
আইপিএলের এলিমিনেটর ম্যাচ হারার পর হয়তো মাথার অরেঞ্জ ক্যাপটা ভারীই লাগছিল বিরাট কোহলির। এবারের আইপিএলের (৭৪১ রান) শীর্ষ রান সংগ্রাহক হয়েও যে দলকে ফাইনালে নিতে পারেননি তিনি। ক্যাপটা খুলে ফেলার সুযোগ না থাকায় যেন উইকেটের বেল ফেলে দিলেন ভারতীয় কিংবদন্তি।
এমন হতাশার চিত্র গেল ১৭ বছর ধরেই হয়ে আসছে আইপিএলে। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে তিনবার টুর্নামেন্টের ফাইনালে খেললেও অধরা ট্রফিটা ছুঁয়ে দেখার সুযোগ পাচ্ছেন না কোহলি। এবার তো প্লে অফে বিদায় নিতে হলো তাঁদের। দীর্ঘ বছরে অনেক কিছু পরিবর্তন হলেও শুধু ভাগ্যটা বদলাচ্ছে না ভারতের সাবেক অধিনায়কের।
আইপিএলের একটা শিরোপার জন্য প্রতিবারই অনেক উদ্দীপনা এবং উৎসাহ নিয়ে লড়াইয়ে নামেন কোহলি। কিন্তু টুর্নামেন্ট শেষে তাঁর উদ্দীপনা–উৎসাহ আর কঠোর পরিশ্রম সার্থকতা পায় না। প্রতি আসরের নামের পাশে যেন ক্রস চিহ্ন দিয়ে কলমের কালি শেষ করে দিচ্ছেন তিনি। যেমনটা ক্যারিয়ারের গোধূলি লগ্নে এসে পৌঁছেছেন কোহলি। কিন্তু টিক চিহ্ন দেওয়ার সুযোগটুকু মিলছে না তাঁর।
অথচ কোহলির নামের পাশে রয়েছে ভারতীয় দলের হয়ে সম্ভাব্য সব শিরোপাই। ওয়ানডে বিশ্বকাপ, চ্যাম্পিয়নস ট্রফিসহ এশিয়া কাপ কি নেই তাঁর নামের পাশে। আর ব্যক্তিগত পুরস্কারে হয়তো আলমারিটা ভরে গেছে অনেক আগেই। কিন্তু ৩৫ বছর বয়সে এসেও একটি আইপিএল ট্রফির জন্য মাথা ঠুকছেন তিনি।
২০০৮ সালে শুরু হওয়া আইপিএলে এখন পর্যন্ত বেঙ্গালুরুর হয়ে খেলেও যখন ভাগ্য বদলাচ্ছে না কোহলির তখন দল পরিবর্তনের কথা জানিয়েছেন কেভিন পিটারসেন। আগেও অনেকবারই কোহলিকে দল বদলের কথা জানিয়েছিলেন ইংল্যান্ডের সাবেক ব্যাটার। গতকাল রাজস্থান রয়্যালসের কাছে ৪ উইকেটে হেরে বেঙ্গালুরুর বিদায় নিশ্চিত হওয়ার পরেই পুরোনো সুরটা আবারও সামনে এনেছেন পিটারসেন।
ম্যাচ শেষে স্টার স্পোর্টসকে পিটারসেন বলেছেন, ‘আমি আগেও বলেছি এবং আবারও বলছি—অন্য খেলার কিংবদন্তিরাও সাফল্যের জন্য দল পরিবর্তন করেছেন। যখন সে চেষ্টা করেছে এবং কঠোর পরিশ্রম করছে... আবারও অরেঞ্জ ক্যাপ জিতেছে এবং দলের অনেক কিছু করারও পর ফ্র্যাঞ্চাইজি আবারও ব্যর্থ হচ্ছে। আমি দলের ব্র্যান্ডটা বুঝতে পারছি এবং দলের জন্য সে বাণিজ্যিক মূল্য এনেছে... কিন্তু বিরাট কোহলির একটা ট্রফি প্রাপ্য। তার এমন এক দলে যাওয়া উচিত যারা তাকে ট্রফি জিততে সহায়তা করবে।’
কোহলির কোনো দল যাওয়া উচিত সেই দলটির নামও জানিয়েছেন পিটারসেন। তিনি বলেছেন, ‘আমার মনে হয় তার দিল্লিতে যাওয়া উচিত। দিল্লি এমন এক দল যেখানে বিরাটের যাওয়া প্রয়োজন। অধিকাংশ সময় সে বাড়ির অনুভূতি পাবে। আমি জানি তার বাড়ি দিল্লিতে। তার ছোট্ট এক পরিবার আছে। সে অনেক সময় কাটাতে পারবে। দিল্লির সন্তান হয়ে কেন সে সেখানে ফিরছে না? বেঙ্গালুরুর মতো দিল্লিও তাকে পেতে মরিয়া।’
