নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ঢাকার পূর্বাচলে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নিজস্ব অর্থায়নে হতে যাওয়া স্টেডিয়ামের নির্মাণ শুরু হবে করে পাঁচ-ছয় বছর কেটে গেছে। আজ বিসিবির গ্রাউন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান মাহবুব উল আনাম যেমন জানিয়েছেন, আগামী মাস থেকে স্টেডিয়ামের নির্মাণের কাজ পুরোপুরি শুরু হবে।
নতুন করে সরকারের কাছে স্টেডিয়াম নির্মাণের কর মওকুফের আবেদনের কারণে নির্মাণকাজ শুরু হতে দেরি হচ্ছে। আগামী দুই বছরের মধ্যে প্রায় ৭০০ কোটি টাকায় স্টেডিয়ামটি নির্মাণ হবে বলে জানা গেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে হতে যাওয়া স্টেডিয়ামে আগামী বছরের ক্রিকেট মৌসুমে ঘরোয়া ক্রিকেট খেলা আয়োজনেও আশাবাদী গ্রাউন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান, ‘আউটডোর ও অনুশীলন মাঠ হবে। এখন যদি উইকেট তৈরি করতে পারি, তাহলে আগামী বছরের ক্রিকেট মৌসুমে ক্রিকেট খেলা সম্ভব হবে। উইকেট আর আউটফিল্ড তৈরি হয়ে গেলে বাকি কাজগুলো খেলা চালিয়েও করা সম্ভব হবে।’
অত্যাধুনিক একাডেমি, জিম, সুইমিংপুল, ইনডোর, আউটডোর এবং অতিথি দলের ব্যাপারটি মাথায় রেখে হোটেলও করার পরিকল্পনা করেছে বিসিবি। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় স্টেডিয়াম নির্মাণে স্বাভাবিকভাবে খরচও বেশি হওয়ার কথা। নির্মাণব্যয় নিয়ে মাহবুব উল আনাম বলেছেন, ‘একটা স্টেডিয়াম করতে অনেক ধরনের কস্টিং থাকে, ভারতের মোতেরা (আহমেদাবাদে) স্টেডিয়াম নির্মাণে ভারতীয় রুপিতে ৭০০ বা ৮০০ কোটি খরচ হয়েছিল। ওটাকে যদি একটা মানদণ্ড ধরা হয়, সেটির তুলনায় কিছুটা কম হবে। সেটা ১ লাখ ১০ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতা সম্পন্ন স্টেডিয়াম। (শেখ হাসিনা স্টেডিয়ামের ব্যয়) ৫০০ কোটি কি না তা বলা কঠিন, এখানে শুধু মাঠ নয়, একাডেমি ভবন হচ্ছে, বিসিবির একটা নিজস্ব ভবন হচ্ছে।’
বিসিবির আরেক পরিচালক আজকের পত্রিকাকে জানিয়েছেন, শুরুতে নির্মাণ ব্যয় ৫০০-৬০০ কোটি টাকা ধরলেও বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় ৭০০ কোটি পেরিয়ে যাবে।

ঢাকার পূর্বাচলে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নিজস্ব অর্থায়নে হতে যাওয়া স্টেডিয়ামের নির্মাণ শুরু হবে করে পাঁচ-ছয় বছর কেটে গেছে। আজ বিসিবির গ্রাউন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান মাহবুব উল আনাম যেমন জানিয়েছেন, আগামী মাস থেকে স্টেডিয়ামের নির্মাণের কাজ পুরোপুরি শুরু হবে।
