
আর্জেন্টিনার হারিয়ে বিশ্বকাপ জয়ের পর মাঠেই লিওনেল মেসিকে জড়িয়ে ধরেছিলেন লামিনে ইয়ামাল। এমন একটি ভিডিও ম্যাচের পরই ভাইরাল হয়েছে। তবে শুধু ইয়ামালই নয়, আর্জেন্টিনার অধিনায়ককে জড়িয়ে ধরেছিলেন স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ের নায়ক ফেরান তোরেসও।
নিউজার্সি স্টেডিয়ামে হওয়া ফাইনালে তোরেসের একমাত্র গোলে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দে ভাসে স্পেন। ম্যাচ শেষে গোলের চেয়েও বেশি আলোচনায় এসেছে মেসির প্রতি এই ফরোয়ার্ডের ভালোবাসার গল্প।
টেলিভিশন সম্প্রচারে দৃশ্যটি ধরা না পড়লেও স্পোর্টস ফ্যানস নামের একটি পেজে প্রকাশ হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, শেষ বাঁশি বাজতেই প্রথমে সতীর্থ মার্ক কুকুরেয়া ও মার্কোস লোরেন্তেসহ কয়েকজন সতীর্থের সঙ্গে শিরোপা উদযাপন করেন তোরেস। এরপরই সোজা ছুটে যান মেসির কাছে।
মেসি তখন মাঠের এক পাশে দুই হাত কোমরে রেখে দাঁড়িয়ে স্পেনের উদযাপন এবং সতীর্থদের হতাশা নীরবে দেখছিলেন। এমন মুহূর্তেই তাঁকে জড়িয়ে ধরেন তোরেস। এরপর এলএমটেনের গালে চুমু দেন। দুজনকে কিছু কথা বলতেও দেখা যায়।
তোরেসের এই আচরণ স্পেনের ফুটবলারদের কাছে মেসির গ্রহণযোগ্যতা ও মর্যাদারই প্রতিফলন। বার্সেলোনায় দীর্ঘ ক্যারিয়ারে মেসি যে উত্তরাধিকার রেখে গেছেন, তা এখনো বর্তমান প্রজন্মের খেলোয়াড়দের অনুপ্রাণিত করে। যদিও তোরেস কখনো মেসির সঙ্গে খেলেননি। ২০২২ সালে বার্সায় যোগ দেওয়ার পর খুব সহজেই ক্লাবটির ইতিহাসে আর্জেন্টাইন কিংবদন্তির প্রভাব বুঝতে পেরেছেন তিনি।
ইয়ামাল ও তোরেসের মতো পেদ্রিও শিরোপা উদযাপনের ফাঁকে মেসির সঙ্গে দেখা করেন। বার্সায় শেষ সময়গুলোতে তারকা ফরোয়ার্ডের সতীর্থ ছিলেন স্পেনের এই তরুণ ফুটবলার।

অন্য সতীর্থদের মতো এমিলিয়ানো মার্তিনেসও বিশ্বকাপ ফাইনালে হারের কষ্ট এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেননি। আর্জেন্টিনার হয়ে টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন পূরণ না হওয়ায় হতাশ এই গোলরক্ষক এবার নিজের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন।
২ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপ মিশন শেষে সোমবার দিবাগত রাতে দেশে ফেরেন আর্জেন্টিনার বেশিরভাগ ফুটবলার। যে কয়েকজন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছিলেন, লিওনেল মেসি তাঁদের মধ্যে অন্যতম। এবার এই তারকা ফরোয়ার্ডও দেশে ফিরলেন।
২ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে হারের পর লিওনেল মেসির অশ্রুসিক্ত মুখ ভক্তদের হৃদয়ে নাড়া দিয়েছে। অনেকের দাবি, আর্জেন্টিনার হয়ে শেষ ম্যাচ খেলে ফেলেছেন ৩৯ বছর বয়সী ফুটবলার। তবে বিশ্বকাপ ফাইনালই মেসির শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ নয়—এমনটাই জানিয়েছেন টিওয়াইসি স্পোর্টসের সাংবাদিক গাস্তন এদুল।
৩ ঘণ্টা আগে
২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ সবে শেষ হয়েছে। তবে এরই মধ্যে আগামী বিশ্বকাপ নিয়ে শুরু হচ্ছে জল্পনা-কল্পনা। আর্জেন্টিনা ২০৩০ বিশ্বকাপের আয়োজক হলেও টুর্নামেন্টের আগে তাদের বাছাইপর্ব খেলতে হবে।
৩ ঘণ্টা আগে