
ওয়ানডে বিশ্বকাপ যে বাংলাদেশে আগে কখনো হয়নি, তা নয়। ২০১১ সালে ভারত-শ্রীলঙ্কার সঙ্গে যৌথভাবে আইসিসির এই ইভেন্ট আয়োজন করেছিল বাংলাদেশ। দীর্ঘ ২০ বছর পর ওয়ানডে বিশ্বকাপ আয়োজন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ২০৩১ ওয়ানডে বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে পূর্বাচল স্টেডিয়াম নিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বিশেষ পরিকল্পনা রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তামিম ইকবাল।
আজ বিসিবির সভায় বেশ কিছু ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তামিম। যার মধ্যে অধিনায়কত্ব ও পূর্বাচল স্টেডিয়াম ছিল অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ। সভা শেষে সাংবাদিকদের বিসিবি সভাপতি বলেন, ‘স্টেডিয়ামের যে বিষয়টা আসছে, স্টেডিয়ামের বিষয়ের জন্য সম্ভবত সরকারের অর্থায়ন লাগবে। আর যেহেতু আপনারা জানেন যে ২০৩১ সালে বাংলাদেশে ওয়ানডে বিশ্বকাপ হবে। যেটা ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় টুর্নামেন্ট। এটা আয়োজন করা বাংলাদেশের জন্য অনেক বড় গর্বের বিষয়। আমি নিশ্চিত সরকার অবশ্যই ব্যাপারটা বিবেচনা করবে। যখন বিশ্বকাপের জন্য বিড করা হচ্ছিল, পূর্বাচল সেটার অংশ ছিল।’
বিসিবি বোর্ড আনুষ্ঠানিকভাবে পূর্বাচলে ক্রিকেট এক্সিলেন্স সেন্টার নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছে এবং খুব দ্রুত কাজ শুরু হবে। আগে আন্তর্জাতিক স্থাপত্য প্রতিষ্ঠান পপুলাস যে নকশা করেছিল, সেটা বর্তমান বোর্ডের পরিকল্পনার সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে তাদের দিয়ে নকশাটি পুনরায় করানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ বিষয়ে পপুলাসের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে এবং তাদের প্রায় ৯ লাখ ডলারের বকেয়া অর্থ নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তামিম। বাংলাদেশি মুদ্রায় তা ১১ কোটি ১০ লাখ টাকা।
এক্সিলেন্স সেন্টারের নির্মাণে বিসিবি ফান্ড ব্যবহার করা হবে বলে উল্লেখ করেছেন তামিম। একই প্রকল্পের অংশ হিসেবে পরিকল্পিত আন্তর্জাতিক মানের স্টেডিয়াম নির্মাণে সরকারের অর্থায়ন প্রয়োজন হবে। ২০৩১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ আয়োজনকে সামনে রেখে সরকারও এ প্রকল্পকে গুরুত্ব দেবে বলে বিসিবি আশাবাদী এবং এ বিষয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিসিবি সভাপতি।
বিসিবি জানিয়েছে, বর্তমান বোর্ড দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে অবকাঠামোগত উন্নয়নে এগোচ্ছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী আড়াই থেকে তিন বছরের মধ্যে পুরো প্রকল্প সম্পন্ন করার লক্ষ্য রয়েছে। প্রকল্পে থাকবে আন্তর্জাতিক মানের সেন্টার অব এক্সিলেন্স, বিসিবি অফিস এবং আধুনিক সব ধরনের প্রশিক্ষণ ও সহায়ক সুবিধা। বিসিবি সভাপতি নিজেও নকশা ও সুযোগ-সুবিধা নির্ধারণের কাজে সরাসরি যুক্ত আছেন, যাতে বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য সর্বোচ্চ মানের একটি স্থাপনা গড়ে তোলা যায়।
মেহেদী হাসান মিরাজকে সরিয়ে আজ লিটন দাসকে ওয়ানডে দলের নেতৃত্বভার তুলে দেওয়া হয়েছে। লিটন একই সঙ্গে ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি—দুই দলকেই নেতৃত্ব দেবেন। সাদা বলে
সহ-অধিনায়ক থাকছেন তাওহীদ হৃদয়। টেস্টে আগের মতোই নাজমুল হোসেন শান্ত অধিনায়ক। ক্রিকেটের রাজকীয় সংস্করণে শান্তর ডেপুটি মিরাজ।

জিতলে বয়ে যায় প্রশংসার বন্যা। হারলে চলে তুমুল সমালোচনা। ক্রীড়াঙ্গনে এগুলো খুবই সাধারণ ঘটনা। বাংলাদেশ ক্রিকেটও এর ব্যতিক্রম নয়। তবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি তামিম ইকবাল মনে করেন, দেশের ক্রিকেট এগিয়ে নিয়ে যেতে পরিকল্পনায় একটু পরিবর্তন আনা উচিত।
২ ঘণ্টা আগে
ওয়ানডে অধিনায়ক হিসেবে মেহেদী হাসান মিরাজের অধ্যায় শেষ। সাদা বলের এই সংস্করণেও লিটন নেতৃত্ব দেবেন বাংলাদেশকে। কেন এই অধিনায়ক পরিবর্তন—আজ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি তামিম ইকবাল সংবাদ সম্মেলনে ব্যাখ্যা দিয়েছেন। অধিনায়কত্বের ব্যাটন সরিয়ে নেওয়ার আগে মিরাজের সঙ্গে আলোচনাও করেছিলেন বলে জানিয়ে
৪ ঘণ্টা আগে
কাভা মেনস ভলিবল চ্যাম্পিয়নশিপে দুর্দান্ত এক অভিযান শেষে শিরোপার স্বপ্ন আর পূরণ হলো না বাংলাদেশের। ফাইনালে স্বাগতিক পাকিস্তানের বিপক্ষে ৩-০ সেটে হেরে রানার্সআপ হয়েই টুর্নামেন্ট শেষ করেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
৫ ঘণ্টা আগে
আলোচনাটা অনেক দিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত সেটাই সত্যিই হলো। বাংলাদেশের নতুন ওয়ানডে অধিনায়ক এখন লিটন দাস।
৫ ঘণ্টা আগে