
পাকিস্তানকে ভারত ম্যাচ বর্জনের সিদ্ধান্ত থেকে সরিয়ে আনার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে আইসিসি। বেশ কিছু সংবাদমাধ্যমের দাবি, বর্জনের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে শেষ পর্যন্ত প্রতিবেশী দেশটির বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলতে নামবে পাকিস্তান। আলোচিত ইস্যুতে আইসিসির দিকে তাকিয়ে আছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)।
এই ইস্যুতে আজ সংবাদিকদের বিসিসিআইয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট রাজিব শুক্লা বলেন, ‘আইসিসি যা নির্দেশনা দেবে, আমরা সেই অনুযায়ী এগোব। বিসিসিআইয়ের এখানে বলার কিছু নেই। আইসিসির নির্দেশনা আমরা মানব।’
পাকিস্তানের ভারত ম্যাচ বর্জনের সিদ্ধান্তে বেশ বিপাকেই আছে আইসিসি। সমাধানের পথ খুঁজতে গতকাল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নাকভির সঙ্গে বৈঠক করেছেন আইসিসির ডেপুটি চেয়ারম্যান ইমরান খাজা। সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। বৈঠকে কী সিদ্ধান্ত এসেছে সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানা যায়নি। তবে বেশ কিছু সূত্রের দাবি, আলোচিত ইস্যুতে নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসতে যাচ্ছে পাকিস্তান।
বাংলাদেশের সমর্থনে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত ম্যাচ বর্জনের সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তান সরকার। তবে তিনটি শর্তে এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসবে তারা–এমনটাই দাবি টেলিকম এশিয়া স্পোর্ট, এনডিটিভি, হিন্দুস্তান টাইমসের মতো সংবাদমাধ্যমগুলো। এই বিষয়ে বৈঠকে ইমরান খাজাকে আশ্বস্ত করেছেন নাকভি। এই তিন শর্তের মধ্যে দুটি ভারতকে দিয়েছে পিসিবি; বাকিটা আইসিসিকে।
পিসিবির শর্তগুলো হলো রাজস্ব বাড়ানো, ভারত-পাকিস্তান দ্বিপক্ষীয় সিরিজ চালু করা এবং ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে করমর্দন ফেরানো। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে নাকভির বৈঠকের পর এসেছিল ভারত ম্যাচ বর্জনের ঘোষণা। ইমরান খাজার সঙ্গে গতকালকের বৈঠকের পর সেই সিদ্ধান্ত বদলানোর আগে আজ শাহবাজ শরিফের সঙ্গে বসার কথা রয়েছে নাকভির। পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবেন পিসিবি প্রধান।

তামিম বলেন, ‘আমরা চাচ্ছি আগামী বছরের এপ্রিল-মে মাসের মধ্যে সব ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে। আগে যা হতো—একেবারে শেষ মুহূর্তে সবকিছু করা হতো। আমরা পর্যাপ্ত সময় নিয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো চূড়ান্ত করতে চাই, যাতে কেউ নিয়ম ভঙ্গ করলে বা সরে দাঁড়ালে আমাদের হাতে বিকল্প খোঁজার মতো যথেষ্ট সময় থাকে। আমরা এ
৭ ঘণ্টা আগে
ডারউইনে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়াকে কাঁপিয়ে এখন ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করার হাতছানি এখন বাংলাদেশের সামনে। ব্যাটিং, বোলিংয়ে প্রতিপক্ষকে নাজেহাল করেছে ফিল সিমন্সের বাংলাদেশ।প্রতিপক্ষকে ধবলধোলাইয়ের এমন সম্ভাবনা যখন বাংলাদেশের সামনে, তখন স্বাভাবিকভাবেই কৌশল নিয়ে কৌতূহল জেগেছে অনেকের। তবে সিমন্স তা খোলাসা করেননি।
৮ ঘণ্টা আগে
ডারউইনে বাংলাদেশের কাছে ৯ উইকেটে হারের পরও প্রতিপক্ষকে নিয়ে কোনো বিস্ময় নেই অস্ট্রেলিয়ার অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিনের। বরং তাঁর দাবি, বাংলাদেশ যে ভালো দল, সেটি আগেই তাঁদের জানা ছিল। প্রথম দিনের পরই ম্যাচটা কঠিন হতে যাচ্ছে সেটিও বুঝে গিয়েছিলেন তাঁরা।
৯ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ার মাঠে অস্ট্রেলিয়াকে হারানো তো চাট্টিখানি কথা নয়। ডারউইনে সিরিজের প্রথম টেস্টে ৯ উইকেটে হারিয়ে ইতিহাস গড়ার পর প্রশংসায় ভাসছেন নাজমুল হোসেন শান্ত-মুশফিকুর রহিমরা। এবার তাদের সামনে ইতিহাস সমৃদ্ধ করার হাতছানি। ম্যাকেতে পরশু শুরু হতে যাওয়া দ্বিতীয় টেস্টটা নিয়েই এখন ভাবনা প্রধান কোচ ফিল সিমন্স
৯ ঘণ্টা আগে