
কয়েক বছর আগেও লিওনেল মেসি ও সার্জিও রামোসের সম্পর্ক ছিল সাপে-নেউলে। লা লিগায় সুযোগ পেলেই একজন আরেকজনকে খোঁচা মারতেন। আর এখন তাঁরা ক্লাব সতীর্থ হয়ে খেলছেন একসঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে। তাঁদের মধ্যে যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি হয়েছে, প্রীতি ম্যাচের পেনাল্টি তারই প্রমাণ দিয়েছে। ম্যাচে নিজের পেনাল্টি মারতে দিয়েছেন রামোসকে।
নতুন কোচ ক্রিস্টোফার গালতিয়েরের অধীনে প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমেছিল প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি)। পরশু পিএসজির প্রীতি ম্যাচটি ছিল ফ্রান্সের দ্বিতীয় বিভাগের দল কেভি রুয়োর বিপক্ষে। গালতিয়েরের শুরুর একাদশে ছিলেন একসময়ের দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মেসি ও রামোস। ম্যাচের ৩৩ মিনিটে ডি-বক্সের ভেতরে মেসি ফাউলের শিকার হয়েছিলেন। রেফারি পেনাল্টির সিদ্ধান্ত নিতেও কালক্ষেপণ করেননি। তবে স্পট কিকটি আর্জেন্টাইন তারকা করেননি। তিনি পেনাল্টিটি রামোসকে মারতে দিয়েছিলেন। আর স্প্যানিশ ডিফেন্ডার সুযোগ পেয়ে নিজের কাজটা করেছেন ঠিকঠাকভাবে। বিরতির পর পিএসজি আরও ১টি গোল করেছে। ৫৫ মিনিটে জেইদি গাসসামা পিএসজির হয়ে দ্বিতীয় গোল করেছেন। মেসি-রামোসরা মাঠ ছাড়েন ২-০ গোলের জয়ের ব্যবধানে। এই ম্যাচের স্কোয়াডে ছিলেন না কিলিয়ান এমবাপ্পে ও নেইমার দুজনেই।
মেসি ও রামোস সতীর্থ হবেন এমনটা কখনোই কল্পনা করা যেত না। দুজনের সম্পর্ক এতটাই খারাপ ছিল যে মাঠে একজন আরেকজনকে কখনো ছেড়ে কথা বলতেন না। কিন্তু নিয়তি তো আর মানবের কথায় চলে না। তাঁরা দুজন পিএসজিতে এসেছিলেন অদ্ভুত ও অপ্রত্যাশিত ঘটনার মধ্যে দিয়ে। মেসি কখনো কল্পনা করেননি প্রিয় ক্লাব বার্সেলোনাকে ছাড়তে হবে। কিন্তু লা লিগার আর্থিক নিয়মের কাছে হার মানতে হয় তাঁকে ও ক্লাবকে। পরে তিনি পিএসজিতে যোগ দেন ফ্রি খেলোয়াড় হিসেবে। রিয়াল মাদ্রিদ কিংবদন্তি রামোসও পিএসজিতে যোগ দেন ফ্রি খেলোয়াড় হয়ে। স্পেনের ক্লাবটি রামোসের সঙ্গে আর চুক্তি নবায়ন করেনি।

কয়েক বছর আগেও লিওনেল মেসি ও সার্জিও রামোসের সম্পর্ক ছিল সাপে-নেউলে। লা লিগায় সুযোগ পেলেই একজন আরেকজনকে খোঁচা মারতেন। আর এখন তাঁরা ক্লাব সতীর্থ হয়ে খেলছেন একসঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে। তাঁদের মধ্যে যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি হয়েছে, প্রীতি ম্যাচের পেনাল্টি তারই প্রমাণ দিয়েছে। ম্যাচে নিজের পেনাল্টি মারতে দিয়েছেন রামোসকে।
