
বিপিএলের চলতি পর্বে রংপুর রাইডার্সের হয়ে ওপেনিংয়ে নেমে ধারাবাহিকভাবে রান করছেন তাওহীদ হৃদয়। তবে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তাঁকে দিয়ে ওপেনিং করানোর পরিকল্পনা নেই বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক লিটন দাসের। সবকিছু ঠিক থাকলে মিডল অর্ডারেই নামতে হবে হৃদয়কে।
রংপুরের হয়ে প্রথম ৬ ম্যাচে তিনে ব্যাট করতে নেমে ১০৬ রান করেন হৃদয়। এরপর দলের চাওয়াতে ব্যাটিং অর্ডারে পরিবর্তন এনে সবশেষ ৪ ম্যাচে ওপেনিং করতে নামেন। তাতেই বাজিমাত করেন তরুণ ব্যাটার। এক সেঞ্চুরি এবং ২ ফিফটিতে ২৭২ রান এনে দেন হৃদয়। সবশেষ আজ নোয়াখালী এক্সপ্রেসের বিপক্ষে দল জেতানোর পথে খেলেন ১০৯ রানের ইনিংস। গতকাল ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে তাঁর ব্যাট থেকে আসে ৬২ রান। এর আগে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে ৯৭ রানের অপরাজিত ইনিংস উপহার দেন হৃদয়।
৩৭৮ রান নিয়ে রান সংগ্রাহকদের তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছেন হৃদয়। টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ব্যাটিং পজিশন নিয়ে লিটনের সঙ্গে কী কথা হয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘লিটন ভাই এমন কোনো বার্তা আমাকে দেননি (বিশ্বকাপে কোন পজিশনে খেলতে হবে সেটা নিয়ে)। আমাকে যেটা বলেছেন যে, যদি সবকিছু ঠিক থাকে তুই বিশ্বকাপে মিডল অর্ডারেই খেলবি। চেষ্টা কর মিডলে খেললে তোর জন্য ভালো একটা অনুশীলন হবে। কারণ মিডলে খেলাটা একটু অন্যরকম খেলা। মিডলের খেলা এত সহজ না।’
একজন পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবে যেকোনো পজিশনে খেলতে প্রস্তুত হৃদয়, ‘যখন দল আমাকে ওপেনিং করার সুযোগ দিয়েছে, আমি বলেছি কোনো সমস্যা নেই। কারণ নিজে থেকে মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকি আমাকে যখন যেখানেই ব্যাট করতে হয় যেন অবদান রাখতে পারি। পেশাদার খেলোয়াড় হিসেবে সব জায়গায় খেলার অভ্যাস রাখা উচিত। সব জায়গায় কীভাবে মানিয়ে নেওয়া যায় সেটা খুব গুরুত্বপূর্ণ।’
দলের স্বার্থকেই সব সময় অগ্রাধিকার দেন হৃদয়। তিনি বলেন, ‘আমি যদি সত্যি বলি, আমার কাছে মনে হয় যে খেলোয়াড় হিসেবে আমাকে যেখানে সুযোগ দেবে, দলের চাহিদা যেখানে আমি সেখানেই প্রস্তুত। কারণ এটা তো দিন শেষে দলীয় খেলা। এটা তো আমার নিজের খেলা না।’

ডারউইনে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়াকে কাঁপিয়ে এখন ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করার হাতছানি এখন বাংলাদেশের সামনে। ব্যাটিং, বোলিংয়ে প্রতিপক্ষকে নাজেহাল করেছে ফিল সিমন্সের বাংলাদেশ।প্রতিপক্ষকে ধবলধোলাইয়ের এমন সম্ভাবনা যখন বাংলাদেশের সামনে, তখন স্বাভাবিকভাবেই কৌশল নিয়ে কৌতূহল জেগেছে অনেকের। তবে সিমন্স তা খোলাসা করেননি।
১ ঘণ্টা আগে
ডারউইনে বাংলাদেশের কাছে ৯ উইকেটে হারের পরও প্রতিপক্ষকে নিয়ে কোনো বিস্ময় নেই অস্ট্রেলিয়ার অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিনের। বরং তাঁর দাবি, বাংলাদেশ যে ভালো দল, সেটি আগেই তাঁদের জানা ছিল। প্রথম দিনের পরই ম্যাচটা কঠিন হতে যাচ্ছে সেটিও বুঝে গিয়েছিলেন তাঁরা।
২ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ার মাঠে অস্ট্রেলিয়াকে হারানো তো চাট্টিখানি কথা নয়। ডারউইনে সিরিজের প্রথম টেস্টে ৯ উইকেটে হারিয়ে ইতিহাস গড়ার পর প্রশংসায় ভাসছেন নাজমুল হোসেন শান্ত-মুশফিকুর রহিমরা। এবার তাদের সামনে ইতিহাস সমৃদ্ধ করার হাতছানি। ম্যাকেতে পরশু শুরু হতে যাওয়া দ্বিতীয় টেস্টটা নিয়েই এখন ভাবনা প্রধান কোচ ফিল সিমন্স
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট হেরে কোণঠাসা অবস্থায় অস্ট্রেলিয়া। প্যাট কামিন্সের দল এখন হোয়াইটওয়াশের আশঙ্কায়। শুধু তা-ই নয়, বাংলাদেশের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্ট হারলে প্রভাব পড়বে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ওপরও। ক্যামেরন গ্রিন যেন সেটাই বোঝাতে চাইলেন।
৩ ঘণ্টা আগে