বিশ্বকাপে সুইজারল্যান্ড যেন ছিল ব্রাজিলের সামনে অভেদ্য গোলকধাঁধা। বিশ্বকাপে এর আগের দুই দেখায় দুটো ম্যাচই হয়েছিল ড্র। স্টেডিয়াম ৯৭৪ এ আজ মনে হচ্ছিল, তৃতীয়বারের মতো ঘটতে যাচ্ছে একই ঘটনা। তবে কাসেমিরো তা হতে দেননি। কাসেমিরোর অসাধারণ গোলে সুইজারল্যান্ডকে ১-০ গোলে হারিয়ে দেয় ব্রাজিল। তাতে দ্বিতীয় রাউন্ড নিশ্চিত হয় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণ-প্রতি আক্রমণের খেলা চলেছে। সঙ্গে শারীরিক শক্তি প্রদর্শনের খেলাও চলেছে। ফাউল বেশি করেছে সুইজারল্যান্ড। যেখানে প্রথম তিন মিনিটের মধ্যেই দুবার ফাউল করে বসে সুইসরা। এরপর ম্যাচের ৬ মিনিটের সময় গোল করার সুযোগ পেয়েছিল সুইসরা। কর্ণার থেকে রুবেন ভারগাসের ক্রসে উইডমার ডান পায়ে একটা শট নিয়েছিলেন কিন্তু সেই সুযোগ লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
এরপরই পাল্টা আক্রমণে যায় ব্রাজিল। ২৭ মিনিটের সময় রাফিনহার ক্রস থেকে ভিনিসিউস জুনিয়র গোল করার সুযোগ পেয়েছিলেন। সুইস গোলরক্ষক ইয়ান সোমার তা ঠেকিয়ে দিয়েছেন। ঠিক তার পরের মিনিটে কাসেমিরো গোল করার সুযোগ হাতছাড়া করেন। ৩১ মিনিটে এদের মিলিতাওয়ের পাস থেকে গোল করার সুযোগ পেয়েছিলেন রাফিনহা। এবারও ব্রাজিলিয়ানদের হতাশ করেছেন সোমের। প্রথমার্ধের শেষের দিকে বেশ কয়েকবার সুইসদের রক্ষণদুর্গে হানা দিয়েও গোলমুখ খুলতে পারেনি ব্রাজিল। গোলশূন্য ড্রয়ে থেকে শেষ হয় প্রথম ৪৫ মিনিট।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুটা হয়েছিল প্রথমার্ধের মতোই। শারীরিক শক্তি প্রদর্শনের খেলা একটু বেশি চলায় খুব দ্রুতই হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। ৫০ মিনিটে সুইজারল্যান্ডের ফ্যাবিয়ান রাইডার এবং ৫২ মিনিটে ব্রাজিলের ফ্রেড-এই দুজন দেখেছিলেন হলুদ কার্ড। ৫৩ মিনিটে সুইজারল্যান্ডের জিবরিল সোয়ের আক্রমণ শট ব্লক করে দেন ব্রাজিলের ডিফেন্ডাররা। ৫৭ মিনিটে গোলের সুযোগ তৈরী করেছিল ব্রাজিল।
ব্রাজিল ফুটবল সম্পর্কিত জানতে এখানে ক্লিক করুন
ফ্রেড পাস দিয়েছিলেন ভিনিসিউসকে। ভিনিসিউসের থেকে বল পেয়েছিলেন রিচার্লিসন তবে ঠিকঠাক সংযোগ করতে পারেননি। ৬৪ মিনিটের সময় গোল পেয়েছিল ব্রাজিল। গোলটি করেছিলেন ভিনিসিউস তবে অফসাইডে বাতিল হয়ে যায় গোল।
বিশ্বকাপ ফুটবল সম্পর্কিত আরও পড়তে ক্লিক করুন
গোল বাতিল হওয়ার পর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে ব্রাজিল। বারবার সুইস রক্ষণদুর্গে হানা দিচ্ছিল বারবার তবে গোলের দেখা পাচ্ছিল না ব্রাজিল। অবশেষে ৮৩ মিনিটে এসে গোলের দেখা পেয়ে যান তিতের শিষ্যরা। রড্রিগোর অ্যাসিস্টে দারুণ এক হাফ ভলিতে গোল করেন কাসেমিরো। এরপর শেষের দিকে বেশ কয়েকবার আক্রমণ করলেও আর গোল পায়নি সেলেসাওরা। শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ব্রাজিল।
বিশ্বকাপ ফুটবল সম্পর্কিত আরও পড়ুন:

ম্যাচের শুরুটা অবশ্য মেসির জন্য সুখকর ছিল না। প্রথমার্ধে তাঁর নেওয়া পেনাল্টি ঠেকিয়ে দেন মিসরের গোলরক্ষক মোস্তফা শোবেইর। কিন্তু শেষ দিকে অধিনায়কের পা থেকেই আসে সমতাসূচক গোল। এরপর যোগ করা সময়ে এনসো ফের্নান্দেসের গোলে অবিশ্বাস্য এক প্রত্যাবর্তন লিখে ফেলে আর্জেন্টিনা।
৩০ মিনিট আগে
ম্যাচে ২–০ গোলে এগিয়ে থেকেও ১৩ মিনিটে তিন গোল হজম করে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয় মিসর। এরপর থেকেই রেফারিং নিয়ে একের পর এক অভিযোগ করে আসছেন হোসাম হাসান। মাঠের বাইরের এই ঘটনাও সেই বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর নাটকীয় এক দিনে নতুন করে আলোচনায় ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। সুইজারল্যান্ড–কলম্বিয়া ম্যাচ শুরুর আগে কানাডার ভ্যাঙ্কুভারের বিসি প্লেস স্টেডিয়ামে মিসরের জাতীয় পতাকা হাতে দেখা যায় তাঁকে। মুহূর্তটির ছবি ছড়িয়ে পড়তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় নানা আলোচনা।
২ ঘণ্টা আগে
বয়সও যেন মেসির সামনে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারছে না। ৩৫ বছর বয়সের পর বিশ্বকাপে তাঁর গোলসংখ্যা এখন ১৫, যা আর কোনো ফুটবলারের নেই। শুধু তা-ই নয়, মিসরের বিপক্ষে একই ম্যাচে একটি গোল ও একটি অ্যাসিস্ট করে বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বয়সে এই কীর্তি গড়া খেলোয়াড়ও হয়েছেন তিনি। এত দিন রেকর্ডটি ছিল সুইডেন
২ ঘণ্টা আগে