
বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে ২–০ গোলে পিছিয়ে থেকেও অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন করেছে আর্জেন্টিনা। সেই প্রত্যাবর্তনের শেষ লাইনটা লিখেছেন এনসো ফের্নান্দেস। যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে তাঁর করা জয়সূচক গোলে মিসরকে ৩–২ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
ম্যাচ শেষে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত ফের্নান্দেস বলেছেন, ‘আমি তিন বছর ধরে এই গোলের স্বপ্ন দেখেছি। আমাদের দলে অসাধারণ একদল খেলোয়াড় আছে, যারা কখনোই হার মানে না।’
এই জয়ের কৃতিত্ব শুধু নিজের নয়, পুরো দলের বলে মনে করেন আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার। তাই সতীর্থ, কোচিং স্টাফ ও সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি আমার সতীর্থদের, কোচিং স্টাফকে, যারা মাঠে এসে আমাদের সমর্থন করেছেন এবং আমাদের দেশে থেকে যারা আর্জেন্টিনাকে সমর্থন করছেন, সেই সব আর্জেন্টাইনকে ধন্যবাদ জানাতে চাই।’
মিসরের বিপক্ষে ম্যাচের কৌশল নিয়েও কথা বলেছেন ফের্নান্দেস। তাঁর ভাষায়, ‘প্রতিপক্ষ আমাদের যে জায়গাগুলো দিয়েছিল, সেগুলোর সুবিধা আমাদের নিতে হতো। আর আমরা সেটাই করেছি।’
বিশ্বকাপে নিজেদের লক্ষ্য সম্পর্কে ফের্নান্দেসের বক্তব্য, ‘আমরা আরেকটি বিশ্বকাপ উপভোগ করতে এবং আমাদের দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে এসেছি। আর আমরা সেটাই করে চলেছি।’
নকআউট পর্বে বিদায়ের মুখ থেকে ফিরে আসা এই জয় আর্জেন্টিনার জন্য যেমন স্মরণীয়, তেমনি এনসো ফের্নান্দেসের কাছেও বিশেষ হয়ে থাকবে। তিন বছরের যে স্বপ্ন তিনি দেখেছিলেন, সেটি পূরণ হয়েছে ঠিক বিশ্বকাপের সবচেয়ে কঠিন মুহূর্তে।

বিশ্বকাপের ফাইনালে আগামী ১৯ জুলাই নিউইয়র্ক নিউজার্সিতে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে খেলতে নামবে স্পেন। ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠা আলবিসেলেস্তেদের সামনে এবার ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নদের চ্যালেঞ্জ। শিরোপা নির্ধারণী এই লড়াইয়ের আগে দুই দলের মুখোমুখি পরিসংখ্যান বলছে, কেউই কারও চেয়ে এগিয়ে নেই।
৩ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের ফাইনালের অপেক্ষায় আর্জেন্টিনা। স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচটা জিততে পারলেই টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা ঘরে তুলবে আলবিসেলেস্তেরা। ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালে ওঠার উচ্ছ্বাসে যখন ভাসছে পুরো দল, তখন লিওনেল মেসিকে ঘিরে আবেগঘন এক মুহূর্ত ধরা পড়েছে উদযাপনের মাঝেই।
৩ ঘণ্টা আগে
ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। ৪০ বছর আগের স্মৃতি যেন আবারও ফিরে এল আর্জেন্টাইন ফুটবলে। সেই আবেগঘন মুহূর্তের সাক্ষী ছিলেন ১৯৮৬ বিশ্বকাপজয়ী দলের গোলরক্ষক নেরি পুম্পিদো। আটলান্টার স্টেডিয়ামে বসে দলের জয় দেখার পর আবেগ ধরে রাখতে পারেননি তিনি। বিশ্বকাপ জয়ী ফুটবলারের বিশ
৪ ঘণ্টা আগে
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে একটি মুহূর্তকেই মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার ঘটনা হিসেবে দেখছেন লিওনেল মেসি। ১-১ গোলে সমতা ফেরার পর আর্জেন্টিনা বুঝতে পেরেছিল, প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়রা আর আগের মতো লড়াইয়ের অবস্থায় নেই। সেই আত্মবিশ্বাস থেকেই শেষ পর্যন্ত জয় তুলে নেওয়ার বিশ্বাস তৈরি হয়েছিল বলে জানিয়েছেন মেস
৫ ঘণ্টা আগে