নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

অনূর্ধ্ব-১৯ নারী সাফের ফাইনালে খেলছেন মোসাম্মৎ সাগরিকা। বাবা লিটন আলী ও মা আনজু বেগম প্রথমবারের মতো মেয়ের খেলা মাঠে বসে দেখবেন বলে চলে এসেছেন ঢাকায়। তবে মেয়ে আবার বাবা-মায়ের এই আগমন সম্পর্কে জানেন না। সাগরিকাকে চমকে দেওয়ার জন্য লিটন আলী ও আনজু বেগমের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস!
কমলাপুরের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে অনূর্ধ্ব-১৯ নারী সাফের ফাইনালে আজ ভারতের মুখোমুখি স্বাগতিক বাংলাদেশ। সাইফুল বারী টিটুর দল যে আজ ফাইনালে খেলছে তার পেছনে বড় অবদান ঠাকুরগাঁওয়ের রাঙ্গাটুঙ্গীর মেয়ে সাগরিকার। নেপালের বিপক্ষে দুই আর ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ জেতানো একমাত্র গোলটি এসেছে সাগরিকার পা থেকে। তিন গোলে বাংলাদেশের ফুটবল প্রেমীদের মনে জায়গা করে নিয়েছেন বয়সভিত্তিক নারী ফুটবলে বাংলাদেশের নতুন এই আবিষ্কার।
মেয়ে মাঠ কাঁপাচ্ছে, অথচ বাবা-মা হয়ে রাঙ্গাটুঙ্গীতে বসে থাকবেন; সেটি কী করে হয়! তাই গতকাল রাতে ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল থেকে ট্রেনে করে আজ ঢাকায় এসেছেন সাগরিকার বাবা-মা। এসে একটি ইলেকট্রনিকস প্রতিষ্ঠান থেকে নিয়েছেন টেলিভিশনও। মেয়ের খেলা দেখতে নেপালের বিপক্ষে ম্যাচে টেলিভিশন ধার করতে হয়েছিল সাগরিকার বাবা লিটন আলীকে।
টেলিভিশন নিয়েই কমলাপুর স্টেডিয়ামের প্রেসবক্সে এসে বসলেন লিটন আলী ও আরজু বেগম। মেয়ের খেলা দেখে যেমন গর্বের কথাও জানালেন, শোনালেন আক্ষেপের কথাও। বাবা লিটনই জানালেন, মেয়েকে এক জোড়া বুট জুতা উপহার দিতে না পারার যন্ত্রণায় কীভাবে জ্বলছেন তিনি। সেই যন্ত্রণা নিয়ে বললেন, ‘টুর্নামেন্টের আগে মেয়ে আমার কাছে এক জোড়া বুট চেয়েছিল। বুটের দাম ৪ হাজার টাকা। আমি দিতে পারিনি। মেয়ে বলল, আচ্ছা লাগবে না।’
যে মেয়েকে নিয়ে এত গর্ব লিটন আর আরজু দম্পতির, সেই মেয়ে ফুটবল খেলবে বলায় এক মাস মেয়ের সঙ্গে কথাই বলেননি বাবা লিটন। গ্রামের মানুষ কী বলবে, সেই ভয় থেকে মেয়েকে ফুটবল খেলতে দিতে চাননি বাবা। সে সময়ের গল্পটা লিটন বললেন এভাবে, ‘কিছু লোক বলছিল, ফুটবল খেললে মেয়ে নষ্ট হয়ে যাবে। ছেলেদের মতো করে ফুটবল খেলবে, কেমন দেখা যাবে! সেই থেকে এক মাস মেয়ের সঙ্গে কথা বলিনি। মেয়ে কেঁদেছে। ও আমার সঙ্গে কথা বলেনি, আমিও বলিনি।’
গত নারী লিগে এফসি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার হয়ে ১০ গোল করে বাফুফের ক্যাম্পে এসেছেন সাগরিকা। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার হয়ে খেলতে গ্রাম ছাড়ার পর গ্রামবাসী রটিয়ে দিয়েছিল, প্রেমিকের হাত ধরে পালিয়েছে সাগরিকা! এক সময়ের বাঁকা কথা বলাই গ্রামবাসী আজ প্রজেক্টরে খেলা দেখবে সাগরিকার।
জাতীয় দলের হয়ে খেলেছেন অনূর্ধ্ব-১৭ এএফসি কাপের বাছাইপর্বে। প্রথম রাউন্ডে সিঙ্গাপুর ও দ্বিতীয় রাউন্ডে ভিয়েতনামেও খেলে এসেছেন। তবে সাগরিকাকে বাংলাদেশ চিনেছে ঘরের মাঠে এবারের সাফ টুর্নামেন্ট দিয়ে। পত্রপত্রিকায় ফলাও করে ছাপা হচ্ছে তাঁর ছবি। এক সময়ের বাঁকা কথা বলাই গ্রামবাসী আজ প্রজেক্টরে খেলা দেখবে সাগরিকার। মেয়ের ছবি দেখে গর্বিত মা আরজু বেগম বললেন, ‘একজন বললেন, পত্রিকায় সাগরিকার ছবি বড় করে ছেপেছে। দেখো, সাগরিকাকে চেনাই যাচ্ছে না। আমরা বললাম দেখিনি। তখন অনেকগুলো পত্রিকা আনা হলো। ওকে (সাগরিকা) দেখে মনে হলো যেন বিদেশি কোনো মেয়ে!’

