করোনা পরিস্থিতি মাথায় রেখে আপাতত একটিমাত্র রাজ্যে চলছে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল)। লিগ পর্বের ৭০টি ম্যাচ হবে মহারাষ্ট্রের দুই শহর মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে, ব্রাবোর্ন ও ডিওয়াই পাতিল এবং পুনের এমসিএ স্টেডিয়ামে।
তবে ভারতের অধিকাংশ মানুষ দুই ডোজ টিকা নেওয়ায় ও সংক্রমণ কমে আসায় প্লে-অফ ও ফাইনাল কলকাতা ও আহমেদাবাদে আয়োজন করতে চাচ্ছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে শিগগিরই।
কলকাতার ঐতিহাসিক ইডেন গার্ডেনসের দর্শক ধারণ ক্ষমতা ৭০ হাজারের মতো। আর আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়াম তো বিশ্বের সর্ববৃহৎ ক্রীড়া ভেন্যু হিসেবে গিনেস বইয়েই জায়গা করে নিয়েছে। এর ধারণ ক্ষমতা ১ লাখ ৩২ হাজার। মূলত আর্থিক ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নিতে বৃহৎ দুই স্টেডিয়ামে শেষ চার ম্যাচ আয়োজনে উন্মুখ সৌরভ গাঙ্গুলীর নেতৃত্বাধীন বোর্ড।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, প্রথম কোয়ালিফায়ার ও এলিমিনেটর হবে ইডেন গার্ডেনসে। আর দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার ও ফাইনাল হবে নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে।
প্লে-অফ ম্যাচের আয়োজক হতে উত্তর প্রদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনও বিসিসিআইয়ের কাছে আবেদন করেছিল। নবাগত লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস এই রাজ্যেরই দল। তবে তাদের আবেদন আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিল নাকচ করে দিয়েছে।
সব ঠিক থাকলে ২০১৯ সালের পর ফের ইডেনে আইপিএলের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। করোনার প্রাদুর্ভাবে গত দুই বছর টুর্নামেন্টের বেশির ভাগ ম্যাচ হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতে।

২৫ গজ দূর থেকে নেওয়া এক দুর্দান্ত হাফ ভলি জড়াল জালে। গ্যালারিতে তখন বুনো উল্লাস। এমন একটা নান্দনিক গোলের পর জার্সি খুলে ভোঁ-দৌড় দেওয়া কিংবা দর্শকদের মাঝে ঝাঁপিয়ে পড়াই তো স্বাভাবিক। কিন্তু গোলদাতা ইয়াসিন আয়ারি কেবল হাত দুটো জোড় করলেন, এরপর নতজানু হয়ে চুম্বন করলেন সবুজ ঘাসকে।
৮ মিনিট আগে
লিওনেল মেসির ক্যারিয়ারে রেকর্ড যেন নিত্যসঙ্গী। আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ ধরে রাখার অভিযান শুরু হবে আগামী বুধবার আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে। সেই ম্যাচেই লা আলবিসেলেস্তেদের হয়ে ২০০তম ম্যাচ খেলার অনন্য কীর্তি গড়তে যাচ্ছেন দশ নম্বর জার্সিধারী।
১৮ মিনিট আগে
আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ প্রস্তুতিতে শুরুর একাদশ নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি। শেষ পর্যায়ের অনুশীলনে কোচ লিওনেল স্কালোনি দুই ধরনের ফরমেশন বানিয়ে একাদশ পরীক্ষা করেছেন। যেখানে রক্ষণভাগ নিয়েই মূল অনিশ্চয়তা দেখা গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের ইতিহাসে সাতবার খেলার যোগ্যতা অর্জন করলেও তিউনিসিয়া কখনো গ্রুপ পর্বের বাধা পার হতে পারেনি। ২১ জুন জাপানের বিপক্ষে বাঁচা-মরার লড়াইয়ে মাঠে নামবে উত্তর আফ্রিকার দলটি, তবে ততক্ষণে ডাগআউটে দেখা যাবে নতুন কোনো মুখ।
৩ ঘণ্টা আগে