বাবর আজম এমনিতেই আছেন চাপে। ফর্ম তো তাঁর পক্ষে কথা বলছে না, এমনকি পাকিস্তানের পারফরম্যান্সও ভালো নয়। অফফর্মে থাকা পাকিস্তানি এই ক্রিকেটার এবার ঘরোয়া ক্রিকেটে বেধড়ক পেটালেন শাহনেওয়াজ দাহানিকে। তাতে দাহানির ঘুম না হওয়ার মতো অবস্থা।
দাহানির ধোলাই খাওয়ার ঘটনা ঘটেছে গত রাতে ‘চ্যাম্পিয়নস ওয়ানডে কাপে’। ফয়সালাবাদে গত রাতে মুখোমুখি হয়েছে মারখোরস ও স্ট্যালিয়নস। যেখানে টুর্নামেন্টে বাবর ও দাহানি খেলেছেন স্ট্যালিয়নস ও মারখোরসের হয়ে। অষ্টম ওভারে দাহানি বোলিং করতে এলে প্রথম বলটা ডট দিয়েছেন বাবর। পরের বলে মিড উইকেট দিয়ে চার মেরে তান্ডব শুরু বাবরের। শেষ চার বলে পাকিস্তানি এই ব্যাটার মেরেছেন আরও চারটি চার। মিড উইকেটের পাশাপাশি থার্ড ম্যান, কাভার, পয়েন্ট এসব এলাকা দিয়ে বাউন্ডারি মেরে মারখোরসের যেন নাভিশ্বাস উঠিয়ে দিয়েছেন বাবর।
বাবর যে দাহানির ওভার থেকে ২০ রান নিয়েছেন, সেই ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। সেই ভিডিও সম্পর্কে এক্স হ্যান্ডলে মজা করে একটি পোস্ট করেন দাহানি। ২৬ বছর বয়সী এই পেসার লেখেন, ‘এটা বারবার না দেখে থাকতে পারছি না। মনে হচ্ছে না আজ রাতে ঘুমাতে পারব। বুঝতেই পারলাম না বাবর এটা এত সহজে কীভাবে করলেন।’ এমন ঘটনা হয়তো চাইলেও ভুলতে পারবেন না দাহানি। এই স্মৃতি যেন ভবিষ্যতে নাড়া না দেয়, সেই ব্যবস্থাও যে করে রাখলেন তিনি। কারণ বেধড়ক পিটুনি খাওয়ার ভিডিওটা তাঁর টাইমলাইনে পাওয়া যাচ্ছে না।
বেধড়ক পিটুনি খাওয়া দাহানি ম্যাচে করেছেন এই একটি ওভার। ম্যাচটি মারখোরস জিতেছে ১২৬ রানে। যেখানে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন মারখোরস অধিনায়ক মোহাম্মদ রিজওয়ান। সালমান আগা (৫১) ও ইফতিখার আহমেদের (৬০) জোড়া ফিফটিতে ৪৫ ওভারে ২৩১ রানে অলআউট হয়ে যায় মারখোরস। ২৩২ রান তাড়া করতে নেমে স্ট্যালিয়নস ২৩.৪ ওভারে ১০৫ রানে অলআউট হয়েছে। বাবরের ৪৫ রানের ইনিংসটাই স্ট্যালিয়নসের সর্বোচ্চ। ৪৫ বলের ইনিংসে ৮ চার মেরেছেন তিনি।

এই জয় তো এই হার—২০২৬ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের যাত্রাটা চলছে এভাবেই। উইন্ডহোকে ১৫ জানুয়ারি তানজানিয়াকে ৫ উইকেটে হারিয়েছিল উইন্ডিজ। একই মাঠে ১৮ জানুয়ারি আফগানিস্তানের কাছে ১৩৮ রানে হেরেছে ক্যারিবীয়রা। আজ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলতে নামবে উইন্ডিজ।
১৭ মিনিট আগে
চিত্রনাট্যটা একই রকম। গত বিপিএলেও মেহেদী হাসান মিরাজের নেতৃত্বাধীন দল দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার থেকে ছিটকে গেছে। এবারও ঠিক একই ঘটনা ঘটেছে। পার্থক্য শুধু গত বছর খুলনা টাইগার্সের হয়ে খেলা মিরাজ এবার খেলেছেন সিলেট টাইটানসের হয়ে। সিলেটের প্রধান কোচ সোহেল ইসলামের মতে
১ ঘণ্টা আগে
লং অনে দারউইশ রাসুলি ক্যাচ ধরার পর শুরু হয়ে যায় উদ্যাপন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেট ব্যাটার ব্র্যান্ডন কিংয়ের (৫০) উইকেটটা তো আফগানদের জন্য দারুণ এক ব্রেকথ্রু ছিলই। সব ছাপিয়ে আলোচনায় আফগানিস্তানের রহস্যময় স্পিনার মুজিব উর রহমানের হ্যাটট্রিক।
২ ঘণ্টা আগে
মিরপুর শেরেবাংলায় পরশু ক্রিস ওকস ছক্কা মারার পরই কেঁদে ফেলেছিলেন ফাহিম আল চৌধুরী। ২৪ ঘণ্টা না যেতেই একই মাঠে ফের কাঁদলেন ফাহিম। তবে দুটি ঘটনার মধ্যে যে আকাশ-পাতাল ফারাক। পরশু সিলেটের জয়ের খুশিতে কাঁদলেও কাল কেঁদেছিলেন দলের বিদায়ে। রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের কাছে হারের পর ফিক্সিংয়ের গুরুতর অভিযোগ তুললেন সিল
২ ঘণ্টা আগে