দিল্লিতে যাওয়ার সুযোগও রয়েছে কোহলির সামনে। আগামী টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার আগে আইপিএলের এবার বড় নিলাম হবে। সেদিক থেকে কোহলি সুযোগটা নিতেই পারেন। সিদ্ধান্তটা ভারতীয় কিংবদন্তির। এখন দেখার বিষয় পিটারসেনের ডাকে সাড়া দেন কিনা কোহলি।

আইপিএলের এলিমিনেটর ম্যাচ হারার পর হয়তো মাথার অরেঞ্জ ক্যাপটা ভারীই লাগছিল বিরাট কোহলির। এবারের আইপিএলের (৭৪১ রান) শীর্ষ রান সংগ্রাহক হয়েও যে দলকে ফাইনালে নিতে পারেননি তিনি। ক্যাপটা খুলে ফেলার সুযোগ না থাকায় যেন উইকেটের বেল ফেলে দিলেন ভারতীয় কিংবদন্তি।
এমন হতাশার চিত্র গেল ১৭ বছর ধরেই হয়ে আসছে আইপিএলে। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে তিনবার টুর্নামেন্টের ফাইনালে খেললেও অধরা ট্রফিটা ছুঁয়ে দেখার সুযোগ পাচ্ছেন না কোহলি। এবার তো প্লে অফে বিদায় নিতে হলো তাঁদের। দীর্ঘ বছরে অনেক কিছু পরিবর্তন হলেও শুধু ভাগ্যটা বদলাচ্ছে না ভারতের সাবেক অধিনায়কের।
আইপিএলের একটা শিরোপার জন্য প্রতিবারই অনেক উদ্দীপনা এবং উৎসাহ নিয়ে লড়াইয়ে নামেন কোহলি। কিন্তু টুর্নামেন্ট শেষে তাঁর উদ্দীপনা–উৎসাহ আর কঠোর পরিশ্রম সার্থকতা পায় না। প্রতি আসরের নামের পাশে যেন ক্রস চিহ্ন দিয়ে কলমের কালি শেষ করে দিচ্ছেন তিনি। যেমনটা ক্যারিয়ারের গোধূলি লগ্নে এসে পৌঁছেছেন কোহলি। কিন্তু টিক চিহ্ন দেওয়ার সুযোগটুকু মিলছে না তাঁর।
অথচ কোহলির নামের পাশে রয়েছে ভারতীয় দলের হয়ে সম্ভাব্য সব শিরোপাই। ওয়ানডে বিশ্বকাপ, চ্যাম্পিয়নস ট্রফিসহ এশিয়া কাপ কি নেই তাঁর নামের পাশে। আর ব্যক্তিগত পুরস্কারে হয়তো আলমারিটা ভরে গেছে অনেক আগেই। কিন্তু ৩৫ বছর বয়সে এসেও একটি আইপিএল ট্রফির জন্য মাথা ঠুকছেন তিনি।
২০০৮ সালে শুরু হওয়া আইপিএলে এখন পর্যন্ত বেঙ্গালুরুর হয়ে খেলেও যখন ভাগ্য বদলাচ্ছে না কোহলির তখন দল পরিবর্তনের কথা জানিয়েছেন কেভিন পিটারসেন। আগেও অনেকবারই কোহলিকে দল বদলের কথা জানিয়েছিলেন ইংল্যান্ডের সাবেক ব্যাটার। গতকাল রাজস্থান রয়্যালসের কাছে ৪ উইকেটে হেরে বেঙ্গালুরুর বিদায় নিশ্চিত হওয়ার পরেই পুরোনো সুরটা আবারও সামনে এনেছেন পিটারসেন।
