
সঞ্জু স্যামসনের বন্দনায় ভারতের ভক্তরা। দলটির তৃতীয়বারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম কারিগর এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। বিশ্বকাপে যাঁর ব্যাটে কচুকাটা হয়েছে প্রতিপক্ষের বোলাররা, প্রথমভাগের ম্যাচগুলোতে সেই স্যামসনের জায়গা হয়েছিল ডাগআউটে। মাঝপথে তাঁকে ফেরানো হয়। বিশ্বকাপ জয়ের পর সেই গল্পই জানালেন ভারতের কোচ গৌতম গম্ভীর।
বিশ্বকাপের মাঝপথে স্যামসনকে একাদশে ফেরানো প্রসঙ্গে গম্ভীর বলেন, ‘সাহসিকতার চেয়েও এটা ছিল কৌশলগত পরিবর্তন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, আমার আর অধিনায়কের কখনোই মনে হয়নি সঞ্জু ফর্মে নেই। নিউজিল্যান্ড সিরিজের পর আমাদের মনে হয়েছে তার বিশ্রাম প্রয়োজন। লিডারশিপ গ্রুপ হিসেবে মাঝেমধ্যে কাউকে বিশ্রাম দেওয়াটাও ভালো সিদ্ধান্ত। কারণ এতে চাপ থেকে কিছুটা দূরে থাকা যায়, মাথার সব কিছু ঝেড়ে ফেলা যায় এবং নতুনভাবে ফিরে আসা যায়।’
শুরুতে স্যামসনকে একাদশের বাইরে রাখা কেবলমাত্র কৌশল ছিল ভারতের জন্য। গম্ভীর বলেন, ‘আমারদের বিভিন্ন কম্বিনেশনে খেলার সুযোগ ছিল। এটাই এই দলের গভীরতা। ব্যাটিং অর্ডারের ওই পজিশনে (নিচের দিকে) রিঙ্কু ছিল। পরে মনে হয়েছে, টপ অর্ডারে টানা তিন বাঁহাতির ধারায় পরিবর্তন আনা দরকার; সেটা অবশ্যই অফ-স্পিনারের বিপক্ষে ভোগান্তির কথা ভেবে নয়। অফ-স্পিনার আমাদের দুই বাঁহাতি ব্যাটসম্যানের জন্য সমস্যা তৈরি করবে—এমন আলোচনা কখনোই হয়নি। আমরা শুধু চেয়েছিলাম ওপরের দিকে সঞ্জুর মতো সক্ষম ও বিস্ফোরক কাউকে রাখতে, যাতে এক, দুই ও তিন নম্বরে আমাদের তিনজন বিধ্বংসী ব্যাটার থাকে। এটাই ছিল মূল কারণ। এটা সাহসী সিদ্ধান্ত মনে হয় না আমার, এটা ছিল স্রেফ কৌশল।’

কিলিয়ান এমবাপ্পে বনাম আর্লিং হালান্ড—রোমাঞ্চকর দ্বৈরথটি এবার মঞ্চস্থ হতে যাচ্ছে ২০২৬ বিশ্বকাপের গ্রুপপর্বের শেষ রাউন্ডে। বোস্টনের মাঠে গ্রুপ ‘আই’য়ের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্যে রাত ১টায় মুখোমুখি হচ্ছে ফ্রান্স ও নরওয়ে।
১২ মিনিট আগে
এই ব্রাজিলকে নিয়ে সামান্য হলেও সংশয় জেগেছিল, গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে পরের পর্বে যেতে পারবে কি না। সংশয়টা তৈরি হয়েছিল গ্রুপপর্বে থাকা মরক্কোর কারণে। মায়ামিতে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে সাম্বার ছন্দে নেচে ওঠা ব্রাজিল অবশ্য সে সংশয় দূর করে দিয়েছে দ্রুতই।
২ ঘণ্টা আগে
ক্যাচ মিস তো ম্যাচ মিস—আজ ম্যানচেস্টারে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচ দেখে এই প্রবাদ মনে পড়াটাই স্বাভাবিক। হাতের নাগালে থাকা ক্যাচ ফসকানোর খেসারত দিতে হয়েছে নিগার সুলতানা জ্যোতির নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশকে। ভারতের কাছে হেরে গেল
৪ ঘণ্টা আগে
খুব বেশি দিন আগের ঘটনা নয়। জিম্বাবুয়ের বুলাওয়েতে এ বছরের জানুয়ারিতে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে বাংলাদেশ-ভারতের অধিনায়কেরা টসের সময় হাত মেলাননি। পাঁচ মাস পর এবার ম্যানচেস্টারে দেখা গেল একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। ভারতীয় অধিনায়ক হারমানপ্রীত কৌরের সঙ্গে হাত মেলাননি বাংলাদেশ অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি।
৫ ঘণ্টা আগে