
শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই লিওনেল মেসির চোখ ভিজেছিল অশ্রুতে। কয়েক মিনিট পর একই দৃশ্য দেখা গেল লিওনেল স্কালোনির মধ্যেও। মিসরের বিপক্ষে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের পর আর্জেন্টিনা কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করলেও ম্যাচ শেষে কথা বলার মতো অবস্থায় ছিলেন না বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের কোচ।
বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে একসময় ২–০ গোলে পিছিয়ে ছিল আর্জেন্টিনা। কিন্তু ১৩ মিনিটে ক্রিস্তিয়ান রোমেরো, লিওনেল মেসি ও এনসো ফের্নান্দেসের গোলে ৩–২ ব্যবধানে জিতে শেষ আটে জায়গা করে নেয় লিওনেল স্কালোনির দল। সেই নাটকীয় জয়ের আবেগ সামলাতে পারেননি আর্জেন্টাইন কোচ।
ফিফার নিয়ম অনুযায়ী ম্যাচ শেষে মাঠেই সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার কথা ছিল স্কালোনির। কিন্তু মাইক্রোফোন বাড়িয়ে দিতেই আবেগে ভেঙে পড়েন তিনি। চোখের জল আটকে রাখতে না পেরে শুধু বলেন, ‘আমি মাথাও তুলতে পারছি না, আমাকে ক্ষমা করবেন, আমি খুব আবেগাপ্লুত। কী একদল খেলোয়াড়, ভাই! আমাকে যেতে হবে, ক্ষমা করবেন।’
স্কালোনি আর কিছু বলতে পারেননি। কয়েকটি বাক্য বলেই সেখান থেকে চলে যান তিনি।
তবে আর্জেন্টিনার সহকারী কোচ রবের্তো আয়ালা কিছুটা সামলে কথা বলেন। তিনিও আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন, ‘আমরা ভীষণ স্বস্তি অনুভব করছি। এই ছেলেদের ধন্যবাদ জানাতে চাই, যারা আমাদের অনুপ্রাণিত করে, যারা কখনো ক্লান্ত হয় না, সব সময় আরও বেশি কিছু করতে চায় এবং যারা এমন কিছু করে দেখানোর সামর্থ্য রাখে।’
ম্যাচের কঠিন সময়ের কথাও তুলে ধরেন আয়ালা। তাঁর ভাষায়, ‘আমরা ভেঙে পড়েছিলাম। কিন্তু ওরা নিজেদের মধ্যে প্রতিজ্ঞা করেছিল, যদি বিদায় নিতেই হয়, তাহলে মাথা উঁচু করেই নেবে। এটি অসাধারণ একটি দলের আরেকটি প্রমাণ।’
আর্জেন্টিনা যখন ২–০ গোলে পিছিয়ে, তখন বিদায় প্রায় নিশ্চিত বলেই মনে হচ্ছিল। কিন্তু ৭৯ মিনিটে ক্রিস্তিয়ান রোমেরো, ৮৩ মিনিটে লিওনেল মেসি এবং যোগ করা সময়ে এনসো ফের্নান্দেসের গোলে বিশ্বকাপের অন্যতম নাটকীয় প্রত্যাবর্তন সম্পন্ন করে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। সেই কারণেই হয়তো জয়ের পর কথার চেয়ে চোখের জলই বেশি বলে দিয়েছে স্কালোনির অনুভূতির কথা।

মিসরের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার নাটকীয় জয়ের পর অবশ্য লেতেক্সিয়ের নামই সবচেয়ে বেশি আলোচনায়। মিসরের কোচ ও খেলোয়াড়দের অভিযোগ, তাঁর কিছু সিদ্ধান্ত তাদের বিপক্ষে গেছে। যদিও ম্যাচের রেফারিং নিয়ে ফিফার পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।
১২ মিনিট আগে
রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে আরও কঠোর ভাষায় মিসরের কোচ বলেন, ‘আমরাই ভালো খেলেছি, কিন্তু ফুটবল অন্যায় করেছে। হয়তো তারা বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন এবং মেসিকে বিপণনের স্বার্থে বিশ্বকাপে রাখতে চায়। রেফারি মিসর জাতীয় দলের প্রতি অবিচার করেছেন, এখানে কোনো ন্যায়বিচার নেই। তবে ফুটবলের বাইরেও অন্য কিছু বিষয়
৩০ মিনিট আগে
এই নাটকীয় পরাজয়ের পরই রেফারিং নিয়ে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেন জিকো। তাঁর অভিযোগ, ম্যাচের রেফারিং মিসরের বিপক্ষে গেছে এবং তাতে একটি পুরো দেশের পরিশ্রম নষ্ট হয়েছে। যদিও কোন সিদ্ধান্তের কথা তিনি বলেছেন, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু উল্লেখ করেননি।
১ ঘণ্টা আগে
অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের পেছনে ড্রেসিংরুমের কথাও তুলে ধরেছেন লাউতারো। তিনি বলেন, “এই দল কখনো হাল ছাড়ে না, শেষ পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে যায়। বিরতির সময় কোচ আমাদের বলেছিলেন, 'যা আছে, তা নিয়েই শেষ পর্যন্ত লড়বে।' আমরা সুযোগ তৈরি করছিলাম, কিন্তু গোল করতে পারছিলাম না। শেষ পর্যন্ত এত চেষ্টার পর যখন গোল
১ ঘণ্টা আগে