ম্যাচ শেষে স্টার স্পোর্টসকে পিটারসেন বলেছেন, ‘আমি আগেও বলেছি এবং আবারও বলছি—অন্য খেলার কিংবদন্তিরাও সাফল্যের জন্য দল পরিবর্তন করেছেন। যখন সে চেষ্টা করেছে এবং কঠোর পরিশ্রম করছে... আবারও অরেঞ্জ ক্যাপ জিতেছে এবং দলের অনেক কিছু করারও পর ফ্র্যাঞ্চাইজি আবারও ব্যর্থ হচ্ছে। আমি দলের ব্র্যান্ডটা বুঝতে পারছি এবং দলের জন্য সে বাণিজ্যিক মূল্য এনেছে... কিন্তু বিরাট কোহলির একটা ট্রফি প্রাপ্য। তার এমন এক দলে যাওয়া উচিত যারা তাকে ট্রফি জিততে সহায়তা করবে।’
কোহলির কোনো দল যাওয়া উচিত সেই দলটির নামও জানিয়েছেন পিটারসেন। তিনি বলেছেন, ‘আমার মনে হয় তার দিল্লিতে যাওয়া উচিত। দিল্লি এমন এক দল যেখানে বিরাটের যাওয়া প্রয়োজন। অধিকাংশ সময় সে বাড়ির অনুভূতি পাবে। আমি জানি তার বাড়ি দিল্লিতে। তার ছোট্ট এক পরিবার আছে। সে অনেক সময় কাটাতে পারবে। দিল্লির সন্তান হয়ে কেন সে সেখানে ফিরছে না? বেঙ্গালুরুর মতো দিল্লিও তাকে পেতে মরিয়া।’
দিল্লিতে যাওয়ার সুযোগও রয়েছে কোহলির সামনে। আগামী টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার আগে আইপিএলের এবার বড় নিলাম হবে। সেদিক থেকে কোহলি সুযোগটা নিতেই পারেন। সিদ্ধান্তটা ভারতীয় কিংবদন্তির। এখন দেখার বিষয় পিটারসেনের ডাকে সাড়া দেন কিনা কোহলি।

ফুটসালে অভিজ্ঞতার ঝুলি খুব একটা ভারী নয় কারোরই। তাই লড়াই জমে উঠল বেশ। কখনো বাংলাদেশ এগিয়ে, আবার কখনো এগিয়ে ভারত। পড়তে পড়তে রোমাঞ্চ ছড়ানো ম্যাচে দিনশেষে অবশ্য জিতল না কেউই।
৪০ মিনিট আগে
প্রথমবার এসেই যেন বাংলাদেশের প্রেমে পড়ে গেছেন ব্রাজিলের ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার গিলবার্তো সিলভা। ফিফার দূত হিসেবে বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে যখন সিলভা ঢাকার হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে পা রেখেছেন, পাশে ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াও। অনুষ্ঠান যেভাবে আয়োজন করা হয়েছে, তাতে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন
১ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র ৩ সপ্তাহ বাকি থাকলেও এখনো বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা চলছে। বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত নন তানজিদ হাসান তামিম। এই বাঁ হাতি ব্যাটারের বিশ্বাস, বিষয়টি ভালোভাবেই দেখছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ও আইসিসি।
১ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে আর বেশি দিন বাকি নেই। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে ছোট সংস্করণে বিশ্বকাপের দশম পর্ব। তার আগে ৩ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে পাকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়া।
২ ঘণ্টা আগে