চেষ্টা করেই যাচ্ছেন হামজা চৌধুরী। একা আর কতটুকুই বা করতে পারবেন। গোল করা তাঁর কাজের মধ্যে পড়ে না। সুযোগ এলে কেনই বা নষ্ট করতে চাইবেন। মাঠের সবক্ষেত্রে নিজেকে উজার করে দিচ্ছেন এই মিডফিল্ডার। কিন্তু বাংলাদেশ পাচ্ছে না কাঙ্ক্ষিত জয়। গতকাল সিঙ্গাপুরের কাছে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের ম্যাচে হেরেছে ১–০ গোলে।
সিঙ্গাপুরের জাতীয় স্টেডিয়ামে সেরা দল ছিল বাংলাদেশই। গোল বাদে সবকিছুতেই এগিয়ে ছিল। গোলের খোঁজে হামজাকেও কিছুটা বিরক্ত দেখা গেছে। যদিও ম্যাচ শেষে কোনো আফসোস নেই তাঁর।
গতকাল মিক্সড জোনে হামজা বলেন, ‘আমাদের কোনো আফসোস নেই। আল্লাহর রহমতে আমরা ভালো খেলেছি, কেবল ফলাফল আমাদের পক্ষে আসেনি। সারা সপ্তাহ কঠোর পরিশ্রম করেছি। আমি যেমনটা বলেছি, শেষ মুহূর্তের ভুলগুলো ইনশা আল্লাহ ঠিক হয়ে যাবে। আমি গত এক বছরে দলের ভেতরে যে পরিবর্তন এবং ফুটবল শৈলীর উন্নতি দেখেছি, সেটিই বড় কথা। ইনশাআল্লাহ আমরা ফিনিশিংয়ের সমস্যা সমাধান করতে পারব।’
আগামীতে অনেক সাফল্য অপেক্ষা করছে। তাই খানিকটা ধৈর্য ধরতে বললেন হামজা, ‘কেউ খেলা দেখলে বুঝতে পারবেন যে আমরাই তুলনামূলক ভালো দল ছিলাম। আমি পরিসংখ্যান জানি না, তবে বলের দখল এবং সুযোগ তৈরির দিক থেকে আমরাই এগিয়ে ছিলাম। আমরা ভুল করেছি আর তারা গোল দিয়ে দিয়েছে। তাই পরিশেষে আমাদের দ্রুত শিখতে হবে। আমাদের খেলার ধরন দেখে মুগ্ধ হবেন। আমি বিশ্বাস করি সামনে অনেক সাফল্য অপেক্ষা করছে, আমাদের শুধু ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’
হামজাদের জন্য গলা ফাটিয়েছেন প্রায় ৬ হাজার প্রবাসী বাংলাদেশি। যা বিশ্বাসই হচ্ছিল না হামজার। তিনি বলেন, ‘সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ, আলহামদুলিল্লাহ। আপনারা আমাদের অনেক সমর্থন দিয়েছেন। স্টেডিয়ামে তো বটেই, এমনকি তার আগেও সিঙ্গাপুরে এত দর্শক দেখে আমি বিশ্বাসই করতে পারছিলাম না। মনে হচ্ছিল বিদেশের মাটিতেও আমরা নিজেদের ঘরেই আছি। তারা বিশ্বের সেরা সমর্থক, আলহামদুলিল্লাহ। তাই সবার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা এবং ইনশাআল্লাহ এভাবেই আমাদের সমর্থন দিয়ে যাবেন।’

ফুটবল যে এমনই। বিশেষ করে নকআউট রাউন্ডের ম্যাচে একদিকে কোনো দল ভাসে আনন্দে। ঠিক তেমনই প্রতিপক্ষ দলে পড়ে যায় কান্নার রোল। মেক্সিকোর গুয়াদালুপ স্টেডিয়ামে আজ ইরাক-বলিভিয়া ম্যাচটা তেমনই। আন্ত:মহাদেশীয় প্লে-অফ ফাইনালে বলিভিয়াকে কাঁদিয়ে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের টিকিট কাটল ইরাক।
৩ মিনিট আগে
ঘড়ির কাঁটা ঘুরিয়ে ২০ বছর আগে ফিরে যাওয়া যাক। বার্লিনে ফ্রান্সকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জয়ের উৎসবে মেতে উঠেছিল ইতালি। ব্রাজিলের পাঁচবারের শিরোপার পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ চারবার শিরোপা জেতে আজ্জুরিরা। আন্দ্রে পিরলো, মার্কো মাতারাজ্জি, আলেহান্দ্রো দেল পিয়েরোরা ছিলেন সেই দলে। কিন্তু সেসব এখন অতীত।
৪৩ মিনিট আগে
এবারের অনূর্ধ্ব-২০ সাফে দুর্দান্ত খেলছে বাংলাদেশ। পাকিস্তানের বিপক্ষে ২-০ গোলে জয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করা বাংলাদেশ এরপর ড্র করে ভারতের সঙ্গে। আজ রোনান সুলিভান-মুরশেদ আলীরা ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে নেপালের মুখোমুখি হবে। মালে জাতীয় স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় বেলা ৪টা ৪৫ মিনিটে শুরু হবে বাংলাদেশ-নেপাল সেমিফাইনাল
১ ঘণ্টা আগে
ভারত ম্যাচে লাল কার্ড দেখায় অবশ্য নেপালের বিপক্ষে ডাগ আউটে থাকবেন না কক্স। তবে নিজের শিষ্যদের ওপর পূর্ণ আস্থা আছে তাঁর। তাই প্রতিপক্ষই বাংলাদেশকে নিয়ে দুশ্চিন্তা করবে। তিনি বলেন, ‘এটি একটি দুর্দান্ত টুর্নামেন্ট। প্রতিপক্ষ যে-ই হোক না কেন, লড়াইটা কঠিন হবে। তবে আমরা আমাদের নিজস্ব কৌশলে ফুটবল খেলব, বরং
২ ঘণ্টা আগে