নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

কালো উইকেটে যদি দেখা মেলে জয়ের ‘আলো’, তাহলে তো কালোই ভালো। গত চার সিরিজে ধারাবাহিক ব্যর্থতা এবং টানা চারটি ওয়ানডেতে হারের পর উইন্ডিজ সিরিজে জয়ের ধারায় ফিরেছে বাংলাদেশ দল। ৭৪ রানের সেই জয়ে নাকি ছিল কালো উইকেটের হাত!
স্পিনাররা বেশি টার্ন পান বলে বিদেশিদের কাছে এমনিতেই মিরপুর শেরেবাংলার ‘বাঘের ডেরা’র পরিচিতি। এবার উইন্ডিজ সিরিজে মাঠের কালো উইকেট আরও সুবিধা দিচ্ছে স্পিনারদের। বেশি টার্ন পাচ্ছে বল, মাটিতে পড়ার পর বেশি বেশি স্কিড করছে। এমন নয় যে এই সুবিধা পাচ্ছে শুধুই একটি দল। কিন্তু স্বাগতিক দলে রিশাদ হোসেনের মতো ভালো মানের স্পিনার থাকায় উইকেট থেকে বেশি ফায়দা পাওয়া দল বাংলাদেশই। অন্তত প্রতিপক্ষ ক্যারিবীয়দের চোখে ব্যাপারটা এমনই।
আজ সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে। এই ম্যাচ হারলেই সিরিজ খোয়াবে সফরকারী দল। সিরিজ বাঁচানোর ম্যাচে তাদের কী করতে হবে, তা এরই মধ্যে ভালোই বুঝে গেছে ড্যারেন স্যামির দল। লড়াইয়ের পুঁজি গড়া কিংবা রান তাড়ায় সফল হওয়া—দুটোতেই ক্যারিবীয় ব্যাটারদের মূল চ্যালেঞ্জ কালো উইকেটে স্পিনারদের বুঝেশুনে খেলা। প্রথম ম্যাচে ২০৮ রানের লক্ষ্য তাড়ায় তারা বিনা উইকেটে ৫৩ রান করেও অলআউট হয়েছিল ১৩৩ রানে। আর ক্যারিবীয় ব্যাটিং লাইনআপ ধসিয়ে দিতে ৬ উইকেট তুলে নিয়ে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন রিশাদ।
রিশাদ কিংবা বাকি স্বাগতিক স্পিনারদের কীভাবে সামলানো যায়, প্রথম ম্যাচের পর সেই চিন্তাই করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। গতকাল একাডেমি মাঠে তাদের অনুশীলনেও দেখা গেল স্পিনার সামলানোর প্রস্তুতি। নেটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্পিনারদের বলেই ব্যাটিং অনুশীলন করে গেলেন শাই হোপ, ব্রেন্ডন কিং, অলিক আথানেজরা।
স্পিনের প্রস্তুতিতে বাংলাদেশও কী কম গেছে! প্রথম ওয়ানডের কালো উইকেটে বল নিচু হয়ে আসার কথা মাথায় রেখে এদিন বড় হাতল আর ছোট ব্লেডের ‘মঙ্গুজ’ ব্যাটে অনুশীলন করেছেন তানজিদ হাসান ও সৌম্য সরকার। এই ব্যাটের সুবিধা কী? উত্তরটা শুনুন বাংলাদেশ দলের স্পিন কোচ মুশতাক আহমেদের মুখেই, ‘ছোট ব্যাট দিয়ে অনুশীলন করলে ব্যাটার তার গ্র্যাভিটি লেভেল নিচে নামাতে পারে। টার্নিং উইকেটে খেলতে হলে মাথা বলের কাছাকাছি রাখতে হয়। পায়ের মুভমেন্ট অলস হলে স্পিনার সহজে আউট করতে পারে। ছোট ব্যাটের অনুশীলন নিশ্চিত করে যে সামনের পায়ে কিংবা পেছনের পায়ে—যেভাবেই (ব্যাটার) খেলুন না কেন, মাথার অবস্থান বলের কাছেই থাকবে।’
তাহলে আজও স্পিনেই প্রতিপক্ষকে ঘায়েলের ছক বাংলাদেশের? লাগাতার চারটি সিরিজে হারের ধারায় ছেদ টানার সুযোগ যখন সামনে, কোন দল এই সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইবে! এক ম্যাচ হাতে রেখেই তূণের সম্ভাব্য সব অস্ত্রই ব্যবহার করতে চাইবে বাংলাদেশ। আর কালো উইকেটে স্বাগতিকদের বড় অস্ত্র কোনটি, তা বলার দরকার আছে কি?

