
ঢাকা: বর্ণময় এক ক্যারিয়ার ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর। যেখানে এখন পর্যন্ত করেছেন ৭৭৭ গোল। দুর্দান্ত সব গোলের সঙ্গে দারুণ সব মুহূর্তও উপহার দিয়েছেন তিনি। এত গোল ও অনন্য সব মুহূর্তের ভিড়ে একটা বেছে নেওয়া খুবই কঠিন। রোনালদো সেই কঠিন কাজটাই করেছেন সম্প্রতি। বেছে নিয়েছেন নিজের সেরা গোল, ক্যারিয়ারের সেরা মুহূর্ত।
ইউরোর প্রস্তুতি নিতে পর্তুগালে জাতীয় দলের সঙ্গে আছেন রোনালদো। সেখানেই কথা বলেছেন ক্যারিয়ারের সেরা মুহূর্ত ও সেরা গোল নিয়ে। জানিয়েছেন আসন্ন ইউরো নিয়ে নিজের ভাবনাও। পর্তুগালের হয়ে রোনালদোর সেরা সাফল্যে ২০১৬ ইউরো জয়। ক্যারিয়ারের সেরা মুহূর্ত হিসেবে বেছে নিয়েছেন ইউরো জয়কেই।
যদিও চোটের কারণে ইউরোর সেই ফাইনালে বেশিক্ষণ খেলতে পারেননি রোনালদো। ডাগআউটে বসেই কাটাতে হয়েছে বেশির ভাগ সময়। তবে পুরো ম্যাচে সাইডলাইন থেকে সতীর্থদের উৎসাহ জুগিয়ে গেছেন। সেদিন অনেকটা ছায়া কোচের দায়িত্ব পালন করে গেছেন তিনি। সে ম্যাচ দিয়ে ট্রফি জেতাটাই রোনালদোর ক্যারিয়ারের সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্ত। ক্যারিয়ারের সবচেয়ে কষ্ট ও আনন্দের মুহূর্ত নিয়ে রোনালদো স্মৃতিচারণ করেছেন এভাবে, ‘ফাইনালে যখন উঠে যেতে হলো, আমার হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। আমি দেশের হয়ে একটা ট্রফি জিততে চেয়েছিলাম। খুবই হতাশ ছিলাম। জেতার পর আমি কেঁদেছিলাম। আনন্দের কান্না। এটা অবিশ্বাস্য! কখনোই ভুলব না মুহূর্তটা।’
রোনালদোর ক্যারিয়ারের সেরা সময়টা কেটেছে রিয়াল মাদ্রিদে। নিজের সেরা গোলের তালিকায় রেখেছেন রিয়ালের জার্সিতে করা এক গোল। ২০১৮ সালে চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচে বাইসাইকেল কিকে করেছিলেন গোলটা। ২.৩৮ মিটার (৭.৮১ ফুট) উচ্চতা থেকে রোনালদোর গোলে জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছিল রিয়াল। প্রিয় গোলটা আবার বর্তমান দল জুভেন্টাসের বিপক্ষে করেছিলেন তিনি। নিজের সেরা গোলের কথা বলতে গিয়ে রোনালদো, ‘দুর্ভাগ্যবশত গোলটা আমার বর্তমান দলের বিপক্ষে। আর গোলবারে ছিলেন জুভেন্টাসে প্রিয় বন্ধু গিয়ানলুইগি বুফন। আমার ক্যারিয়ারে করা সেরা গোল ওটা।’

ঢাকা: বর্ণময় এক ক্যারিয়ার ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর। যেখানে এখন পর্যন্ত করেছেন ৭৭৭ গোল। দুর্দান্ত সব গোলের সঙ্গে দারুণ সব মুহূর্তও উপহার দিয়েছেন তিনি। এত গোল ও অনন্য সব মুহূর্তের ভিড়ে একটা বেছে নেওয়া খুবই কঠিন। রোনালদো সেই কঠিন কাজটাই করেছেন সম্প্রতি। বেছে নিয়েছেন নিজের সেরা গোল, ক্যারিয়ারের সেরা মুহূর্ত।
ইউরোর প্রস্তুতি নিতে পর্তুগালে জাতীয় দলের সঙ্গে আছেন রোনালদো। সেখানেই কথা বলেছেন ক্যারিয়ারের সেরা মুহূর্ত ও সেরা গোল নিয়ে। জানিয়েছেন আসন্ন ইউরো নিয়ে নিজের ভাবনাও। পর্তুগালের হয়ে রোনালদোর সেরা সাফল্যে ২০১৬ ইউরো জয়। ক্যারিয়ারের সেরা মুহূর্ত হিসেবে বেছে নিয়েছেন ইউরো জয়কেই।
