
প্রথমার্ধে গোল হয়নি। দ্বিতীয়ার্ধেও বদলাল না ফল। ৯০ মিনিটের খেলা শেষে তাই অবিচ্ছিন্ন থাকে দুই দল। শিরোপার ভাগ্য নির্ধারণে তাই টাইব্রেকারে গড়ায় ম্যাচ। যেখানে ৪-৩ গোলে ভারতকে হারিয়ে অনূর্ধ্ব-২০ সাফের চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ।
টাইব্রেকারে প্রথম শটেই মিস করে বসেন ভারতের রিশি সিং। তাঁর শট ডান দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে ঠেকান বাংলাদেশ গোলরক্ষক ইসমাইল হোসেন মাহিন। প্রথম তিন শটে বাংলাদেশের কোনো ফুটবলার অবশ্য সেই ভুল করেননি। তবে চতুর্থ শটে বল গোলবারে মারেন স্যামুয়েল রাকসাম। চিন্তা ভর করে বাংলাদেশের ডাগআউটে।
রাকসাম শট নেওয়ার আগে চোট দেখিয়ে সময় খরচ করেন ভারতীয় গোলরক্ষক সুরাজ সিং। দিন শেষে নিজের এই ‘বুদ্ধি’তে সফলও হন তিনি। চতুর্থ শট শেষে স্কোরলাইন ছিল ৩-৩। পঞ্চম শটে ভারতের ওমাং দোদুম আবারও সুযোগ এনে দেন বাংলাদেশকে। তাঁর শট বারের ওপর দিয়ে চলে যায় গ্যালারিতে।
তাই পঞ্চম শটে গোল করলেই চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ। এমন সমীকরণে কোনো ভুলই আর করলেন না রোনান সুলিভান। তাঁর পানেনকা শটে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা ধরে রাখে বাংলাদেশ। ২০২৪ সালে এই টুর্নামেন্টের মুকুট গিয়েছিল বাংলাদেশের ঘরে।
মালদ্বীপের জাতীয় স্টেডিয়ামে আজ ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলের বলের দখল ও মাঝমাঠ নিয়ন্ত্রণে রাখার লড়াই ছিল সমানে সমান। বাংলাদেশের সেরা সুযোগটি আসে ১৩ মিনিটে। রোনান সুলিভানের ফ্রি-কিক থেকে বল মিঠু চৌধুরীর হেডে পোস্টের কিছুটা বাইরে দিয়ে চলে যায়।
১৮ মিনিটে বাঁ প্রান্ত দিয়ে মোহাম্মদ মানিকের মাপা ক্রসে সুলিভান সঠিক সময়ে দৌড়ে এলেও দুই ডিফেন্ডারের ফাঁক দিয়ে পা ছোঁয়াতে ব্যর্থ হন।
ম্যাচের ৩২ মিনিটে বিপদ থেকে বেঁচে যায় বাংলাদেশ। গোলরক্ষক ইসমাইল হোসেন মাহিন পোস্ট ছেড়ে বেরিয়ে আসায় ফাঁকা পোস্ট পেয়ে ভারতীয় ফুটবলার চিপ শট নিলেও গোললাইন থেকে তা দারুণভাবে প্রতিহত করেন বাংলাদেশের ডিফেন্ডাররা।
৩৬ মিনিটে ভারত আবারও সুযোগ তৈরি করেছিল, তবে কর্নার থেকে আসা জটলার ভেতর জোড্রিকের নেওয়া হেডটি সহজেই তালুবন্দী করেন মাহিন।
প্রথমার্ধের শেষ ১০ মিনিটে বাংলাদেশ খেলার গতি নিয়ন্ত্রণ করে ভারতকে চাপে রাখলেও ডেডলক ভাঙা সম্ভব হয়নি। যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে গোল করার আরও একটি প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয় বাংলাদেশের। মাঝমাঠ থেকে চন্দন রায়ের দূরপাল্লার পাস বক্সের মুখে নিয়ন্ত্রণে নেন সুলিভান। চমৎকার দক্ষতায় ঘুরে দাঁড়িয়ে তিনি ভলি নিলেও তা পোস্টের অনেক ওপর দিয়ে চলে যায়।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও দুই দলের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা লক্ষ করা যায়। ৪৮ মিনিট থেকে ভারত আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলা শুরু করলেও বাংলাদেশের রক্ষণভাগ ছিল অটুট। ৫১ মিনিটে ভারত টানা আক্রমণ চালিয়ে বলের পজিশন নিজেদের দখলে রাখার চেষ্টা করে। তবে ৫৪ মিনিটে কাউন্টার অ্যাটাকে গিয়ে ভারতকে চাপে ফেলে দেয় বাংলাদেশ।
