
সেঞ্চুরির পথেই ছিলেন মুমিনুল হক। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কাঙ্ক্ষিত তিন অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে না পারার হতাশা নিয়ে মাঠ ছেড়েছেন সাবেক অধিনায়ক। ম্যাচ শেষে সেঞ্চুরি মিস প্রসঙ্গে স্ত্রীকে টেনে দারুণ এক রসিকতাই করলেন মুমিনুল।
ঢাকা টেস্টের প্রথম দিনটা নিজেদের করে নিয়েছে বাংলাদেশ। ৪ উইকেট হারিয়ে স্বাগতিকদের সংগ্রহ ৩০১ রান। যেখানে নাজমুল হোসেন শান্তর অবদান ১০১ রান। প্রথম দিন দ্বিতীয় ব্যাটার হিসেবে সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়েছিলেন মুমিনুল। তাঁকে থামিয়েছেন নোমান আলী। ব্যক্তিগত ৯১ রানে এলবিডব্লুর ফাঁদে ফেলে মুমিনুলকে বিদায় করেন এই স্পিনার। রিভিউ নিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি বাঁহাতি ব্যাটারের।
বাংলাদেশ প্রথম দিনটা নিজেদের করে নিলেও মুমিনুলের সেঞ্চুরি মিসের আক্ষেপ পুড়িয়েছে ভক্তদের। তবে টেস্টে ১৪তম সেঞ্চুরি হাতছাড়া করার আক্ষেপ নেই খোদ মুমিনুলের। কেবলমাত্র স্ত্রী বকা দেবে বলে কিছুটা মন খারাপ হচ্ছে তাঁর।
ম্যাচ শেষে সেঞ্চুরি মিস করা প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে মুমিনুল বলেন, ‘না আক্ষেপ হয়নি। এত দিন হয়নি। আজ একটু হয়েছে। তাও বউয়ের কারণে। বউ হয়ত একটু বকা দেবে। এটাই আরকি।’
টস হারা বাংলাদেশের শুরুটা ভালো হয়নি। দলীয় ৩১ রানেই ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে। এর আগে দলীয় ১৮ রানে মাহমুদুল হাসান জয় আউট হলে উইকেটে আসেন মুমিনুল। তৃতীয় উইকেটে শান্তর সঙ্গে ১৭০ রানের জুটি গড়ে চাপ সামালের পাশাপাশি বাংলাদেশকে বড় সংগ্রহের ভীত গড়ে দেন। সেঞ্চুরি মিস হলেও তাই তৃপ্তির ঢেঁকুরই তুলছেন মুমিনুল।
মুমিনুল বলেন, ‘আমার ওইরকম রানের তাড়া ছিল না। লক্ষ্য ছিল আর এক ঘণ্টা আছে, ওই এক ঘণ্টা স্বাভাবিক ক্রিকেট খেলার। নোমান ভালো বল করছিল। যেভাবে খেলতে চেয়েছিলাম ওইভাবে খেলতে পারিনি, বলটা হঠাৎ করে নিচু হয়ে গেছে। উইকেটে আসার পর দুই-তিন মিনিট একটু খারাপ লাগছিল আরকি। একশর চেয়ে আমার কাছে নিয়মিত রান করা বেশি গুরুত্বপূর্ণ, সত্যি বলতে গেলে।’

এবারের বিশ্বকাপ যে দলগুলোর জন্য কতটা কঠিন ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হচ্ছে, তার চিত্রও ফুটিয়ে তোলেন স্কালোনি, ‘এই বিশ্বকাপটি সবার জন্যই কঠিন প্রমাণিত হচ্ছে। এমন কোনো একক দল নেই যারা আলাদাভাবে আধিপত্য দেখাচ্ছে। সেদিনের কথাই ধরুন, শক্তিশালী ফ্রান্সকে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে লড়াই করতে হয়েছে, স্পেন লড়াই করেছে
১ ঘণ্টা আগে
শেষ বাঁশি বাজার পর স্পেনের ফুটবলাররা যখন জয়ের আনন্দে মেতে ওঠেন, তখন পর্তুগাল শিবিরে নেমে আসে হতাশা। রোনালদো ধীর পায়ে মাঠ ছেড়ে টানেলের দিকে হাঁটতে থাকেন। সম্প্রচারে টেলিভিশনের ক্যামেরাও অনুসরণ করে তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ। করিডর পেরিয়ে ড্রেসিংরুম পর্যন্ত সেই দৃশ্যই ছিল ম্যাচ-পরবর্তী সবচেয়ে আবেগঘন মু
১ ঘণ্টা আগে
ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
২ ঘণ্টা আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
৩ ঘণ্টা আগে