
জিতলে বয়ে যায় প্রশংসার বন্যা। হারলে চলে তুমুল সমালোচনা। ক্রীড়াঙ্গনে এগুলো খুবই সাধারণ ঘটনা। বাংলাদেশ ক্রিকেটও এর ব্যতিক্রম নয়। তবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি তামিম ইকবাল মনে করেন, দেশের ক্রিকেট এগিয়ে নিয়ে যেতে পরিকল্পনায় একটু পরিবর্তন আনা উচিত।
ভারত-পাকিস্তানের মতো তুলনামূলক শক্তিশালী দলের বিপক্ষে সিরিজ জিতলে বোনাস ঘোষণা করা বাংলাদেশের ক্রিকেটে নতুন কিছু নয়। তেমনি আইসিসি ইভেন্ট বা কোনো দ্বিপক্ষীয় সিরিজে ভরাডুবি হলে সমালোচনাও একেবারে কম হয় না। সামাজিক মাধ্যমে বিদ্রুপ তো চলেই। পাশাপাশি ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরাও করেন নানারকম বিচার-বিশ্লেষণ। আজ তামিম এ ব্যাপারে সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রত্যেক সিরিজে বোনাস ঘোষণা করা আর প্রতি সিরিজে তাদের এখানে নিয়ে এসে প্রশ্ন করা—আমি এটার পক্ষে না। ক্রিকেট এভাবে চলে না।’
বিসিবির সভা শেষে আজ দীর্ঘ সংবাদ সম্মেলন করেছেন তামিম। নিজে যেমন একটানা কথা বলেছেন, দিয়েছেন সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরও। বিসিবি সভাপতির মতে ছয় মাসের পরিকল্পনা নিয়ে এগোলে দেশের ক্রিকেটের উন্নতি হবে। তামিম সাংবাদিকদের বলেন, ‘তাদের ৬ মাসের পরিকল্পনা নিয়ে এগোতে হবে। ছয় মাসের মধ্যে ব্যক্তিগত পরিকল্পনা, দলীয় পরিকল্পনা—কী অর্জন করেছে, এটা নিয়ে কথা বলব। ছয় মাসের মধ্যে কেউ যদি বাজেভাবে ব্যর্থ হয়, অবশ্যই বোর্ড এবং ডিপার্টমেন্ট সিদ্ধান্ত নেবে।’
ওয়েস্ট ইন্ডিজ, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া—ঘরের মাঠে টানা চার ওয়ানডে সিরিজ জয়ের পর বাংলাদেশ বিদেশ সফরে মুখ থুবড়ে পড়েছে। জিম্বাবুয়ের কাছে ২-১ ব্যবধানে ওয়ানডে সিরিজ হেরেছে বাংলাদেশ। ফুটবল বিশ্বকাপের মধ্যে হওয়ায় বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে সিরিজ নিয়ে আলোচনা কম হলেও সমালোচনা যে একেবারেই হয়নি, তা কিন্তু নয়। সরাসরি এ ব্যাপারে কথা না বললেও তামিম যেন এদিকেই ইঙ্গিত করেছেন। বিসিবি সভাপতি বলেন, ‘আমরা যদি প্রত্যেক সিরিজকে সেভাবে বিবেচনা করা শুরু করি, আমরা কি ক্রিকেটকে সামনে এগিয়ে নিতে পারব? আমি সেটা মনে করি না।’
২০২২ সালে সবশেষ বাংলাদেশ সফর করেছে ভারতীয় ক্রিকেট দল। সেবার বাংলাদেশ ওয়ানডে সিরিজ জিতেছিল ২-১ ব্যবধানে। গত বছর ভারতীয় দলের বাংলাদেশে আসার কথা ছিল। কিন্তু সেটা পিছিয়ে যায় ১৩ মাস। সেই হিসেবে এ বছরের সেপ্টেম্বরে হওয়ার কথা বাংলাদেশ-ভারত সিরিজ। সূচি অনুযায়ী তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি রয়েছে এই সিরিজে।
বাংলাদেশ-ভারত সিরিজ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তামিম স্পষ্ট করে কিছু বলতে পারেননি ঠিকই। তবে তিনি আশাবাদী এই সিরিজ হবেই। আজকের বিসিবি সভা শেষে সভাপতি বলেন, ‘ভারত সিরিজ নিয়ে দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমার কাছে কোনো সংবাদ নেই। আমি আলোচনা করছি। বিসিসিআইয়ের সঙ্গে বিসিবি ইমেইল আদান-প্রদান করছে। আমরা সব দিক থেকে চেষ্টা করছি। বাংলাদেশ-ভারত সিরিজ নিয়ে সাংবাদিক, ভক্ত-সমর্থক, ক্রিকেটার—সব জায়গা থেকে অন্যরকম এক উন্মাদনা থাকে। আশাবাদী তারা (ভারত) আসবে। বাংলাদেশ নিরাপদ দেশ।’
মেহেদী হাসান মিরাজকে সরিয়ে আজ লিটন দাসকে ওয়ানডে দলের নেতৃত্বভার তুলে দেওয়া হয়েছে। লিটন একই সঙ্গে ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি—দুই দলকেই নেতৃত্ব দেবেন। ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত লিটন ওয়ানডে দলকে নেতৃত্ব দেবেন। সাদা বলে সহ-অধিনায়ক থাকছেন তাওহীদ হৃদয়। টেস্টে আগের মতোই নাজমুল হোসেন শান্ত অধিনায়ক। লাল বলের সংস্করণে শান্তর ডেপুটি থাকছেন মিরাজ।

ওয়ানডে বিশ্বকাপ যে বাংলাদেশে আগে কখনো হয়নি, তা নয়। ২০১১ সালে ভারত-শ্রীলঙ্কার সঙ্গে যৌথভাবে আইসিসির এই ইভেন্ট আয়োজন করেছিল বাংলাদেশ। দীর্ঘ ২০ বছর পর ওয়ানডে বিশ্বকাপ আয়োজন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ২০৩১ ওয়ানডে বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে পূর্বাচল স্টেডিয়াম নিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বিশেষ পরিকল্পনা রয়ে
২ ঘণ্টা আগে
ওয়ানডে অধিনায়ক হিসেবে মেহেদী হাসান মিরাজের অধ্যায় শেষ। সাদা বলের এই সংস্করণেও লিটন নেতৃত্ব দেবেন বাংলাদেশকে। কেন এই অধিনায়ক পরিবর্তন—আজ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি তামিম ইকবাল সংবাদ সম্মেলনে ব্যাখ্যা দিয়েছেন। অধিনায়কত্বের ব্যাটন সরিয়ে নেওয়ার আগে মিরাজের সঙ্গে আলোচনাও করেছিলেন বলে জানিয়ে
৩ ঘণ্টা আগে
কাভা মেনস ভলিবল চ্যাম্পিয়নশিপে দুর্দান্ত এক অভিযান শেষে শিরোপার স্বপ্ন আর পূরণ হলো না বাংলাদেশের। ফাইনালে স্বাগতিক পাকিস্তানের বিপক্ষে ৩-০ সেটে হেরে রানার্সআপ হয়েই টুর্নামেন্ট শেষ করেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
৪ ঘণ্টা আগে
আলোচনাটা অনেক দিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত সেটাই সত্যিই হলো। বাংলাদেশের নতুন ওয়ানডে অধিনায়ক এখন লিটন দাস।
৪ ঘণ্টা আগে