অনূর্ধ্ব-১৯ নারী সাফের ফাইনালে খেলছেন মোসাম্মৎ সাগরিকা। বাবা লিটন আলী ও মা আনজু বেগম প্রথমবারের মতো মেয়ের খেলা মাঠে বসে দেখবেন বলে চলে এসেছেন ঢাকায়। তবে মেয়ে আবার বাবা-মায়ের এই আগমন সম্পর্কে জানেন না। সাগরিকাকে চমকে দেওয়ার জন্য লিটন আলী ও আনজু বেগমের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস!
কমলাপুরের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে অনূর্ধ্ব-১৯ নারী সাফের ফাইনালে আজ ভারতের মুখোমুখি স্বাগতিক বাংলাদেশ। সাইফুল বারী টিটুর দল যে আজ ফাইনালে খেলছে তার পেছনে বড় অবদান ঠাকুরগাঁওয়ের রাঙ্গাটুঙ্গীর মেয়ে সাগরিকার। নেপালের বিপক্ষে দুই আর ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ জেতানো একমাত্র গোলটি এসেছে সাগরিকার পা থেকে। তিন গোলে বাংলাদেশের ফুটবল প্রেমীদের মনে জায়গা করে নিয়েছেন বয়সভিত্তিক নারী ফুটবলে বাংলাদেশের নতুন এই আবিষ্কার।
মেয়ে মাঠ কাঁপাচ্ছে, অথচ বাবা-মা হয়ে রাঙ্গাটুঙ্গীতে বসে থাকবেন; সেটি কী করে হয়! তাই গতকাল রাতে ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল থেকে ট্রেনে করে আজ ঢাকায় এসেছেন সাগরিকার বাবা-মা। এসে একটি ইলেকট্রনিকস প্রতিষ্ঠান থেকে নিয়েছেন টেলিভিশনও। মেয়ের খেলা দেখতে নেপালের বিপক্ষে ম্যাচে টেলিভিশন ধার করতে হয়েছিল সাগরিকার বাবা লিটন আলীকে।
টেলিভিশন নিয়েই কমলাপুর স্টেডিয়ামের প্রেসবক্সে এসে বসলেন লিটন আলী ও আরজু বেগম। মেয়ের খেলা দেখে যেমন গর্বের কথাও জানালেন, শোনালেন আক্ষেপের কথাও। বাবা লিটনই জানালেন, মেয়েকে এক জোড়া বুট জুতা উপহার দিতে না পারার যন্ত্রণায় কীভাবে জ্বলছেন তিনি। সেই যন্ত্রণা নিয়ে বললেন, ‘টুর্নামেন্টের আগে মেয়ে আমার কাছে এক জোড়া বুট চেয়েছিল। বুটের দাম ৪ হাজার টাকা। আমি দিতে পারিনি। মেয়ে বলল, আচ্ছা লাগবে না।’
যে মেয়েকে নিয়ে এত গর্ব লিটন আর আরজু দম্পতির, সেই মেয়ে ফুটবল খেলবে বলায় এক মাস মেয়ের সঙ্গে কথাই বলেননি বাবা লিটন। গ্রামের মানুষ কী বলবে, সেই ভয় থেকে মেয়েকে ফুটবল খেলতে দিতে চাননি বাবা। সে সময়ের গল্পটা লিটন বললেন এভাবে, ‘কিছু লোক বলছিল, ফুটবল খেললে মেয়ে নষ্ট হয়ে যাবে। ছেলেদের মতো করে ফুটবল খেলবে, কেমন দেখা যাবে! সেই থেকে এক মাস মেয়ের সঙ্গে কথা বলিনি। মেয়ে কেঁদেছে। ও আমার সঙ্গে কথা বলেনি, আমিও বলিনি।’
