
দুই দিন আগেই ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) দল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন যুজবেন্দ্র চাহাল। ভারতীয় এই লেগ স্পিনার দাবি করেছেন, ২০১৩ সালে মুম্বাইয়ের হয়ে খেলার সময় এক সতীর্থ মদ্যপ অবস্থায় তাকে ১৫ তলার ছাদ থেকে ফেলে দিচ্ছিলেন। কোনো রকমে প্রাণে বেঁচে যান তিনি। এ ঘটনার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন রবি শাস্ত্রী। সাবেক ভারতীয় কোচ মনে করেন, যে সতীর্থ চাহালের সঙ্গে এমন করেছিল তাকে কঠিন শাস্তি দেওয়া হোক।
মুম্বাইয়ের বিরুদ্ধে চাহালের অভিযোগ ভারতীয় ক্রিকেটে আলোচনার ঝড় তুলেছে। ঘটনাটি জানার পর হতবাক হয়েছেন অনেকেই। শাস্ত্রী শুধু অবাক হননি, ওই সতীর্থের কঠিন শাস্তি দাবি করে তাঁকে ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধের দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘বিষয়টি হাসির ব্যাপার নয় মোটেই। আমি জানি না, কে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত। নিশ্চিত সেদিন সংশ্লিষ্ট ক্রিকেটার বেহুঁশ ছিল। যদি তাই হয়ে থাকে, সেটি চিন্তার বিষয়। যে এটি করেছে, সে মোটেও প্রকৃতস্থ অবস্থায় ছিল না। এ ধরনের ঘটনায় বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই অঘটন ঘটে। এটা কোনোভাবেই মানা যায় না।’
শাস্ত্রী জানিয়েছেন, তিনি এই প্রথম এমন ঘটনার কথা জেনেছেন। বর্তমান সময়ে এমন ঘটনা কেউ ঘটালে তাকে আজীবন নিষিদ্ধ করা হতো উল্লেখ করে শাস্ত্রী বলেন, ‘এ ধরনের কুকীর্তির খবর এই প্রথম আমি শুনছি। এটা মোটেও মজার ঘটনা নয়। যদি আজকের দিনে এ ধরনের ঘটনা ফের ঘটে, তা লে আমি নিশ্চিত জড়িত ব্যক্তি সারা জীবন নির্বাসিত হবেন। আর সেই ব্যক্তিকে পুনর্বাসন কেন্দ্রে পাঠাতে হবে দ্রুত। আজীবন নির্বাসিত হয়ে ক্রিকেট মাঠের ধারেকাছে আসতে না পারলেই তিনি বুঝতে পারবেন এটা কতটা নির্যাতন।’
সাবেক এই ভারতীয় কোচ মনে করেন, এমন ঘটনা ঘটলে ক্রিকেটারদের উচিত তখনই দলকে অবগত করা। কারণ দেরি করলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। ক্রিকেটারদের উদ্দেশে তাঁর পরামর্শ, ‘কেউই নিশ্চয়ই চাইবে না, এ রকম ঘটনার জেরে কোনো বড় দুর্ঘটনা ঘটে যাক। এ রকম হলে তৎক্ষণাৎ দলকে জানানো দরকার। ঠিক যে রকম ম্যাচ গড়াপেটা সংক্রান্ত ঘটনার আভাস পেলে বা প্রস্তাব এলে দুর্নীতি দমন শাখাকে জানানো হয়ে থাকে।’

ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
২০ মিনিট আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
১ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
১ ঘণ্টা আগে
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।
১ ঘণ্টা আগে