ম্যাচের বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মাঠের পরিবেশও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ৫৭ মিনিটে সাইড লাইনের কাছে বলের দখল নিতে গিয়ে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে রীতিমতো ধাক্কাধাক্কি ও জার্সি টানাটানির ঘটনা ঘটে। ৬৬ মিনিটে নাজমুল হুদা ফয়সালের জায়গায় মাঠে নামেন ডেকলান সুলিভান। সেমিফাইনালে নেপাল ম্যাচের মতো ক্যামিও রাখার প্রত্যাশা ছিল তাঁকে নিয়ে। যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে তাঁর পাসে ভারতীয় গোলরক্ষককে একা পেয়েছিলেন রোনান। কিন্তু কাটাতেই পারেননি বল।এরপরই শুরু হয় টাইব্রেকারের গল্প। যেখানে রোনান ছাড়াও বাংলাদেশের হয়ে গোল করেন মুরশেদ আলী, চন্দন ও রিয়াদ ফাহিম।

কেপ ভার্দের বিশ্বকাপ সাফল্য দেশটিতে এক অভূতপূর্ব উদযাপনের আবহ তৈরি করেছে। ছোট এই দ্বীপরাষ্ট্রের ফুটবল দল ‘ব্লু শার্কস’ নকআউট পর্বে পৌঁছানোর পর থেকে পুরো দেশ কার্যত উৎসবের নগরীতে পরিণত হয়েছে। রাস্তাঘাট, বাড়িঘর, গাড়ি থেকে শুরু করে মোটরবাইক—সব জায়গায় এখন উড়ছে জাতীয় পতাকা।
২৮ মিনিট আগে
শক্তি কিংবা অভিজ্ঞতায় আর্জেন্টিনার চেয়ে বেশ পিছিয়ে কেপ ভার্দে। এরপরও বিশ্বকাপের সেরা ৩২-এর ম্যাচে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের ছেড়ে কথা বলবে না আফ্রিকার দলটি। আত্মবিশ্বাসী ফুটবল খেলে লিওনেল স্কালোনির দলকে চমকে দিতে চায় কেপ ভার্দে—এমনটাই জানালেন দলটির প্রধান কোচ পেদ্রো লেইতাও ব্রিতো।
১ ঘণ্টা আগে
ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে বিশ্বকাপের রাউন্ড অব সিক্সটিন নিশ্চিত করেছে পর্তুগাল। সমালোচনার মধ্য দিয়ে যাওয়া ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর জন্য দিনটা দারুণ গেছে। একবার জালের দেখা পেয়েছেন সাত নম্বর জার্সিধারী। ম্যাচ শেষে ব্রাজিলিয়ান ভক্তদের উদ্দেশে ভালোবাসা জানিয়েছেন তিনি।
৩ ঘণ্টা আগে
পর্তুগালের বিপক্ষে ক্রোয়েশিয়ার বাতিল হওয়া গোল নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দিয়েছে ফিফা। বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা জানিয়েছে, এবারের বিশ্বকাপের অফিসিয়াল বলে থাকা সেন্সর প্রযুক্তির কারণেই ইগর মাতানোভিচের সূক্ষ্ম স্পর্শ শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। সেই স্পর্শের মুহূর্তেই মারিও পাসালিচ অফসা
৪ ঘণ্টা আগে