কালো উইকেটে যদি দেখা মেলে জয়ের ‘আলো’, তাহলে তো কালোই ভালো। গত চার সিরিজে ধারাবাহিক ব্যর্থতা এবং টানা চারটি ওয়ানডেতে হারের পর উইন্ডিজ সিরিজে জয়ের ধারায় ফিরেছে বাংলাদেশ দল। ৭৪ রানের সেই জয়ে নাকি ছিল কালো উইকেটের হাত!
স্পিনাররা বেশি টার্ন পান বলে বিদেশিদের কাছে এমনিতেই মিরপুর শেরেবাংলার ‘বাঘের ডেরা’র পরিচিতি। এবার উইন্ডিজ সিরিজে মাঠের কালো উইকেট আরও সুবিধা দিচ্ছে স্পিনারদের। বেশি টার্ন পাচ্ছে বল, মাটিতে পড়ার পর বেশি বেশি স্কিড করছে। এমন নয় যে এই সুবিধা পাচ্ছে শুধুই একটি দল। কিন্তু স্বাগতিক দলে রিশাদ হোসেনের মতো ভালো মানের স্পিনার থাকায় উইকেট থেকে বেশি ফায়দা পাওয়া দল বাংলাদেশই। অন্তত প্রতিপক্ষ ক্যারিবীয়দের চোখে ব্যাপারটা এমনই।
আজ সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে। এই ম্যাচ হারলেই সিরিজ খোয়াবে সফরকারী দল। সিরিজ বাঁচানোর ম্যাচে তাদের কী করতে হবে, তা এরই মধ্যে ভালোই বুঝে গেছে ড্যারেন স্যামির দল। লড়াইয়ের পুঁজি গড়া কিংবা রান তাড়ায় সফল হওয়া—দুটোতেই ক্যারিবীয় ব্যাটারদের মূল চ্যালেঞ্জ কালো উইকেটে স্পিনারদের বুঝেশুনে খেলা। প্রথম ম্যাচে ২০৮ রানের লক্ষ্য তাড়ায় তারা বিনা উইকেটে ৫৩ রান করেও অলআউট হয়েছিল ১৩৩ রানে। আর ক্যারিবীয় ব্যাটিং লাইনআপ ধসিয়ে দিতে ৬ উইকেট তুলে নিয়ে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন রিশাদ।
রিশাদ কিংবা বাকি স্বাগতিক স্পিনারদের কীভাবে সামলানো যায়, প্রথম ম্যাচের পর সেই চিন্তাই করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। গতকাল একাডেমি মাঠে তাদের অনুশীলনেও দেখা গেল স্পিনার সামলানোর প্রস্তুতি। নেটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্পিনারদের বলেই ব্যাটিং অনুশীলন করে গেলেন শাই হোপ, ব্রেন্ডন কিং, অলিক আথানেজরা।
স্পিনের প্রস্তুতিতে বাংলাদেশও কী কম গেছে! প্রথম ওয়ানডের কালো উইকেটে বল নিচু হয়ে আসার কথা মাথায় রেখে এদিন বড় হাতল আর ছোট ব্লেডের ‘মঙ্গুজ’ ব্যাটে অনুশীলন করেছেন তানজিদ হাসান ও সৌম্য সরকার। এই ব্যাটের সুবিধা কী? উত্তরটা শুনুন বাংলাদেশ দলের স্পিন কোচ মুশতাক আহমেদের মুখেই, ‘ছোট ব্যাট দিয়ে অনুশীলন করলে ব্যাটার তার গ্র্যাভিটি লেভেল নিচে নামাতে পারে। টার্নিং উইকেটে খেলতে হলে মাথা বলের কাছাকাছি রাখতে হয়। পায়ের মুভমেন্ট অলস হলে স্পিনার সহজে আউট করতে পারে। ছোট ব্যাটের অনুশীলন নিশ্চিত করে যে সামনের পায়ে কিংবা পেছনের পায়ে—যেভাবেই (ব্যাটার) খেলুন না কেন, মাথার অবস্থান বলের কাছেই থাকবে।’
তাহলে আজও স্পিনেই প্রতিপক্ষকে ঘায়েলের ছক বাংলাদেশের? লাগাতার চারটি সিরিজে হারের ধারায় ছেদ টানার সুযোগ যখন সামনে, কোন দল এই সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইবে! এক ম্যাচ হাতে রেখেই তূণের সম্ভাব্য সব অস্ত্রই ব্যবহার করতে চাইবে বাংলাদেশ। আর কালো উইকেটে স্বাগতিকদের বড় অস্ত্র কোনটি, তা বলার দরকার আছে কি?

২০২৬ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের আগে নিজেদের ঝালিয়ে নেওয়ার সুযোগ ছিল বাংলাদেশের। কিন্তু আজিজুল হাকিম তামিমের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সেই সুযোগটা পেলেন কোথায়! বৃষ্টির বাগড়ায় টুর্নামেন্টের আগে নিজেদের ঠিকমতো ঝালিয়ে নিতে পারলেন না তামিম-জাওয়াদ আবরাররা।
৫ ঘণ্টা আগে
রুবেন আমোরিমকে ৫ জানুয়ারি ছাঁটাই করে দলের পরের দুই ম্যাচের জন্য ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড দায়িত্ব দিয়েছিল ক্লাবেরই অনূর্ধ্ব-১৮ দলের কোচ ড্যারেন ফ্লেচারকে। সে দুই ম্যাচের পর দলের ডাগআউটে বসবেন কে? শোনা যাচ্ছে চলতি মৌসুমের অন্য সময়ের জন্য ৪৪ বছর বয়সী মাইকেল ক্যারিকই দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন ওল্ড ট্রাফোর্ডের দ
৬ ঘণ্টা আগে
২০২৬ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) শেষেই লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমদের ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। বিপিএল খেলে লিটনদের বিশ্বকাপের প্রস্তুতি কেমন হচ্ছে, সেটা নিয়ে কথাবার্তা বেশি হওয়ার কথা। কিন্তু সেগুলো বাদ দিয়ে বরং বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ভেন্যু পরিবর্তন নিয়ে আলাপ-আলোচনা বেশি হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে
ভারতের দিল্লি ও গুয়াহাটি ঘুরে আগামীকাল বাংলাদেশে আসছে ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি। সোনালী এই ট্রফি ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সকাল ১০টায় অবতরণ করবে। দুপুরে রাজধানীর রেডিসন ব্লু হোটেলে রাখা হবে প্রদর্শনের জন্য।
৯ ঘণ্টা আগে