
এক মাসও হয়নি কোচ মারুফুল হকের অধীনে প্রথমবারের মতো সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপাজয়ের। এবার তাঁর বিরুদ্ধে আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগ এনেছে বসুন্ধরা কিংস। মারুফুলের উপযুক্ত শাস্তি দাবি করে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনকে (বাফুফে) চিঠিও দিয়েছে ফুটবল ক্লাবটি। আজ বসুন্ধরা কিংস সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
বাফুফেকে পাঠানো কিংসের সেক্রেটারি বিদ্যুৎ কুমার ভৌমিক স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের জন্যই বুয়েট মাঠে নিয়মিত অনুশীলন করাচ্ছেন মারুফুল। যে দলে রয়েছে বসুন্ধরা কিংসের ছয় ফুটবলার। কিন্তু কিংস তাদের চার ফুটবলারকে না পাঠিয়ে শুধু দুজনকে অনুশীলনের অনুমতি দিয়েছে। এতেই রেগে যান কোচ। তিনি চেয়েছেন সব ফুটবলারকে। কিন্তু সবাইকে না পাওয়ায় বসুন্ধরা কিংসের ফুটবলারদের ছাড়াই অনুশীলন শুরু করেছেন।
মূলত চোটের কথা বিবেচনায় এবং তাদের নতুন কোচ ভ্যালেরিউ তিতার সঙ্গে খেলোয়াড়দের অনুশীলনের জন্য ধাপে ধাপে ফুটবলারদের ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেয় কিংস। কোচ মারুফুলের অধীনে ক্লাবটির কোনো ফুটবলারকে বয়সভিত্তিক, সিনিয়র ও নারী দলের ক্যাম্পে যোগ দিতে দেওয়া হবে না বলেও উল্লেখ করা হয় চিঠিতে।
এ বিষয়ে বাফুফের সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তুষার বলেন, ‘আমরা কিংসের চিঠি পেয়েছি। চেষ্টা করছি সুষ্ঠুভাবে এটার সমাধান করে দিতে।’ কোচ মারুফুল অবশ্য আপাতত এই চিঠি নিয়ে কথা বলতে চান না।

এই জয় তো এই হার—২০২৬ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের যাত্রাটা চলছে এভাবেই। উইন্ডহোকে ১৫ জানুয়ারি তানজানিয়াকে ৫ উইকেটে হারিয়েছিল উইন্ডিজ। একই মাঠে ১৮ জানুয়ারি আফগানিস্তানের কাছে ১৩৮ রানে হেরেছে ক্যারিবীয়রা। আজ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলতে নামবে উইন্ডিজ।
২২ মিনিট আগে
চিত্রনাট্যটা একই রকম। গত বিপিএলেও মেহেদী হাসান মিরাজের নেতৃত্বাধীন দল দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার থেকে ছিটকে গেছে। এবারও ঠিক একই ঘটনা ঘটেছে। পার্থক্য শুধু গত বছর খুলনা টাইগার্সের হয়ে খেলা মিরাজ এবার খেলেছেন সিলেট টাইটানসের হয়ে। সিলেটের প্রধান কোচ সোহেল ইসলামের মতে
১ ঘণ্টা আগে
লং অনে দারউইশ রাসুলি ক্যাচ ধরার পর শুরু হয়ে যায় উদ্যাপন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেট ব্যাটার ব্র্যান্ডন কিংয়ের (৫০) উইকেটটা তো আফগানদের জন্য দারুণ এক ব্রেকথ্রু ছিলই। সব ছাপিয়ে আলোচনায় আফগানিস্তানের রহস্যময় স্পিনার মুজিব উর রহমানের হ্যাটট্রিক।
২ ঘণ্টা আগে
মিরপুর শেরেবাংলায় পরশু ক্রিস ওকস ছক্কা মারার পরই কেঁদে ফেলেছিলেন ফাহিম আল চৌধুরী। ২৪ ঘণ্টা না যেতেই একই মাঠে ফের কাঁদলেন ফাহিম। তবে দুটি ঘটনার মধ্যে যে আকাশ-পাতাল ফারাক। পরশু সিলেটের জয়ের খুশিতে কাঁদলেও কাল কেঁদেছিলেন দলের বিদায়ে। রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের কাছে হারের পর ফিক্সিংয়ের গুরুতর অভিযোগ তুললেন সিল
২ ঘণ্টা আগে