গত নারী লিগে এফসি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার হয়ে ১০ গোল করে বাফুফের ক্যাম্পে এসেছেন সাগরিকা। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার হয়ে খেলতে গ্রাম ছাড়ার পর গ্রামবাসী রটিয়ে দিয়েছিল, প্রেমিকের হাত ধরে পালিয়েছে সাগরিকা! এক সময়ের বাঁকা কথা বলাই গ্রামবাসী আজ প্রজেক্টরে খেলা দেখবে সাগরিকার।
জাতীয় দলের হয়ে খেলেছেন অনূর্ধ্ব-১৭ এএফসি কাপের বাছাইপর্বে। প্রথম রাউন্ডে সিঙ্গাপুর ও দ্বিতীয় রাউন্ডে ভিয়েতনামেও খেলে এসেছেন। তবে সাগরিকাকে বাংলাদেশ চিনেছে ঘরের মাঠে এবারের সাফ টুর্নামেন্ট দিয়ে। পত্রপত্রিকায় ফলাও করে ছাপা হচ্ছে তাঁর ছবি। এক সময়ের বাঁকা কথা বলাই গ্রামবাসী আজ প্রজেক্টরে খেলা দেখবে সাগরিকার। মেয়ের ছবি দেখে গর্বিত মা আরজু বেগম বললেন, ‘একজন বললেন, পত্রিকায় সাগরিকার ছবি বড় করে ছেপেছে। দেখো, সাগরিকাকে চেনাই যাচ্ছে না। আমরা বললাম দেখিনি। তখন অনেকগুলো পত্রিকা আনা হলো। ওকে (সাগরিকা) দেখে মনে হলো যেন বিদেশি কোনো মেয়ে!’

এই বিপিএলই বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি দলের বিশ্বকাপ প্রস্তুতির টুর্নামেন্ট। ৩৪ ম্যাচের চলতি বিপিএলে এরই মধ্যেই হয়ে গেছে অর্ধেকের বেশি, ২০টি ম্যাচ। তো এ পর্যায়ে এসে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাংলাদেশ দলে থাকা ক্রিকেটারদের প্রস্তুতিটা কেমন হলো?
৩৩ মিনিট আগে
রিশাদ হোসেনের মতো তাঁর দল হোবার্ট হারিকেন্সও বিগ ব্যাশে দারুণ সময় পার করছে। টানা জয়ে টেবিলের শীর্ষে অবস্থান করছে তারা। তবে নবম ম্যাচে তাদের সামনে বাধা হয়ে দাঁড়াল বৃষ্টি। অপয়া বৃষ্টিতে ভেসে গেল সিডনি স্ট্রাইকার্সের সঙ্গে হোবার্টের ম্যাচটি।
১ ঘণ্টা আগে
শীর্ষেই ছিল রংপুর রাইডার্স। কিন্তু চট্টগ্রাম রয়্যালসের দাপটে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) এবারের পর্বের লিগ টেবিলের দুইয়ে নেমে যেতে হয়েছে তাদের। হারানো সিংহাসন ফিরে পাওয়ার মিশনে আজ দুপুরে মাঠে নামবে নুরুল হাসান সোহানের দল। তাদের প্রতিপক্ষ রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। বিপিএলে দিনের অপর ম্যাচে ঢাকা ক্যাপিট
১ ঘণ্টা আগে
বর্ণাঢ্য ক্লাব ক্যারিয়ার মোহাম্মদ সালাহর। চেলসি, লিভারপুলের মতো ইউরোপসেরা ক্লাবের হয়ে সম্ভাব্য সব ধরনের শিরোপা জিতেছেন এই ফরোয়ার্ড। কিন্তু কখনো মিসরের হয়ে শিরোপা উঁচিয়ে ধরা হয়নি তাঁর। সেই অপেক্ষার পালা শেষ করতে আরেকটি সুযোগ পেয়েছেন তিনি। আফ্রিকান কাপ অব নেশনসের সেমিফাইনালে উঠেছে সালাহর মিসর।
২ ঘণ্টা আগে