয়োগো কস্তা।
আর নির্ধারিত সময়ের অতিরিক্ত সময়ে সুয়ারেজের হ্যান্ডবলে পেনাল্টি পেয়ে যায় পর্তুগাল। পেনাল্টিতে গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ফার্নান্দেজ। শেষের দিকে পর্তুগাল ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেলেও তা আর হয়নি। ২-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে পর্তুগাল।

একটা সময় মনে হয়েছিল, রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে সহজেই জিতবে রংপুর রাইডার্স। বিশেষ করে, যখন উইকেটে ওপেনার ডেভিড মালানের সঙ্গে ব্যাট করছিলেন তাওহীদ হৃদয়। কিন্তু দুজনের সেঞ্চুরি জুটির পরও জমে উঠল ম্যাচ। নিষ্পত্তির জন্য খেলা গড়াল সুপার ওভারে। এই সুপার ওভারে জিতেছে রাজশাহী।
৩ ঘণ্টা আগে
গত দুই সপ্তাহ ধরে বাংলাদেশ ফুটবল লিগের খেলা দেখা যাচ্ছে না কোনো টিভি চ্যানেলে। এমনকি চুক্তি করা ওটিটি প্লাটফর্মেও দেখা যায়নি। কাল লিগের প্রথম পর্বের শেষ রাউন্ডের একটি ম্যাচ রয়েছে। সেই ম্যাচও দেখা যাবে না।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় ফুটবল দলে ঢোকার দরজা সাবিনা খাতুনের জন্য আপাতত বন্ধই রয়েছে। ২০২৪ সালে তাঁর নেতৃত্বে সাফ জিতেছিল বাংলাদেশ। সেটাই হয়ে থাকে অভিজ্ঞ এই ফরোয়ার্ডের শেষ ম্যাচ। কোচ পিটার বাটলারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের ডাক দেওয়ার পর জাতীয় দলে আর ডাক পাননি তিনি।
৭ ঘণ্টা আগে
শামীম হোসেন পাটোয়ারী খেলছিলেন তাঁর মতো করে। উইকেটের চতুর্দিকে বাহারি শটের পসরা সাজিয়ে করেছেন ফিফটি। ইনিংসের শেষ বল পর্যন্ত খেলেছেন । তবে সতীর্থদের কাছ থেকে যে তেমন সমর্থন পাননি। সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে স্বাগতিক সিলেট টাইটান্সের কাছে ৬ রানে হেরেছে ঢাকা ক্যাপিটালস।
৮ ঘণ্টা আগে