
বড় টুর্নামেন্টের ফাইনালে চাপ নিতে না পারার অভিযোগ আছে তাঁকে নিয়ে। ২০১৪ বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে চোটে পড়ে ছিটকে গিয়েছিলেন। ২০১৫ কোপা আমেরিকার ফাইনালে চোট নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় ২৯ মিনিটে। শতবর্ষীয় কোপার ফাইনালেও তাঁকে উঠিয়ে নেওয়া হয় ৫৭ মিনিটে। সেই আনহেল দি মারিয়ায় যেন এবার সব দায় একসঙ্গে শোধালেন।
২৮ বছর পর আর্জেন্টিনার আন্তর্জাতিক শিরোপা জয়ে কাঙ্ক্ষিত গোলটি যে দি মারিয়ার পা থেকেই এসেছে। এই একটি গোলই ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দিয়েছে। মেসির হাতে প্রথম আন্তর্জাতিক শিরোপা তুলে দিতে এ দিন সবচেয়ে বড় ম্যাজিকটা দেখালেন দি মারিয়াই।
মাঝের দুঃখের গল্পগুলো বাদ দিলে ফিরে যাওয়া যেতে পারে ২০০৮ সালের অলিম্পিক ফাইনালে। সেদিনও আজকের মতো চিপ থেকে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দিয়েছিলেন মারিয়া। আজ একই ঘটনার পুনরাবৃত্তিই করলেন মারাকানায়।
দি পলের লম্বা করে বাড়ানো পাসটি অবশ্য দি মারিয়া পর্যন্ত না–ও আসতে পারত। সামনে থাকা ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার রেনান লোদির বাজে ডিফেন্সে বলটি পেয়ে যান দি মারিয়া। তবে যেভাবে ফিনিশ করেছেন তা অনেক দিন মনে রাখার মতো। এগিয়ে আসা গোলরক্ষক এদেরসনকে বোকা বানিয়ে আলতো চিপে বল তুলে দেন তাঁর মাথার ওপর। এই গোলেই এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা।
এরপর আর গোল না পেলেও ম্যাচজুড়ে দারুণ নৈপুণ্য দেখিয়েছেন পিএসজি তারকা দি মারিয়া। ২৯ মিনিটে আরও একবার বিপজ্জনকভাবে ঢুকে পড়েছিলেন ব্রাজিলের রক্ষণে। তবে অল্পের জন্য গোলের দেখা পাননি। ডান প্রান্তে দি মারিয়া যখনই বল পেয়েছেন বিপদ তৈরি করেছেন ব্রাজিলের জন্য। এমনকি মার্কারকে সারাক্ষণ ব্যতিব্যস্ত করে রেখেছেন ৩৩ বছর বয়সী এই তারকা।
এই জয়ে এখন নিশ্চয় স্বস্তি ফিরবে দি মারিয়ার মনে। ভুলতে পারবেন হতাশায় মাঠ ছেড়ে যাওয়ার গল্পগুলোও। লম্বা সময় পর পাওয়া গোলটিও আর্জেন্টাইন–সমর্থকদের মনে থেকে যাবে অনেক দিন। প্রথমত এ গোলটিই বহু বছরের অধরা স্বপ্ন পূরণ করেছে। পাশাপাশি ফিনিশিংয়ের সৌন্দর্যেও গোলটি মনে রাখার মতো।
শিরোপা জয়ের পর উচ্ছ্বসিত দি মারিয়া বলেছেন, ‘আমরা অনেক স্বপ্ন দেখেছি, এটা অর্জনের জন্য অনেক লড়াই করেছি। এটা কখনো ভোলার নয়। মেসি আমাকে ধন্যবাদ দিয়েছে, আমিও তাকে ধন্যবাদ দিয়েছি। সে বলেছিল, এই ফাইনাল আমার হতে পারে। একটি ফাইনালে আমি খেলতে পারিনি, এটা তার প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ হতে পারে। আজ এটা হয়েছে।’

বড় টুর্নামেন্টের ফাইনালে চাপ নিতে না পারার অভিযোগ আছে তাঁকে নিয়ে। ২০১৪ বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে চোটে পড়ে ছিটকে গিয়েছিলেন। ২০১৫ কোপা আমেরিকার ফাইনালে চোট নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় ২৯ মিনিটে। শতবর্ষীয় কোপার ফাইনালেও তাঁকে উঠিয়ে নেওয়া হয় ৫৭ মিনিটে। সেই আনহেল দি মারিয়ায় যেন এবার সব দায় একসঙ্গে শোধালেন।
২৮ বছর পর আর্জেন্টিনার আন্তর্জাতিক শিরোপা জয়ে কাঙ্ক্ষিত গোলটি যে দি মারিয়ার পা থেকেই এসেছে। এই একটি গোলই ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দিয়েছে। মেসির হাতে প্রথম আন্তর্জাতিক শিরোপা তুলে দিতে এ দিন সবচেয়ে বড় ম্যাজিকটা দেখালেন দি মারিয়াই।