নতুন কোচ ক্রিস্টোফার গালতিয়েরের অধীনে প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমেছিল প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি)। পরশু পিএসজির প্রীতি ম্যাচটি ছিল ফ্রান্সের দ্বিতীয় বিভাগের দল কেভি রুয়োর বিপক্ষে। গালতিয়েরের শুরুর একাদশে ছিলেন একসময়ের দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মেসি ও রামোস। ম্যাচের ৩৩ মিনিটে ডি-বক্সের ভেতরে মেসি ফাউলের শিকার হয়েছিলেন। রেফারি পেনাল্টির সিদ্ধান্ত নিতেও কালক্ষেপণ করেননি। তবে স্পট কিকটি আর্জেন্টাইন তারকা করেননি। তিনি পেনাল্টিটি রামোসকে মারতে দিয়েছিলেন। আর স্প্যানিশ ডিফেন্ডার সুযোগ পেয়ে নিজের কাজটা করেছেন ঠিকঠাকভাবে। বিরতির পর পিএসজি আরও ১টি গোল করেছে। ৫৫ মিনিটে জেইদি গাসসামা পিএসজির হয়ে দ্বিতীয় গোল করেছেন। মেসি-রামোসরা মাঠ ছাড়েন ২-০ গোলের জয়ের ব্যবধানে। এই ম্যাচের স্কোয়াডে ছিলেন না কিলিয়ান এমবাপ্পে ও নেইমার দুজনেই।
মেসি ও রামোস সতীর্থ হবেন এমনটা কখনোই কল্পনা করা যেত না। দুজনের সম্পর্ক এতটাই খারাপ ছিল যে মাঠে একজন আরেকজনকে কখনো ছেড়ে কথা বলতেন না। কিন্তু নিয়তি তো আর মানবের কথায় চলে না। তাঁরা দুজন পিএসজিতে এসেছিলেন অদ্ভুত ও অপ্রত্যাশিত ঘটনার মধ্যে দিয়ে। মেসি কখনো কল্পনা করেননি প্রিয় ক্লাব বার্সেলোনাকে ছাড়তে হবে। কিন্তু লা লিগার আর্থিক নিয়মের কাছে হার মানতে হয় তাঁকে ও ক্লাবকে। পরে তিনি পিএসজিতে যোগ দেন ফ্রি খেলোয়াড় হিসেবে। রিয়াল মাদ্রিদ কিংবদন্তি রামোসও পিএসজিতে যোগ দেন ফ্রি খেলোয়াড় হয়ে। স্পেনের ক্লাবটি রামোসের সঙ্গে আর চুক্তি নবায়ন করেনি।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় যত ঘনিয়ে আসছে, বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তত বাড়ছে। ভারত থেকে লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমদের ভেন্যু সরাতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) কাছে দফায় দফায় চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এমনকি গতকাল বিসিবি-আইসিসি ভিডিও কনফারেন্সও করেছে।
২৮ মিনিট আগে
ফুটসালে অভিজ্ঞতার ঝুলি খুব একটা ভারী নয় কারোরই। তাই লড়াই জমে উঠল বেশ। কখনো বাংলাদেশ এগিয়ে, আবার কখনো এগিয়ে ভারত। পড়তে পড়তে রোমাঞ্চ ছড়ানো ম্যাচে দিনশেষে অবশ্য জিতল না কেউই।
১ ঘণ্টা আগে
প্রথমবার এসেই যেন বাংলাদেশের প্রেমে পড়ে গেছেন ব্রাজিলের ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার গিলবার্তো সিলভা। ফিফার দূত হিসেবে বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে যখন সিলভা ঢাকার হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে পা রেখেছেন, পাশে ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াও। অনুষ্ঠান যেভাবে আয়োজন করা হয়েছে, তাতে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন
১ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র ৩ সপ্তাহ বাকি থাকলেও এখনো বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা চলছে। বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত নন তানজিদ হাসান তামিম। এই বাঁ হাতি ব্যাটারের বিশ্বাস, বিষয়টি ভালোভাবেই দেখছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ও আইসিসি।
২ ঘণ্টা আগে