যদিও চোটের কারণে ইউরোর সেই ফাইনালে বেশিক্ষণ খেলতে পারেননি রোনালদো। ডাগআউটে বসেই কাটাতে হয়েছে বেশির ভাগ সময়। তবে পুরো ম্যাচে সাইডলাইন থেকে সতীর্থদের উৎসাহ জুগিয়ে গেছেন। সেদিন অনেকটা ছায়া কোচের দায়িত্ব পালন করে গেছেন তিনি। সে ম্যাচ দিয়ে ট্রফি জেতাটাই রোনালদোর ক্যারিয়ারের সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্ত। ক্যারিয়ারের সবচেয়ে কষ্ট ও আনন্দের মুহূর্ত নিয়ে রোনালদো স্মৃতিচারণ করেছেন এভাবে, ‘ফাইনালে যখন উঠে যেতে হলো, আমার হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। আমি দেশের হয়ে একটা ট্রফি জিততে চেয়েছিলাম। খুবই হতাশ ছিলাম। জেতার পর আমি কেঁদেছিলাম। আনন্দের কান্না। এটা অবিশ্বাস্য! কখনোই ভুলব না মুহূর্তটা।’
রোনালদোর ক্যারিয়ারের সেরা সময়টা কেটেছে রিয়াল মাদ্রিদে। নিজের সেরা গোলের তালিকায় রেখেছেন রিয়ালের জার্সিতে করা এক গোল। ২০১৮ সালে চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচে বাইসাইকেল কিকে করেছিলেন গোলটা। ২.৩৮ মিটার (৭.৮১ ফুট) উচ্চতা থেকে রোনালদোর গোলে জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছিল রিয়াল। প্রিয় গোলটা আবার বর্তমান দল জুভেন্টাসের বিপক্ষে করেছিলেন তিনি। নিজের সেরা গোলের কথা বলতে গিয়ে রোনালদো, ‘দুর্ভাগ্যবশত গোলটা আমার বর্তমান দলের বিপক্ষে। আর গোলবারে ছিলেন জুভেন্টাসে প্রিয় বন্ধু গিয়ানলুইগি বুফন। আমার ক্যারিয়ারে করা সেরা গোল ওটা।’

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ খেলতে যাবে কি না, সেই অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ও অর্থ কমিটির চেয়ারম্যান এম নাজমুল ইসলামের মতে লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমরা বিশ্বকাপ না খেলতে পারলে বোর্ডের কোনো ক্ষতি হবে না।
১৭ মিনিট আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় যত ঘনিয়ে আসছে, বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তত বাড়ছে। ভারত থেকে লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমদের ভেন্যু সরাতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) কাছে দফায় দফায় চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এমনকি গতকাল বিসিবি-আইসিসি ভিডিও কনফারেন্সও করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
ফুটসালে অভিজ্ঞতার ঝুলি খুব একটা ভারী নয় কারোরই। তাই লড়াই জমে উঠল বেশ। কখনো বাংলাদেশ এগিয়ে, আবার কখনো এগিয়ে ভারত। পড়তে পড়তে রোমাঞ্চ ছড়ানো ম্যাচে দিনশেষে অবশ্য জিতল না কেউই।
২ ঘণ্টা আগে
প্রথমবার এসেই যেন বাংলাদেশের প্রেমে পড়ে গেছেন ব্রাজিলের ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার গিলবার্তো সিলভা। ফিফার দূত হিসেবে বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে যখন সিলভা ঢাকার হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে পা রেখেছেন, পাশে ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াও। অনুষ্ঠান যেভাবে আয়োজন করা হয়েছে, তাতে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন
৩ ঘণ্টা আগে