মাঝের দুঃখের গল্পগুলো বাদ দিলে ফিরে যাওয়া যেতে পারে ২০০৮ সালের অলিম্পিক ফাইনালে। সেদিনও আজকের মতো চিপ থেকে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দিয়েছিলেন মারিয়া। আজ একই ঘটনার পুনরাবৃত্তিই করলেন মারাকানায়।
দি পলের লম্বা করে বাড়ানো পাসটি অবশ্য দি মারিয়া পর্যন্ত না–ও আসতে পারত। সামনে থাকা ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার রেনান লোদির বাজে ডিফেন্সে বলটি পেয়ে যান দি মারিয়া। তবে যেভাবে ফিনিশ করেছেন তা অনেক দিন মনে রাখার মতো। এগিয়ে আসা গোলরক্ষক এদেরসনকে বোকা বানিয়ে আলতো চিপে বল তুলে দেন তাঁর মাথার ওপর। এই গোলেই এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা।
এরপর আর গোল না পেলেও ম্যাচজুড়ে দারুণ নৈপুণ্য দেখিয়েছেন পিএসজি তারকা দি মারিয়া। ২৯ মিনিটে আরও একবার বিপজ্জনকভাবে ঢুকে পড়েছিলেন ব্রাজিলের রক্ষণে। তবে অল্পের জন্য গোলের দেখা পাননি। ডান প্রান্তে দি মারিয়া যখনই বল পেয়েছেন বিপদ তৈরি করেছেন ব্রাজিলের জন্য। এমনকি মার্কারকে সারাক্ষণ ব্যতিব্যস্ত করে রেখেছেন ৩৩ বছর বয়সী এই তারকা।
এই জয়ে এখন নিশ্চয় স্বস্তি ফিরবে দি মারিয়ার মনে। ভুলতে পারবেন হতাশায় মাঠ ছেড়ে যাওয়ার গল্পগুলোও। লম্বা সময় পর পাওয়া গোলটিও আর্জেন্টাইন–সমর্থকদের মনে থেকে যাবে অনেক দিন। প্রথমত এ গোলটিই বহু বছরের অধরা স্বপ্ন পূরণ করেছে। পাশাপাশি ফিনিশিংয়ের সৌন্দর্যেও গোলটি মনে রাখার মতো।
শিরোপা জয়ের পর উচ্ছ্বসিত দি মারিয়া বলেছেন, ‘আমরা অনেক স্বপ্ন দেখেছি, এটা অর্জনের জন্য অনেক লড়াই করেছি। এটা কখনো ভোলার নয়। মেসি আমাকে ধন্যবাদ দিয়েছে, আমিও তাকে ধন্যবাদ দিয়েছি। সে বলেছিল, এই ফাইনাল আমার হতে পারে। একটি ফাইনালে আমি খেলতে পারিনি, এটা তার প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ হতে পারে। আজ এটা হয়েছে।’

দারুণ ছুটছিলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। একের পর এক গোল করে রেকর্ড গড়ে যাচ্ছিলেন ফরাসি ফরোয়ার্ড। তাঁর এই সুসময়ে বাদ সাধল হাঁটুর চোট। এমবাপ্পের চোটে বড় দুশিন্তায় পড়ল রিয়াল মাদ্রিদ।
১ ঘণ্টা আগে
দশম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে বাকি কেবল এক মাস। আইসিসির এই ইভেন্ট সামনে রেখে দলগুলো প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। কেউ চূড়ান্ত দল, কেউবা আবার প্রাথমিক দল ঘোষণা করেছে। একঝাঁক স্পিনার নিয়ে বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করল অস্ট্রেলিয়া।
২ ঘণ্টা আগে
নতুন বছরে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ব্যস্ততা শুরু হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দিয়ে। ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত ভারত-শ্রীলঙ্কায় হবে দশম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। আইসিসির ইভেন্ট শেষে বাংলাদেশ সফর করবে পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া। এরপর জুলাই থেকে আগস্ট জিম্বাবুয়ে, অস্ট্রেলিয়া ও আয়ারল্য
৩ ঘণ্টা আগে
নতুন বছরের প্রথম দিনই মাঠে নামছে রিশাদ হোসেনের দল হোবার্ট হারিকেনস। বাংলাদেশ সময় বেলা ২টা ১৫ মিনিটে হোবার্টের বেলেরিভ ওভালে শুরু হবে হোবার্ট হারিকেনস-পার্থ স্কর্চার্স ম্যাচ। এখন মেলবোর্নের ডকল্যান্ডস স্টেডিয়ামে চলছে বিগ ব্যাশের মেলবোর্ন রেনেগেডস-সিডনি সিক্সার্স ম্যাচ।
৩ ঘণ্টা আগে