নতুন করে সরকারের কাছে স্টেডিয়াম নির্মাণের কর মওকুফের আবেদনের কারণে নির্মাণকাজ শুরু হতে দেরি হচ্ছে। আগামী দুই বছরের মধ্যে প্রায় ৭০০ কোটি টাকায় স্টেডিয়ামটি নির্মাণ হবে বলে জানা গেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে হতে যাওয়া স্টেডিয়ামে আগামী বছরের ক্রিকেট মৌসুমে ঘরোয়া ক্রিকেট খেলা আয়োজনেও আশাবাদী গ্রাউন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান, ‘আউটডোর ও অনুশীলন মাঠ হবে। এখন যদি উইকেট তৈরি করতে পারি, তাহলে আগামী বছরের ক্রিকেট মৌসুমে ক্রিকেট খেলা সম্ভব হবে। উইকেট আর আউটফিল্ড তৈরি হয়ে গেলে বাকি কাজগুলো খেলা চালিয়েও করা সম্ভব হবে।’
অত্যাধুনিক একাডেমি, জিম, সুইমিংপুল, ইনডোর, আউটডোর এবং অতিথি দলের ব্যাপারটি মাথায় রেখে হোটেলও করার পরিকল্পনা করেছে বিসিবি। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় স্টেডিয়াম নির্মাণে স্বাভাবিকভাবে খরচও বেশি হওয়ার কথা। নির্মাণব্যয় নিয়ে মাহবুব উল আনাম বলেছেন, ‘একটা স্টেডিয়াম করতে অনেক ধরনের কস্টিং থাকে, ভারতের মোতেরা (আহমেদাবাদে) স্টেডিয়াম নির্মাণে ভারতীয় রুপিতে ৭০০ বা ৮০০ কোটি খরচ হয়েছিল। ওটাকে যদি একটা মানদণ্ড ধরা হয়, সেটির তুলনায় কিছুটা কম হবে। সেটা ১ লাখ ১০ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতা সম্পন্ন স্টেডিয়াম। (শেখ হাসিনা স্টেডিয়ামের ব্যয়) ৫০০ কোটি কি না তা বলা কঠিন, এখানে শুধু মাঠ নয়, একাডেমি ভবন হচ্ছে, বিসিবির একটা নিজস্ব ভবন হচ্ছে।’
বিসিবির আরেক পরিচালক আজকের পত্রিকাকে জানিয়েছেন, শুরুতে নির্মাণ ব্যয় ৫০০-৬০০ কোটি টাকা ধরলেও বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় ৭০০ কোটি পেরিয়ে যাবে।

বিকেলে আজ সাংবাদিকদের সামনে বেফাঁস মন্তব্য করে বসেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ও অর্থ কমিটির চেয়ারম্যান এম নাজমুল ইসলাম। এবার তাঁর পদত্যাগের দাবি উঠেছে। যদি তিনি পদত্যাগ না করেন, তাহলে খেলা বন্ধের হুমকি দিয়েছেন ক্রিকেটাররা।
১১ মিনিট আগে
২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কোনো ক্ষতি হবে না, ক্রিকেটারদের কাছ থেকে কি আমরা টাকা ফেরত চাচ্ছি—বিসিবির অর্থ কমিটির চেয়ারম্যান এম নাজমুল ইসলাম আজ বিকেলে সাংবাদিকদের এমন কথা বলেছিলেন। তাঁর এই বক্তব্যের পর দুঃখপ্রকাশ করেছে বিসিবি। এমনকি সেই পরিচালকের বিরুদ্ধে ব্য
২৭ মিনিট আগে
নায়ক হওয়ার সুবর্ণ সুযোগ ছিল রিশাদ হোসেনের সামনে। শেষ বলে ছক্কা মারলেই হোবার্ট হারিকেনস পেত রোমাঞ্চকর এক জয়। কিন্তু বোলিংয়ে মুগ্ধতা ছড়ানো রিশাদ ব্যাটিংয়ে সেটা করে দেখাতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ব্রিসবেন হিটের কাছে ৩ রানে হেরে গেছে হোবার্ট হারিকেনস।
১ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ খেলতে যাবে কি না, সেই অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ও অর্থ কমিটির চেয়ারম্যান এম নাজমুল ইসলামের মতে লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমরা বিশ্বকাপ না খেলতে পারলে বোর্ডের কোনো ক্ষতি হবে না।
২ ঘণ্টা আগে